কলকাতা ডেক্স, ৩জানুয়ারী : ছেলের সাথে বউমাকে থাকতে দিতে নারাজ শ্বশুর শাশুড়ি। প্রবল মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে অবশেষে আত্মঘাতী ছয় মাসের অন্তঃসত্তা গৃহবধূ। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার শ্বশুর শাশুড়ি ও স্বামী ।ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভদ্রেশ্বর থানার অন্তর্গত বিল কুলিতে। মৃত গৃহবধূর নাম আসমা খাতুন (২২)। চুঁচুড়া থানার অন্তর্গত তালডাঙা কাজীপাড়ার আসমার সাত মাস আগে বিবাহ হয় ভদ্রেশ্বর বিলগুলির বাসিন্দা রমজান আলীর । রমজান মুম্বাইতে হিরে সেটিংয়ের কাজ করেন। আসমার বাবা শেখ আবদুল্লাহর বক্তব্য বিয়ের আগে তাঁদেরকে জানানো হয়েছিল মেয়ে মুম্বইতে স্বামীর সাথেই থাকবে । কিন্তু বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর মেয়েকে আর কোনও ভাবেই মুম্বইতে স্বামীর সাথে যেতে দেয়নি শ্বশুর শাশুড়ি ও শ্বশুরের পরিবারের লোকেরা । বিয়ের পর কয়েক দিন ঘর করে স্বামী একা মুম্বইতে চলে যায় । অভিযোগ এর পর শ্বশুর শাশুড়ি আসমার উপর মানসিক ভাবে অত্যাচার চালাচ্ছিল। আর সেই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরেই মঙ্গলবার বিকেলে শ্বশুরবাড়িতে নিজের ঘরে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয় আসমা । বিকেল পাঁচটা নাগাদ খবর আসে আসমার বাপের বাড়িতে । এর পর পরিবারের লোকেরা তড়িঘড়ি পৌঁছন ভদ্রেশ্বর বিল কুলিতে। আসমার বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয় ভদ্রেশ্বর থানায়। এ দিনই আমার শ্বশুর শেখ মুক্তার আলী ও শাশুড়ি তইওবা বিবিকে গ্রেফতার করে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ। রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ আসমার স্বামী রমজান আলী মুম্বাই থেকে বাড়িতে ফিরতেই তাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ । আজ চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে মৃতদেহ ময়না তদন্তের পর আসমার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
কলকাতা ডেক্স, ৩জানুয়ারী : ছেলের সাথে বউমাকে থাকতে দিতে নারাজ শ্বশুর শাশুড়ি। প্রবল মানসিক যন্ত্রণা নিয়ে অবশেষে আত্মঘাতী ছয় মাসের অন্তঃসত্তা গৃহবধূ। আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার শ্বশুর শাশুড়ি ও স্বামী ।ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ভদ্রেশ্বর থানার অন্তর্গত বিল কুলিতে। মৃত গৃহবধূর নাম আসমা খাতুন (২২)। চুঁচুড়া থানার অন্তর্গত তালডাঙা কাজীপাড়ার আসমার সাত মাস আগে বিবাহ হয় ভদ্রেশ্বর বিলগুলির বাসিন্দা রমজান আলীর । রমজান মুম্বাইতে হিরে সেটিংয়ের কাজ করেন। আসমার বাবা শেখ আবদুল্লাহর বক্তব্য বিয়ের আগে তাঁদেরকে জানানো হয়েছিল মেয়ে মুম্বইতে স্বামীর সাথেই থাকবে । কিন্তু বিয়ে হয়ে যাওয়ার পর মেয়েকে আর কোনও ভাবেই মুম্বইতে স্বামীর সাথে যেতে দেয়নি শ্বশুর শাশুড়ি ও শ্বশুরের পরিবারের লোকেরা । বিয়ের পর কয়েক দিন ঘর করে স্বামী একা মুম্বইতে চলে যায় । অভিযোগ এর পর শ্বশুর শাশুড়ি আসমার উপর মানসিক ভাবে অত্যাচার চালাচ্ছিল। আর সেই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরেই মঙ্গলবার বিকেলে শ্বশুরবাড়িতে নিজের ঘরে গলায় ওড়নার ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হয় আসমা । বিকেল পাঁচটা নাগাদ খবর আসে আসমার বাপের বাড়িতে । এর পর পরিবারের লোকেরা তড়িঘড়ি পৌঁছন ভদ্রেশ্বর বিল কুলিতে। আসমার বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে মেয়েকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয় ভদ্রেশ্বর থানায়। এ দিনই আমার শ্বশুর শেখ মুক্তার আলী ও শাশুড়ি তইওবা বিবিকে গ্রেফতার করে ভদ্রেশ্বর থানার পুলিশ। রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ আসমার স্বামী রমজান আলী মুম্বাই থেকে বাড়িতে ফিরতেই তাকেও গ্রেফতার করে পুলিশ । আজ চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে মৃতদেহ ময়না তদন্তের পর আসমার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

No comments:
Post a Comment