এক প্রৌঢ়ের লালসার শিকার হলো চার বছরের এক শিশু কন্যা । যৌন হেনস্থার অভিযোগে গণপিটুনী দিয়ে ওই অভিযুক্ত স্বপন চক্রবর্তীকে পুলিশের হাতে তুলে দিল স্থানীয় উত্তেজিত বাসিন্দারা । রক্তাক্ত ও অসুস্থ অবস্থায় ওই শিশু কন্যাকে নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে । ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিন শহরতলীর সোনারপুর থানার অন্তর্গত বিদ্যাধরপুরে ।
জানা গিয়েছে, বছর পাঞ্চন্ন বয়সী পেশায় রিকশা চালক স্বপন চক্রবর্তীর বাড়ির পাশে ওই শিশুকন্যার পরিবার কিছুদিন আগে থেকে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতে শুরু করে । মঙ্গলবার বাড়িতে ওই শিশুকন্যা একা ছিল । সেই সুযোগে তাকে টিভি দেখানোর প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে আসে প্রতিবেশী প্রৌঢ় স্বপন । কিছু সময় পর তার মা ঘরে ফিরে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে চারিদিকে বিস্তর খোঁজাখুঁজি শুরু করে । দীর্ঘক্ষণ পর অবশেষে স্বপনের ঘরের বাইরে মেয়ের জুতো দেখতে পায় । এরপর দরজা ঠেলে ভিতরে ঢুকে স্বপ্নকে ও মেয়েকে অসংলগ্ন অবস্থায় দেখে প্রায় জ্ঞান হারানোর পরিস্তিতি হয় । অতিকষ্টে ঘরের বাইরে এসে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসে । তারাই ওই শিশুকন্যাকে রক্তাক্ত ও অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে । যৌন হেনস্তার অভিযোগে স্বপনকে ঘর থেকে বাইরে বার করে এনে শুরু হয় গণধোলাই । ঘটনার খবর পেয়ে ঘাতনস্থলে পৌঁছায় সোনারপুর থানার পুলিশ । এরপর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।নিগৃহীতা ওই শিশুকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় শারিরীক পরীক্ষা করাতে ।বুধবার অভিযুক্তকে তোলা হবে বারুইপুর আদালতে।

No comments:
Post a Comment