আসন্ন বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়তে পারে শেখ হাসিনার দল আওয়ামীলীগ। সম্প্রীতি
ঢাকাস্থ এক বিদেশী কূটনীতিক সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এডভোকেট আবদুল হামিদের সঙ্গে। তারও আগে ওই বিদেশী কৃটনীতির সঙ্গে তাঁর বাসভবনে গুরুত্বপূর্ন বৈঠক হয় আওয়ামীলীগের নীতি নির্ধারক কয়েকজন প্রেসিডিয়াম মেম্বারের সঙ্গে।
বিডিপলিটিকো নামের এক নতুন অনলাইন সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, এই টিমের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম।
আলোচনাকালে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের কাছে ওই হাই কমিশনার জানতে চান ঢাকা এবং সিলেট পৌর নির্বাচনে আওয়ামীলীগ জিততে পারবে কি না। নেতৃবৃন্দ জবাবে বলেন- সঠিক নির্বাচন হলে হারব। এরপরে জানতে চান দেশে জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগ পূনরায় নির্বাচিত হতে পারবে কি না? নেতৃবৃন্দ এরও জবার দেন- সুষ্ঠু নির্বাচন হলে জেতার কোনও সম্ভাবনা নেই। ক’টি সিট পেতে পারেন? জবাব দেয়, ৩০ থেকে ৪০টি। জবাব শুনে ভাবনায় পড়ে যান ওই কূটনীতিক। তাহলে আ’লীগের ভবিষ্যত যে অন্ধকার! আগামীতে বাংলাদেশে আর ৫ জানুয়ারী মার্কা নির্বাচন হবে না। তাহলে উপায়?
প্রতিবেদনে জানাগেছে, ওই কূটনীতিক তাঁর দীর্ঘ ক্যারিয়ারের এই গুরুত্বপূর্ন এসাইনমেন্টে পারফর্মেন্সের চুড়ান্ত ক্রান্তিকাল অতিবাহিত করছেন। বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ভয়াবহ রাজনৈতিক পতন তার সময়ে ঘটতে যাচ্ছে- বিষয়টি তার জন্য খুবই ব্যর্থতার এবং অসম্মানজনক। তার প্রশ্ন- পর পর দু’টার্ম ক্ষমতায় থেকে, বিরোধী দলকে রাজনীতি শূন্য করার পরেও মুক্তিযুদ্ধের দল আওয়ামী লীগের এমন ভয়াবহ বিপর্যয় দেখতে হচ্ছে কেনো? দেশের মানুষ কেনো আওয়ামীলীগ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলো? আর ব্যপক জনগোষ্ঠির বিরুদ্ধে গিয়ে এই ডুবন্ত দলকে ভাসানো অসম্ভব। এসব বিষয় নিয়েই রাষ্ট্রপতি হামিদের সঙ্গে আলোচনা করেন ওই কূটনীতিক।
বিদ্র : এই প্রতিবেদন সম্পূর্ণ ভাবে সংগৃহীত । প্রতিবেদনের দায় ব্রেকিংবাংলা ডট কমের নয়। বাংলাদেশের একা সংবাদিকের সাথে কথা বলে বৈঠকের সত্যতা মেলেনি। যদি সাধারণ নির্বাচনে বাংলাদেশের শাসক আওয়ামীলীগের ফলাফল আশানুরুপ হবে না বলে জানিয়েছেন তারা।
বিডিপলিটিকো তাদের দুই জানুয়ারী এক প্রতিবেদনে আরও জানিয়েছে,
সেফ প্যাসেজ নিয়ে শেখ হাসিনা বিদেশে যেতে যাচ্ছেন। যাওয়ার বিমানও নাকি রেডি।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ে সরকার পতনের মুখে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে যাচ্ছেন। সেনাবাহিনীর সাথে এ নিয়ে তিন শর্ত চুড়ান্ত হয়েছে। তিনটি শর্ত:
১. ঝামেলা ছাড়া পলায়নের সুযোগ দেয়া।
২. কোনো মামলা করা যাবেনা।
৩. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা যাবেনা।
জেনারেক তারিক সিদ্দিক, জেনারেল আকবর সহ আরও দুই জেনারেল সমেত হাসিনার সাথে দেশত্যাগের জন্য ১০৬ জন লিস্ট আপাতত ফাইনাল। আজ দিনভর এর ওপরে কাজ হয়েছে।
তেঁজগাও আর্মি এয়ার এভিয়েশনে বিমান স্টান্ডবাই আছে। যেকোনো সময় বিদায়। শর্তের আওতায় এই সুযোগ পেতে যাচ্ছেন তিনি।
রোহিঙ্গা ইস্যু
রেনাটার ২০০৭ সালের ১/১১ ঘটাতে সহায়তা, পরে ২০১০ সালে তা অস্বীকার কুখ্যাত রেনাটা: ১/১১ এবং রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টি করে ধংস করলো বাংলাদেশ!
By Staff Reporter Sat, Sep 30, 2017
রেনাটা লক ডেসালিয়ন। জাতিসংঘের এক কর্মকর্তা। কানাডিয়ান এই মহিলা ২০০৭ সালে “ওয়ান ইলেভেন" ঘটিয়ে বাংলাদেশ ধংস করেছেন, আর এবারে বার্মা বাহিনীর রেহিঙ্গা হত্যার পিছনেও তার হাত। লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরনার্থী ঢুকিয়ে দিয়ে বাংলাদেশের সাথে চরম শত্রুতা করলেন রেনাটা।
বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরনার্থী নিয়ে উদ্বিগ্ন পুরো বিশ্ব। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বর নির্যাতনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘসহ অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থাগুলো। তবে অভিযোগ উঠেছে, মিয়ানমারে রাখাইন রাজ্যে 'মুসলিম নিধন'-এর পক্ষে কাজ করেছেন সেখানকার জাতিসংঘেরই কর্মকর্তা রেনাটা লক ডেসালিয়েন।
এ ব্যাপারে বিবিসি বাংলা একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে মিয়ানমারে জাতিসংঘের শীর্ষ কর্মকর্তা রোহিঙ্গা সংকটে যে ভূমিকা নিয়েছিলেন, তা নিয়ে তার সহকর্মীরাও প্রশ্ন তুলেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। রেনাটা লক ডেসালিয়েনের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে- রোহিঙ্গাদের এলাকায় মানবাধিকার কর্মীদের যেতে বাধা দেয়ার চেষ্টা করা, এ নিয়ে জনমত গড়ে তোলার কর্মসূচি বন্ধ করে দেয়ার চেষ্টা করা, রোহিঙ্গাদের জাতিগতভাবে নির্মূলের চেষ্টার ব্যাপারে সতর্কবাণী দিয়েছেন যেসব কর্মকর্তা, তাদের বিচ্ছিন্ন করে রাখার চেষ্টা করা।
মিয়ানমারে কাজ করেছেন এমন একজন ত্রাণ কর্মকর্তা ক্যারোলাইন ভ্যানডেনাবিলি জানিয়েছেন, ‘মিয়ানমারে একদল বিদেশি এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী রোহিঙ্গা এবং রাখাইন বিষয়ে কথা বলছিল। আমি সেখানে ছিলাম। সেখানে একজন বার্মিজ বলল, রোহিঙ্গারা যদি কুকুরের মতো হয় ওদের সবাইকে মেরে ফেলা উচিত। কোনো সমাজে যখন একটি গোষ্ঠীকে আর মানুষ হিসেবে গণ্য করা হয় না এবং সেটি যখন সমাজে স্বাভাবিক ব্যাপার বলে গ্রহণযোগ্যতা পেয়ে যায়, আমার কাছে এটাই জাতিগত নির্মূল শুরুর একটা আলামত।’ক্যারোলাইন আরও জানান, তাকে সবসময় নির্দেশনা দেয়া হতো বৈঠকগুলো যেন এমন সময়ে আয়োজন করা হয় যখন ইউএনওসিএইচএ'র প্রতিনিধি শহরে থাকবেন না। তাকে গণ্ডগোল সৃষ্টিকারী বলে চিহ্নিত করা হয় এবং রোহিঙ্গাদের জাতিগত নির্মূলের আশংকা নিয়ে বারবার সতর্ক করায় তাকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। ভ্যানডেনাবিলি যেসব ঘটনা বর্ণনা করেছেন, জাতিসংঘ তার কোনো প্রতিবাদ জানায়নি। রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা বলতে মিয়ানমার সফরে যাওয়া জাতিসংঘ কর্মকর্তাদেরও বারণ করা হতো।
এছাড়া টমাস কুইনটানা নামের জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক এক কর্মকর্তা অভিজ্ঞতায় বলেছেন, ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দরে একবার তার দেখা হয় রেনাটা লক ডেসালিয়েনের সঙ্গে। তিনি (রেনাটা) আমাকে পরামর্শ দিলেন, আপনার উত্তর রাখাইনে যাওয়া উচিত হবে না - দয়া করে ওখানে যাবেন না। আমি তখন জানতে চাইলাম, কেন? এই প্রশ্নের কোনো উত্তর ছিল না। তার অবস্থানটা ছিল এ নিয়ে মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো ঝামেলায় তিনি যেতে চান না।
‘এটা মাত্র একটা ঘটনা। কিন্তু এ থেকে বোঝা যায় রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে মিয়ানমারে অবস্থানরত জাতিসংঘ দলের কৌশলটা কী ছিল’ -যোগ করেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক কর্মকর্তা টমাস কুইনটানা।এ ব্যাপারে একটি সূত্র বলছে, রাখাইনে রোহিঙ্গা সংকটের ব্যাপারে যেভাবে মিয়ানমারে জাতিসংঘ কাজ করেছে, তার জন্য একটি অভ্যন্তরীণ তদন্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংস্থাটি।
এই রেনাটার অতীত ঘাটলে পাওয়া যাবে, ২০০৭ সালে ১/১১র সময় সে ঢাকাতে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি হিসাবে কর্মরত ছিল। তখন দেশে ২২ জানুয়ারির নির্বাচন নিয়ে আওয়ামীলীগ জোটের সহিত ইয়াজউদ্দিন সরকারের জটিলতা চলছিল। এ অবস্থায় ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটচালে জেনারেল মইন গং রাষ্ট্রক্ষমতা দখলে নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। তাদের সেই অপকর্মে সবচেয়ে বড় অস্ত্রটি সরবরাহ করেছিল এই রেনাটা!
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারী বেলা আড়াইটার পরে সেনাবাহিনী প্রধান লেফটেনেন্ট জেনারেল মইন উ আহমেদ সাথে নৌবাহিনী প্রধান বিমানবাহিনী প্রধানকে নিয়ে জোর করে বঙ্গভবনে ঢুকে পড়েন। তারপরে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আমিনুল করিম এবং এসএসএফ প্রধান মেজর জেনারেল ফাতেমী আহমেদ রুমির সহযোগিতায় রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে বঙ্গভবনে এক কক্ষে আটকে ফেলেন মইন। তিনবাহিনী প্রধান অস্ত্র অস্ত্রের মুখে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনকে চাপ দিয়ে বাধ্য করেন, ২২ জানুয়ারীর নির্বাচন বাতিল করতে এবং ডঃ ইয়াজউদ্দিনেকে প্রধান উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করে জরুরী আইন জারী করতে। সেনাপ্রধান মইন অজুহাত হিসাবে রাষ্ট্রপতিকে জাতিসংঘের ঢাকা প্রতিনিধি রেনাটা লক ডেসালিয়নের চিঠি, যাতে লেখা ছিল- “২২ জানুয়ারীর নির্বাচন বিতর্কিত হয়ে গেছে; এই নির্বাচনে সেনাবাহিনী যেনো সহযোগিতা না করে। আর যদি সেনাবাহিনী অংশ নেয়, তবে ভবিষ্যতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীতে বাংলাদেশের সৈন্য আর নেয়া হবে না।” আসলে ঐ চিঠিটি ছিল ভুয়া। জাতিসংঘ মহাসচিবের এরূপ কোনো নির্দেশনা ছিল না। রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনকে বিভ্রান্ত করতে জেনারেল মইন ওই ভুয়া পত্রটি জোগাড় করে রেনাটার কাছ থেকে।
