ব্যাঙ্গালুরুর হোস্টেলে রায়গঞ্জের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ! - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 31 January 2018

ব্যাঙ্গালুরুর হোস্টেলে রায়গঞ্জের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ!



ব্যাঙ্গালুরুর বেসরকারি মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড নার্সিং ইনিস্টিটিউট হাসপাতালের হোস্টেলে নিজের ঘরে মিলল নার্সিং ছাত্রী রায়গঞ্জের বাসিন্দার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার কে ঘিরে চাঞ্চল্য। মৃত ছাত্রীর নাম মৌসুমি রায়। মৃতা ছাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, তাকে খুন করা হয়েছে।

ব্যাঙ্গালুরু পুলিশ প্রথমে এফ আই আর নিতে অস্বীকার করলেও পরে তা নেয়। ময়নাতদন্তও করে। কিন্তু সঠিক তদন্ত ও পুনরায় ময়নাতদন্তের দাবিতে আজ মৃতদেহ রায়গঞ্জ থানায় নিয়ে এসে ধর্না দেন মৃতা ছাত্রী মৌসুমির পরিবারের লোকজন। ২০১৬ সালে ইটাহারের গুলন্দরের বাসিন্দা শিক্ষক আবদুল কালাম আজাদ এর মাধ্যমে ব্যাঙ্গালুরুর নিলামঙ্গলমে অম্বিকা মেডিকেল কলেজ ও নার্সিং ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে নার্সিং এ ভর্তি হয়েছিলেন রায়গঞ্জের বন্দর এলাকার বাসিন্দা মৌসুমি রায়।

গত ডিসেম্বর মাসে ছুটিতে রায়গঞ্জে বাড়িতে এসেছিল মৌসুমি। গত ৩১ ডিসেম্বর ফিরে যায়। মৌসুমির মামা ভক্ত দাস অভিযোগ করে বলেন, ” গত কয়েকমাস আগে মৌসুমি গোয়াতে কলেজ ছাত্র ছাত্রীদের সাথে ঘুরতে যায়। সেখানেই মেডিকেলের ছাত্র রায়গঞ্জের বাসিন্দা মহম্মদ শ্রেয়াস রাজের সাথে আলাপ হয়।

ওই শ্রেয়াসের কাছে আমার ভাগ্নির কোনও ভিডিও ফুটেজ ছিল যা দেখিয়ে তাকে নিয়মিত ব্ল্যাকমেল করত শ্রেয়াস। এমনকি যে পাত্রের সাথে মৌসুমির বিয়ে ঠিক হচ্ছিল তার কাছেও আপত্তিকর ভিডিও টি পাঠিয়ে দেয়। এরফলে ওই পাত্রের সাথে সম্পর্কও ভেঙ্গে যায়। এনিয়েই আমার ভাগ্নি ভীষন চাপে ছিল।

মৃত্যুর দিন ২৭ জানুয়ারি রাতেও সে আমার সাথে দীর্ঘক্ষন কথা বলে এই সব সমস্যার কথা জানায়। পরদিন সকালেই ব্যাঙ্গালুরুর অম্বিকা মেডিকেল কলেজ থেকে আমাদের জানানো হয় মৌসুমি আত্মহত্যা করেছে। কিন্তু মৌসুমি আত্মহত্যা করেনি তাকে মেরে ফেলা হয়েছে বলে আমরা সন্দেহ করছি।

রায়গঞ্জ থানার কাছে সঠিক তদন্ত ও পুনরায় ময়নাতদন্তের দাবি করছি। ব্যাঙ্গালুরু পুলিশের কাছে অভিযুক্ত মহম্মদ শ্রেয়াস রাজ, যে ব্যাক্তি শ্রেয়াস কে এই কাজে মদত দিয়েছে ইটাহারের গুলন্দর গ্রামের বাসিন্দা আবদুল কালাম আজাদ ও তার ছেলে মহম্মদ ইকবালের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। পাশাপাশি রায়গঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করছি। মৌসুমির মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রায়গঞ্জে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad