পণ না পাওয়ায় খুন হতে হল দেগঙ্গার নিরামিশা গ্রামের এক গৃহবধূকে। জানা গিয়েছে, মৃত বধূর নাম শানজিলা বিবি। বয়স ২১। স্থানীয় সূত্রে খবর, দেগঙ্গার নিরামিশা গ্রামের রবিউল মণ্ডলের সাথে দেড় বছর আগে বিয়ে হয় শাসন পলতাঠাঙা গ্রামে মেয়ে শানজিলা সাথে। বিয়ের সময় সোনার গহনা , মটর বাইক সহ সংসারের যাবতীয় জিনিসপত্র দেওয়া হয়। তার পরেও ওই বধুকে তার স্বামী রবিউল বাপের বাড়ি থেকে টাকা ও একটি খাট আনার জন্য চাপ দেয়। ওই বধুর বাবা তাজ মহম্মদ গাজি বলেন আমি চাষ করে খায় মেয়ের শ্বশুরবাড়ির দাবি পুরণ করতে পারেনি এবং জানায় কিছু দিন পরে দেওয়ার চেষ্টা করব। তা সত্বেও ওই বধুকে শনিবার রাতে নির্মম ভাবে মারধোর করে মুখে বিষ ঢেলে । অভিযোগ ঐ অবস্থাতে অভিযুক্ত স্বামী ওই বধুকে হাসপাতালে ফেলে চলে যায়। স্থানীয় দের থেকে ফোনে খবর পেয়ে দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর হাসপাতালে গিয়ে মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। ছমাসের একটি কন্যা সন্তান সহ অভিযুক্ত স্বামী ও শ্বশুরবাড়ি বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। দেগঙ্গা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে বারাসত মহাকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশ।
পণ না পাওয়ায় খুন হতে হল দেগঙ্গার নিরামিশা গ্রামের এক গৃহবধূকে। জানা গিয়েছে, মৃত বধূর নাম শানজিলা বিবি। বয়স ২১। স্থানীয় সূত্রে খবর, দেগঙ্গার নিরামিশা গ্রামের রবিউল মণ্ডলের সাথে দেড় বছর আগে বিয়ে হয় শাসন পলতাঠাঙা গ্রামে মেয়ে শানজিলা সাথে। বিয়ের সময় সোনার গহনা , মটর বাইক সহ সংসারের যাবতীয় জিনিসপত্র দেওয়া হয়। তার পরেও ওই বধুকে তার স্বামী রবিউল বাপের বাড়ি থেকে টাকা ও একটি খাট আনার জন্য চাপ দেয়। ওই বধুর বাবা তাজ মহম্মদ গাজি বলেন আমি চাষ করে খায় মেয়ের শ্বশুরবাড়ির দাবি পুরণ করতে পারেনি এবং জানায় কিছু দিন পরে দেওয়ার চেষ্টা করব। তা সত্বেও ওই বধুকে শনিবার রাতে নির্মম ভাবে মারধোর করে মুখে বিষ ঢেলে । অভিযোগ ঐ অবস্থাতে অভিযুক্ত স্বামী ওই বধুকে হাসপাতালে ফেলে চলে যায়। স্থানীয় দের থেকে ফোনে খবর পেয়ে দেগঙ্গার বিশ্বনাথপুর হাসপাতালে গিয়ে মেয়েকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। ছমাসের একটি কন্যা সন্তান সহ অভিযুক্ত স্বামী ও শ্বশুরবাড়ি বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। দেগঙ্গা থানার পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে বারাসত মহাকুমা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশ।

No comments:
Post a Comment