বেসিল ইন্টারন্যাশানাল চিটফান্ডের এজেন্ট বিভাস হালদারের দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল এলাকায়। গত ৩ মাসের বেশী সময় তিনি আমানতকারীদের চাপে বাড়ি ছাড়া ছিলেন। শুক্রবার দুপুরে মন্দিরবাজারের বীরেশ্বরপুরের কলেজের পাশে একটি পরিত্যক্ত বাড়ির ভেতর থেকে বিভাসের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। জানা যায়, বছর বিয়াল্লিশের বিভাস কুলপির বেলপুকুরের ভগবানপুরের বাসিন্দা। মন্দিরবাজারের বীরেশ্বরপুর কলেজ থেকে বিএ পাশ করেন। ব্যবসায়িক পরিবারের সন্তান বিভাস ২০০৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিপিএমের প্রতীকে জয়লাভ করেন। প্রথমবার জয়লাভ করেই পঞ্চায়েত প্রধান হন তিনি। সেই সময় বিভাস ইমারতী দ্রব্যের ব্যবসা করতেন। ওইসময় ব্যবসার পাশাপাশি চিটফান্ডের এজেন্ট হিসেবে যোগ দেন। কয়েক লক্ষ টাকা তিনি আমানতকারীদের থেকে সংগ্রহ করেন বলে অভিযোগ। ২০১৩ সালে পঞ্চায়েতের মেয়াদও শেষ হয়ে যায়। আমানতকারীরা বিভাসের কাছে টাকা আদায়ে চাপ দিতে থাকেন। এভাবে কয়েক বছর ধরে নিজের ব্যবসা থেকে কিছু আমানতকারীর টাকাও শোধ করেন। সেই টাকা শোধ করতে গিয়ে বাজার থেকে আবারও
চড়া সুদে ঋণ করেন বিভাস। আমনাতকারী ও পাওনাদারদের চাপ বাড়তে থাকে তাঁর ওপর। গত লক্ষ্মীপুজোর সময় থেকে পাওনাদারদের চাপে বাড়ি ছাড়া হয়ে যায় বিভাস। বিভাসের স্ত্রী বন্দনা বলেন,‘আমানতকারীদের টাকা না পেলে হাত,পা কেটে নেওয়ারও হুমকি দিয়েছিল। তাই ভয়ে বাড়ি ছাড়া হয়ে যায়। ইদানীং খুব কম ফোন করত। খালি বলত আমি খুব ভয়ে আছি। আমার স্বামীযে চিটফান্ডের এজেন্ট ছিল, তা জানতাম না। পরে কোম্পানি বন্ধ হতে সব জানাজানি হয়।’

No comments:
Post a Comment