প্রজাতন্ত্র দিবস সম্পর্কে বলতে না পেরে রাগলেন সচেতনরা! - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 17 January 2018

প্রজাতন্ত্র দিবস সম্পর্কে বলতে না পেরে রাগলেন সচেতনরা!


প্রজাতন্ত্র দিবস প্রশ্নের উত্তর এটা তো একটা দিবস, অর্থ খুঁজে সময় নষ্ট না করে কাজ করুন, খাওয়া দাওয়া করুন মজা পাবেন!
প্রসঙ্গত ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭ এ ভারত স্বাধীন হলেও দেশের প্রধান হিসেবে তখনও বহাল ছিলেন ষষ্ঠ জর্জ এবং লর্ড লুই মাউন্টব্যাটেন ছিলেন এর গভর্ণর জেনারেল। তখনও দেশে কোনো স্থায়ী সংবিধান ছিল না; ঔপনিবেশিক ভারত শাসন আইনে কিছু রদবদল ঘটিয়েই দেশ শাসনের কাজ চলছিল। ১৯৪৭ খ্রিঃ ২৮শে আগস্ট একটি স্থায়ী সংবিধান রচনার জন্য ড্রাফটিং কমিটি গঠন করা হয়। এই কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন ভীমরাও রামজি আম্বেডকর। ৪ঠা নভেম্বর ১৯৪৭ তারিখে কমিটি একটি খসড়া সংবিধান প্রস্তুত করে গণপরিষদে জমা দেয়। চূড়ান্তভাবে সংবিধান গৃহীত হওয়ার আগে ২ বছর, ১১ মাস, ১৮ দিন ব্যাপী সময়ে গণপরিষদ এই খসড়া সংবিধান আলোচনার জন্য ১৬৬ বার অধিবেশন ডাকেএই সমস্ত অধিবেশনে জনসাধারণের প্রবেশের অধিকার ছিল। বহু বিতর্ক ও কিছু সংশোধনের পর ২৪ শে জানুয়ারি ১৯৫০ এ গণপরিষদের ৩০৮ জন সদস্য চূড়ান্ত সংবিধানের হাতে-লেখা দু'টি নথিতে (একটি ইংরেজি ও অপরটি হিন্দি) স্বাক্ষর করেন। এর দু'দিন পর সারা দেশব্যাপী এই সংবিধান কার্যকর হয়। সাধারণতন্ত্র দিবস উদ্‌যাপনের প্রধান কর্মসূচী পালিত হয় ভারতের রাষ্ট্রপতির সামনে, জাতীয় রাজধানী নয়াদিল্লীতে। এই দিন রাজপথে আড়ম্বরপূর্ণ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয় যা ভারত রাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়।
১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি তারিখে ভারত শাসনের জন্য ১৯৩৫ সালের ভারত সরকার আইনের পরিবর্তে ভারতীয় সংবিধান কার্যকরী হয়।  ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতীয় গণপরিষদে সংবিধান কার্যকরী হলে ভারত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ২৬ জানুয়ারি ভারতের তিনটি জাতীয় দিবসের অন্যতম। অন্য দু'টি জাতীয় দিবস যথাক্রমে স্বাধীনতা দিবস ও গান্ধী জয়ন্তী। এই দিন সারা ভারতেই নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কেন্দ্রীয় কুচকাওয়াজের অনুষ্ঠানটি হয় নতুন দিল্লির রাজপথে।  রাষ্ট্রপতি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন।

এবার কত তম প্রজাতন্ত্র দিবস ? কেন পালন করা হয় ? প্রশ্ন দুটি শুনে ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে থাকলেন জনা পঞ্চাশ ৷ সিটি সেন্টার শপিং মলে বেড়াতে আসা জেন-ওয়াই-এর আরও অনেকের কাছেই দেশের  সাধারণতন্ত্র দিবস নিয়ে  কিছু প্রশ্ন রাখা হয়েছিল৷ কিন্ত্ত যে ধরনের প্রতিক্রিয়া উঠে এল, তা শুধু অবাক করার মতোই নয়, প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে খানিকটা লজ্জারও৷

যা দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, তবে কি ক্রমেই দেশের ইতিহাসের সঙ্গে যোগাযোগ কমছে নবীনদের? নাকি, আর একটা আলসে ছুটির দিন হিসেবেই শুধু থেকে যাচ্ছে ইতিহাসের সোনাঝরা দিনগুলি?

কী বলছে নবীন প্রজন্মের শহরবাসী?  ‘স্বাধীন হওয়ার আগে এই দিনে ব্রিটিশদের সঙ্গে কোনও ড্রিল হতে পারে এদিন৷



কলেজ পড়ুয়া থেকে শিক্ষক সকলেই বললেন, ‘এটা তো একটা দিবস৷ অর্থ খুঁজে সময় নষ্ট না করে কাজ করুন, খাওয়া দাওয়া করুন মজা পাবেন৷

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad