চাঁদনী, পশ্চিম মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুরের (শ্যামচক)খড়গপুর লোকাল থানা।
মেয়ের খুনের অভিযোগ না নেওয়ায় সোমবার রাতে মৃতদেহ খড়্গপুর লোকাল থানায় রেখে বিক্ষোভ দেখালো মৃতের পরিবার সহ গ্রামবাসীরা। ২৮শে জানুয়ারি গলায় ফাঁস লাগানো ঝুলন্ত অবস্থায় খড়্গপুর লোকাল থানার বুরবুদি গ্রামের বাসিন্দা সঞ্জয় বেরার বাড়ি থেকে সঙ্গীতা বেরার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। খবর পাওয়ার পর হাওড়ার নাথপাড়ার বাসিন্দা সঙ্গীতার বাবা অলোক পোড়েল তিনি গ্রামে গিয়ে গ্রামবাসীদের কাছ থেকে জানতে পারেন
শশুর বাড়ির লোকেদের অত্যাচারের ঘটনা। মেয়ের মৃত্যুর পর শশুর বাড়ির সকলেই পলাতক। গত কাল বিকালে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মেয়ের ময়না তদন্তের পর অলোক বাবু তার মেয়ের খুনের অভিযোগ দায়ের করতে খড়্গপুর লোকাল থানায় যান। কিন্তু থানা তাঁর অভিযোগ নিতে অস্বীকার করে বলে অভিযোগ অলোক পোড়েলের। এরপর সঙ্গীতার শশুর বাড়ির গ্রামের লোকেদের বিষয়টি জানালে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এরপর সঙ্গীতার বাবা, দাদা সহ গ্রামের লোকেরা খড়্গপুর লোকাল থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায়। সঙ্গীতার দাদা বাপন পোড়েল অভিযোগ করেন, রবিবার ২৮শে জানুয়ারি বোনের শশুর বাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে আমরা খুনের অভিযোগ করতে এসেছিলাম খড়গপুর লোকাল থানায়, কিন্তু থানা অভিযোগ নিতে চায়নি। তাই আজ বোনের মৃতদেহ নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে বাধ্য হয়েছি। সঙ্গীতার পরিবারের দাবি, অবিলম্বে দোষীদের গ্রেপ্তার করুক পুলিশ এবং তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করুক পুলিশ প্রশাসন।
উল্লেখ্য : গত ২০১৩ সালে হিন্দু শাস্ত্র মতে সঙ্গীতার বিয়ে হয় খড়্গপুরের বুরবুদি গ্রামের সঞ্জয় বেরার সঙ্গে। তাদের ৪ বছরের একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে।

No comments:
Post a Comment