তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষের মাঝে পড়ে বাসন্তীর দশ বছরের পড়ুয়ার মৃত্যু হয় গুলিতে। বাংলার বুদ্ধিজীবী ও রাজ মাতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হৃদয় কাঁদেনি। যতটা কেঁদেছে পদ্মাবত সিনেমা নিয়ে। কারণ, মুসলিম ও রাজপুত সিনেমার বিষয়। বুদ্ধিজীবীরা ব্যবসার জন্য আর মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতার জন্য মুসলিমদের ব্যবহার করছেন। মুখ্যমন্ত্রী ও বুদ্ধিজীবীদের এই দর্শন কার্যত লোভ আর লজ্জার। রবিবার বিকালে হাওড়ার সদর দলুইয় সর্বজনীন মাঠে এক জনসভা থেকে এভাবেই মুখ্যমন্ত্রী ও বুদ্ধিজীবীদের সাম্প্রদায়িক দর্শন নিয়ে আক্রমণ করেন বিজেপি নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়।
জয় এদিন বাংলার বুদ্ধিজীবী একাংশের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন আক্রমণে নামেন। জয় ওই বুদ্ধিজীবীদের গরুখেগো শব্দ বন্ধনী দিয়ে চিহ্নিত করে বলেন, বাংলায় কিছু গরু খেগো হিন্দু বুদ্ধিজীবী আছে।যারা কিছু হলেই বিজেপিকে আক্রমণ করতে নেমে পড়েন। কে কি সিনেমা করবে তা তো বিজেপি ঠিক করে দেয় নি। দেয়ও না। এখানে বিজেপির দোষ কোথায়? রাজপুতরা সিনেমার বিরোধীতা করেছে। আর বুদ্ধিজীবীরা বলছে বিজেপি করছে। আমার মনে হয় ওই গরু খেগো বুদ্ধিজীবীদের রক্তে কোনও গন্ডগোল আছে। জয়ের মত বাংলার বুদ্ধিজীবীদের এত চড়া সুরে আক্রমণ করেননি। জয়ের মুখে কথাগুলো শুনে বেশ উৎসাহিত হয়ে জয় শ্রী রামের স্লোগান দয়।
জয় এদিন বলেন, সাধারণ মানুষ এখন তৃণমূল আতঙ্কে ভূগছে। ভোটারদের বলছে, তোমরা কোথায় ভোট দেবে। তৃণমূল ছাড়া অন্য কোথায় ভোট দিলে আমরা পার্টি অফিসে বসে দেখব। তৃণমূলকে ভোট না দিলে ভোটের পর গ্রাম ছাড়া করব। সাধারণ মানুষ আমাদের সে কথা জানিয়েছে।

No comments:
Post a Comment