জেনারেল মইন ঐ ভুয়া পত্র দিয়ে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনকে ভয় দেয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী থেকে বাংলাদেশের সৈন্য ফেরত পাঠালে লক্ষ লক্ষ সৈন্য বিদ্রোহ করে দেশ ধংস করে ফেলবে। অথচ তখন শান্তিরক্ষী বাহিনীতে আমাদের সৈন্য সংখ্যা দশ হাজারও ছিল না! জেনারেল মইন ঐ তথাকথিত জাতিসংঘের হুমকির কথাটি প্রকাশ করেন তার স্বরচিত ‘শান্তির স্বপ্নে’ পুস্তকে।
তবে রেনাটা ২০১০ সালের ১৮ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে বিদায় নেবার সময় ডেইলী ষ্টারকে দেয়া সাক্ষাৎকারে একথা স্বীকার করে গেছেন যে, ১/১১ ঘটনার সময় জাতিসংঘ মহাসচিবের কোনো চিঠি আসেনি। আবার এটাও দাবী করে যে, ১/১১তে তার নিজের কোনো ভূমিকা ছিল না। অর্থাৎ, ১/১১র বিষয়ে সে নিজে নির্দোষ! অথচ তার এ দাবী ছিল পুরোটাই মিথ্যাচার। তার কর্মকান্ডের রেকর্ড রয়ে গেছে বাংলাদেশের বিভিন্ন পত্রপত্রিকা জুড়ে।
অবাক করা বিষয় হলো, ২০০৭ সালে নির্বাচনে সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালন করলে জাতিসংঘ ব্যবস্থা নিবে- এমন হুমকি সংক্রান্ত চিঠিটি ছিলো বানোয়াট। জাতিসংঘ মহাসচিব এমন কোনো সিদ্ধান্ত নেননি যে, নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করে শান্তিরক্ষা বাহিনীতে বাংলাদেশের সৈন্য নেয়া হবে না। বরং জাতিসংঘ মহাসচিবের বার্তা ছিল কেবল সহিংসতার অবসানের জন্য, এবং অংশগ্রহমূলক নির্বাচনের আহবান। অথচ এই রেনাটা জেনারেল মইনের সাথে ষড়যন্ত্র করে মহাসচিবের উৎকন্ঠার সাথে রেনাটা নিজেই যুক্ত করে দেন ”শান্তিরক্ষী বাহিনীতে বাংলাদেশী সৈন্য না নেয়ার হুমকি”, যার দেখিয়ে ঘটানো হয় বাংলাদেশ বিধ্বংসী “ওয়ান ইলেভেন।”
আর সেই রেনাটাই ১০ বছর পরে ২০১৭ সালে এসে মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গা নিধনে সহায়তা করলো, যার ফরে নিহত হয় অন্তত ১০ হাজার রোহিঙ্গা মুসলমান, হাজার হাজার নারী গণধর্ষিত এবং অবর্ননীয় দুঃখ দুর্দশায় পতিত হয়ে ৫ লাখের মত রোহিঙ্গা মুসলমান বাংলাদেশে ঢুকে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এখন বাংলাদেশের বিরাট সমস্যা এই রোহিঙ্গা। অথচ এর জন্য দায়ী বার্মার খুনি জেনারেলদের সাথে জাতিসংঘ কর্মকর্তা রেনাটা লক ডেসালিয়নও।
বাংলাদেশের প্রথম হিন্দু প্রধান বিচারপতি সিনহা ইস্যু
সেইফ এগ্জিট নিয়ে বিদায়ী প্রধানমন্ত্র শেখ হাসিনার বিদেশ পলায়নে নতুন জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। প্রধান বিচারপতি সিনহার বাধার কারনে হাসিনাকে বিদেশ যেতে দিচ্ছে না আর্মি। তাছাড়া সেনাবাহিনীর সৈনিক ও জুনিয়ারদের থেকেও পিলখানা ইস্যুতে বাধা এসেছে।
ফলে নতুন জটিলতায় পড়েছে শেখ হাসিনা। না পারছে বিদেশে চলে যেতে, না পারছে দেশে থাকতে! তাছাড়া কোথায় যাবে তা নিয়েও সমস্যা আছে। অন্যদিকে দেশে থাকলে তার বিচার করবে বিচারপতি সিনহা। সুপ্রিম কোর্ট সূত্র বলছে, সিনহার অবসর ৩১ জানুয়ারি নয়, অনির্দিষ্টকাল। এর উপরে হাসিনার নতুন জটিলতা আর্মি পুলিশকে বিশ্বাস করতে পারছে না। বহু সচিবরা গোপনে হাত মিলিয়েছে। হাসিনা উভয় সংকটে- তার ভাগ্য ঠিক করবে সিনহা।



No comments:
Post a Comment