সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের এবার নতুন ভয়! নতুন প্রাণীর আগমন - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 13 December 2017

সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের এবার নতুন ভয়! নতুন প্রাণীর আগমন

সুন্দরবনের মৎস্যজীবীদের এখন নতুন প্রাণের ভয়, তা কিন্ত কুমির কিংবা গোসাপ নয়। এ একটু অত্যাধুনিক প্রাণী যা বাইরের দেশে সাধারণত থাকতে শোনা গেছে। নাম কেরালা সাপ। যার ভয়ে কিনা জুজু হয়ে আছেন  সুন্দরবনের মৎস্যজীবীরা।নদীর নোনা জলে থাকা ভয়ংকর বিষধর  জল কেরাল সাপই এখন মাথা ব্যাথার কারন মৎস্যজীবীদের। আর এই সাপের ভয়ে আঁতকে উঠছেন আঠারো ভাঁটির মৎস্যজীবীরা।
  যাকে তামাম বিশ্বচেনেন  'হুক নোসড  সি স্নেক' নামে।ভয়ঙ্কর বিষধর এই সাপ সাধারনত দেখা যায় আরব সাগর, পারস্য উপসাগর,দক্ষিণ এশিয়ার পাকিস্থান বাংলাদেশ ও ভারতের কিছু অংশে।তাছাড়া দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার বর্মা থাইল্যান্ড, ভিয়েতনামে। সাদা ও ধুসর প্রকৃতির এই সাপ  খুব বেশি দেখা না গেলেও বর্তমানে ভয়ংকর এই সাপের দেখা মিলছে সুন্দরবনের নদী তে। এতদিন শুধুমাত্র ভারতের উপকূলের কিছু অংশে এই বিষধরের সন্ধান পাওয়া যেত কদাচিৎ।  সাপ টির মাথা সুচলো প্রকৃতির লেজের দিক টি চওড়া।সাপ টি প্রায় ছয় থেকে সাত ফুট লম্বা হয়।সারা বিশ্বে ২০ টি সামুদ্রিক বিষধর সাপের মধ্যে অন্যতম হল এই জল কেরাল।এই সাপের মারন বিষ হল ০.৫ মিলিগ্রাম। অথচ একবারের ছোবলে এই সাপ বিষ ঢালে প্রায় সাত থেকে দশ মিলিগ্রাম।সুন্দরবন এলাকায় বসবাস কারি বিষধর কেউটে ও কালাচে মারন বিষের থেকে যা অনেক বেশি ।জল কেরাল সাপ রাতে ও দিনে সমান সক্রিয় কামড়ানোর ব্যাপারে।জলে উপরে এই সাপ থাকে এমন নয় জলের একশো মিটার গভীরে প্রায় পাঁচ ঘন্টা নিজেকে লুকিয়ে রাখতে পারে।এই সাপের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল নদী বা সমুদ্রের জলের অতিরিক্ত লবন কে শরীরে অভিযোজন করে বেঁচে থাকতে পারে।আর এই অভিযোজন এই সাপ কে আরো বেশি আক্রমনাত্নক করে তুলেছে।এই সাপের কামড়ে নিউরোটক্সিন ও মাইট্রোটক্সিন দুই ধরনের বিষ থাকে।নিউরোটক্সিন নার্ভ অকেজো করে এবং মাইট্রোটক্সিন মাংসপেশি অক্ষম করে দেয়।শরিরের নার্ভ ও মাংসপেশি ধংস করে বলে কামড়ানোর পর তাৎক্ষণিক পঙ্গু হয়ে পড়েন সেই ব্যক্তি।তাই এই সাপের কামড়ে প্রায় নব্বই শতাংশ প্রানী মারা যায়।এমন ই মত সর্প বিশেষজ্ঞ দের।এবিষয়ে সর্প বিষয়ক চিকিৎসক  ড:সমর রায় বলেন  "এই সাপ কামড়ানোর পর সাধারন এন্টিভেনাম কাজ করে না তেমন ভাবে।কারন বিষের মধ্যে প্রোটিন থাকে অতি উচ্চমানের।তাই এই সাপ কামড়ানোর পর মৃত্যুর হার অনেক বেশি।''

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad