আগামীকাল বড়দিন মেরি ক্রিসমাস। ফলে পর্যটক বড়দিন বা সমুদ্র সৈকতে স্নানের জন্য আসছে না দিঘায়।যদিও দিঘায় হুমড়ি খাওয়া ভিড়। তবে ভিড় টানছে অন্য কিছু নয়, বিচ ফেস্টিভ্যাল দেখার জন্য। বিচ ফেস্টিভ্যালকে ঘিরে অনেক আগেই সেজে উঠেছিল সৈকতনগরী। পর্যটকদের ভিড়ও ছিল বেশ। তবে সেই ভিড় এক ধাক্কায় বেড়ে গেছে শনিবারের বেলার পর। যা হয়তো জনসমুদ্রে পরিণত হতে পারে সোমবার বড়দিনের সকালেই।এমনই ধারণা দিঘার হোটেল ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পরিবহন ব্যবসায়ী সকলের।দিঘা-শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন,"দিঘার প্রায় ৬০ শতাংশ হোটেল- লজ আগে থেকেই পযর্টকরা বুক করে রেখেছেন। বাকি ঘরগুলোও রবিবারের পর আর ফাঁকা থাকবে না।"একই কথা হোটেল ব্যবসায়ী অনুপম মাইতির মুখেও। পর্যটকদের স্বাগত জানাতে নানা রঙের আলোকমালা এবং বড়দিন উপলক্ষে সান্টাক্লজ ও ক্রিসমাস ট্রি দিয়ে সাজানো হয়েছে হোটেলগুলি। হোটেল ছাড়াও রাজকীয় সুইস টেন্টেও রয়েছে রাত্রিবাস। যা এবারের বড়দিনের সান্তার উপহার পর্যটকদের জন্য। শনিবার দিনভর ছোট-বড় বিভিন্ন গাড়ি ঘুরপাক দিঘার অলিতে -গলিতে। নন্দকুমারের পর থেকেই প্রায় সমস্ত গাড়িরই অভিমুখ ছিল দিঘার দিকে।দিঘার পরিবহণ ব্যবসায়ী উজ্জ্বল মাইতি বলেন, "দিঘায় ইতিমধ্যে ভিড় জমেগেছে। রবিবারের পর আরও দ্বিগুন বীর জমবে।'' এবার বড়দিনে দিঘায় প্রায় লক্ষাধিক মানুষের ভিড় জমবে বলে অনুমান স্থানীয় প্রশাসনেরও।আর ভিড়ের কথা ভেবেই এখন থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে দিঘা সহ বাকি ৩ সৈকতে।সমুদ্রস্নানের সময় পর্যটকরা যাতে নিরাপদে স্নান করতে পারেন ও কোনও বিপদ না হয় তার জন্য সমুদ্রে নজরদারিতে থাকবেন নুলিয়ারা। ইতিমধ্যে দিঘাতে বাড়ানো হয়েছে ৫ জন মহিলা নুলিয়া সহ ২৪ জন নুলিয়া। মোতায়েন রাখা হবে সাদা পোশাকের পুলিশ ও মহিলা পুলিশ ।
আগামীকাল বড়দিন মেরি ক্রিসমাস। ফলে পর্যটক বড়দিন বা সমুদ্র সৈকতে স্নানের জন্য আসছে না দিঘায়।যদিও দিঘায় হুমড়ি খাওয়া ভিড়। তবে ভিড় টানছে অন্য কিছু নয়, বিচ ফেস্টিভ্যাল দেখার জন্য। বিচ ফেস্টিভ্যালকে ঘিরে অনেক আগেই সেজে উঠেছিল সৈকতনগরী। পর্যটকদের ভিড়ও ছিল বেশ। তবে সেই ভিড় এক ধাক্কায় বেড়ে গেছে শনিবারের বেলার পর। যা হয়তো জনসমুদ্রে পরিণত হতে পারে সোমবার বড়দিনের সকালেই।এমনই ধারণা দিঘার হোটেল ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পরিবহন ব্যবসায়ী সকলের।দিঘা-শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চক্রবর্তী বলেন,"দিঘার প্রায় ৬০ শতাংশ হোটেল- লজ আগে থেকেই পযর্টকরা বুক করে রেখেছেন। বাকি ঘরগুলোও রবিবারের পর আর ফাঁকা থাকবে না।"একই কথা হোটেল ব্যবসায়ী অনুপম মাইতির মুখেও। পর্যটকদের স্বাগত জানাতে নানা রঙের আলোকমালা এবং বড়দিন উপলক্ষে সান্টাক্লজ ও ক্রিসমাস ট্রি দিয়ে সাজানো হয়েছে হোটেলগুলি। হোটেল ছাড়াও রাজকীয় সুইস টেন্টেও রয়েছে রাত্রিবাস। যা এবারের বড়দিনের সান্তার উপহার পর্যটকদের জন্য। শনিবার দিনভর ছোট-বড় বিভিন্ন গাড়ি ঘুরপাক দিঘার অলিতে -গলিতে। নন্দকুমারের পর থেকেই প্রায় সমস্ত গাড়িরই অভিমুখ ছিল দিঘার দিকে।দিঘার পরিবহণ ব্যবসায়ী উজ্জ্বল মাইতি বলেন, "দিঘায় ইতিমধ্যে ভিড় জমেগেছে। রবিবারের পর আরও দ্বিগুন বীর জমবে।'' এবার বড়দিনে দিঘায় প্রায় লক্ষাধিক মানুষের ভিড় জমবে বলে অনুমান স্থানীয় প্রশাসনেরও।আর ভিড়ের কথা ভেবেই এখন থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে দিঘা সহ বাকি ৩ সৈকতে।সমুদ্রস্নানের সময় পর্যটকরা যাতে নিরাপদে স্নান করতে পারেন ও কোনও বিপদ না হয় তার জন্য সমুদ্রে নজরদারিতে থাকবেন নুলিয়ারা। ইতিমধ্যে দিঘাতে বাড়ানো হয়েছে ৫ জন মহিলা নুলিয়া সহ ২৪ জন নুলিয়া। মোতায়েন রাখা হবে সাদা পোশাকের পুলিশ ও মহিলা পুলিশ ।

No comments:
Post a Comment