পুলিশ কর্মীদের বদলী নিয়ে নিয়ম ভাঙার বিস্তর অভিযোগ উঠল চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বিরুদ্ধে! - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 12 January 2018

পুলিশ কর্মীদের বদলী নিয়ে নিয়ম ভাঙার বিস্তর অভিযোগ উঠল চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের বিরুদ্ধে!

কলকাতা ডেস্ক, ১২ জানুয়ারি : চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ কর্তাদের চারচাকা গাড়ী ব্যাবহার নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর পুলিশ কর্মীদের বদলী নিয়ে নিয়ম ভাঙার বিস্তর অভিযোগ উঠল।

পুলিশ রেগুলেশন বেঙ্গল (পিআরবি) নিয়ম অনুযায়ী পুলিশের কোন সাব ইনেসপেক্টর কোন থানা ফাঁড়ি কিম্বা কোর্টে তিন বছরের বেশি একই স্থানে কর্মরত থাকতে পাড়বেন না।

পাশাপাশি পুলিশের কোনও কনস্টেবল একই স্থানে ২বছরের বেশি থাকার নিয়ম নেই। সেখানে পুলিশের নিয়ম কানুনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চন্দননগর কমিশনারেট এলাকায় দিনের পর দিন একই স্থানে পুলিশ কর্মীদের বহাল রেখে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

১৭ সালের ৫অক্টোবর কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী দীপ্তব্রত বটব্যাল চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি (হেড কোয়াটারের) কাছে তথ্য জানার অধিকার আইনে কিছু প্রশ্ন জানতে চান। কমিশনারেটের এলাকাধীন কোনও থানা, মহিলা থানা কিম্বা কোনও আদালতে কর্মরত কোনও সাব ইনস্পেক্টর, মহিলা সাব ইনস্পেক্টর কিম্বা কোনও কন্সটেবল পুলিশের বদলী সংক্রান্ত নিয়মের বাইরে গিয়ে কোথাও কর্মরত আছেন কিনা? যদি থাকেন তবে সেটা কি কোনও বিশেষ কারনে। তিনি প্রশ্ন করেন, পুলিশের বদলীর নিয়ম মেনে চলার জন্যে পুলিশ আধিকারীকরা কী ব্যবস্থা নিয়েছেন।

১৯অক্টোবর এসিপি (হেড কোয়াটার) ওই আইনজীবীকে জানান, তাদের কমিশনারেট এলাকায় পুলিশের বদলী নিয়ে সে রকম নিয়ম ভাঙার কোনও  ঘটনা ঘটেনি। এই উত্তরে সন্তুষ্ট না হয়ে ফের ১৭ সালের ২৫ অক্টোবর ওই আইনজীবী ওই একই আইনে ওই একই এসিপি আইওর কাছে পুনরায় নির্দিষ্ট করে জানতে চান শ্রীরামপুর মহিলা থানার ভারপ্রাপ্ত এসআই মনিরা বসু, শ্রীরামপুর কোর্টের জিআরও অশোক মণ্ডল, চুঁচুড়া কোর্টের জিআরও বরুন ঘোষ, শেওড়াগুলি ফাঁড়ির দুই কনস্টেবল মহঃনিজামুদ্দিন ও মুক্তরাম রায় একই স্থানে কতদিন কর্মরত। ১৭সালের ১৪নভেম্বর এসিপি (হেড কোয়াটার) ওই আইনজীবীকে জানান মনিরা বসু ১৪সালের ৬ফেব্রুয়ারী থেকে একই স্থানে আছেন। অশোক মণ্ডল ৮বছর ৪মাস। বরুন ঘোষ ৩বছর ১০মাস। মহঃনিজামুদ্দিন ৮বছর ১০ মাস ও মুক্তরাম ৩বছর ৪মাস একই স্থানে কর্মরত আছেন।

পাশাপাশি এও প্রশ্ন উঠছে কোন্নগর আউট পোস্টের অফিসার অনুপ মণ্ডল কোন আইনে জেরে বছরের পর বছর ঘুরে ফিরে কোন্নগড় ফাঁড়িতে কর্মরত আছেন। এখান থেকেই পুলিশ কর্মীদের বদলী নিয়ে নিয়ম ভাঙার বিস্তর অভিযোগ উঠেছে চন্দননগর কমিশনারেটের বিরুদ্ধে। এই প্রসঙ্গে হাইকোর্টের আইনজীবী দীপ্তব্রত বটব্যাল বলেন, চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ কর্তারা কখনও মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন। কখনও আবার নিজেরাই আইন ভাঙছেন। পুলিশের এই আইন ভাঙার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নিতে আদালতের দারস্থ হওয়া ছাড়া কোনও উপায় দেখছি না।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad