তৃণমূলের ঘরে সিপিএম আমলের দুষ্কৃতী। অভিযোগ, মন্ত্রী তথা বিধায়ক রেজ্জাক মোল্লার আশ্রয়েই দিব্যি আছেন । সুযোগ পেলেই তৃণমূলের সাথে গন্ডগোল করে মারধর করছে। রেহাই মিলছে না মহিলাদেরও। মারধর ও শ্লীলতাহানি চলছে পুরোদমে। লক্ষ্য তৃণমূলকে ব্যাকফুটে ঠেলে দেওয়া। অভিযোগ, তৃণমূলের ঘরে থাকা বাম আমলের দুষ্কৃতীরা চলছে বাম শক্তির মদতেই। অতিষ্ঠ ও আক্রান্ত বাসিন্দারা কালিঘাটে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে লিখিত ভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন বলে দাবি সূত্রের।
তৃণমূল কংগ্ৰেসের শক্ত ঘাঁটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা গোষ্ঠীদ্বন্ধের জেরে ক্রমশই খারাপ হতে চলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল | আরাবুলের মত প্রভাবশালী নেতার দাপট কমার পর যুব নেতা কাইজারের হাত ধরে আরাবুল শান্তিপূর্ণ ভাবে এক ভাঙ্গড় নিয়ন্ত্রণ করছিল।
ভাঙ্গড়ে পাওয়ার গ্রিড তৈরি নিয়ে সন্ত্রাস কবলিত এলাকায় পরিনত হয়েছে গোটা এলাকা। এলাকাবাসীর দাবি, এলাকায় নকশাল ও সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এলাকায় ঘাঁটি গেড়ে আছে রেজ্জাক মোল্লা অনুগামী তৃণমূলের নেতাদের ছায়ায়। বাসিন্দারা মনে করছেন,
তৃনমূলের ওপর ও নিচু তলার একাংশ সিপিএম এর হয়েই ভিতরে ভিতরে কাজ করছে | লক্ষ্য সরকার বিরোধী আন্দোলন তৈরি করা।
সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে একটা গন্ডগোল এই ঘটনা প্রকাশ্যে এনেছে। যা অস্বীকার করতে পারছে না পুলিশ মহলও। অভিযোগ সরস্বতী পুজোর দিন ভাঙ্গড় থানার অন্তৰ্গত ঘুনিমেঘি গ্রামের বাসিন্দা সোমা নস্কর সরস্বতী পুজোর দিনে সকালে মদ খাওয়ার অভিযোগ করে মিথ্যে ভাবে সাজিয়ে পাশ্ববর্তী সিপিএমএর আশ্রিত গুন্ডাদের নিয়ে ঘুনিমেঘি গ্রামের কিছু দোকান-পাট লুঠপাঠ ও ভাংচুর চালায় | গ্রামবাসীরা বাঁধা দিতে গেলে সিপিএম আশ্রিত গুণ্ডারা গ্রামের কয়েকজনকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয় তাতে আক্রান্ত হন প্রদীপ মন্ডল,মিন্টু নস্কর,সুমন মন্ডল,অরবিন্দ নস্কর,অষ্টমী মন্ডল নামের এক মহিলাও, মেয়ে বৌদের শ্লীলতাহানীও করা হয় বলে অভিযোগ এবং পাশাপাশি রোজ রাতে বোমবাজি করে চলেছে বলে তাদের দাবি|
তাই ভীত-সন্তস্ত্র হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নজরে ঘটনাটি আনার জন্য শনিবার সকালে কালীঘাটে এই মর্মে একটি অভিযোগ জমা পড়ে বলে জানা যায় বিশেষ নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর অনুযায়ী | ফলে আবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করলো সিপিএম আশ্রিত গুণ্ডারা আরাবুল-কাইজারের ভাঙ্গড়ে আশ্রয় পাচ্ছে কিভাবে? তাহলে কি তৃনমূলের মধ্যে থেকেই কেউ সিপিএমকে মদত দিচ্ছে ?
যদিও দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী এই ব্যাপারটাকে বিশেষ ভাবে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে । পাশাপাশি ভাঙ্গড়ের বিধায়ক তথা মন্ত্রী রাজ্জাক মোল্লাকে এব্যপারে তলব করা হবে বলে জানা গেছে।
তৃণমূল কংগ্ৰেসের শক্ত ঘাঁটি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা গোষ্ঠীদ্বন্ধের জেরে ক্রমশই খারাপ হতে চলেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল | আরাবুলের মত প্রভাবশালী নেতার দাপট কমার পর যুব নেতা কাইজারের হাত ধরে আরাবুল শান্তিপূর্ণ ভাবে এক ভাঙ্গড় নিয়ন্ত্রণ করছিল।
ভাঙ্গড়ে পাওয়ার গ্রিড তৈরি নিয়ে সন্ত্রাস কবলিত এলাকায় পরিনত হয়েছে গোটা এলাকা। এলাকাবাসীর দাবি, এলাকায় নকশাল ও সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এলাকায় ঘাঁটি গেড়ে আছে রেজ্জাক মোল্লা অনুগামী তৃণমূলের নেতাদের ছায়ায়। বাসিন্দারা মনে করছেন,
তৃনমূলের ওপর ও নিচু তলার একাংশ সিপিএম এর হয়েই ভিতরে ভিতরে কাজ করছে | লক্ষ্য সরকার বিরোধী আন্দোলন তৈরি করা।
সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে একটা গন্ডগোল এই ঘটনা প্রকাশ্যে এনেছে। যা অস্বীকার করতে পারছে না পুলিশ মহলও। অভিযোগ সরস্বতী পুজোর দিন ভাঙ্গড় থানার অন্তৰ্গত ঘুনিমেঘি গ্রামের বাসিন্দা সোমা নস্কর সরস্বতী পুজোর দিনে সকালে মদ খাওয়ার অভিযোগ করে মিথ্যে ভাবে সাজিয়ে পাশ্ববর্তী সিপিএমএর আশ্রিত গুন্ডাদের নিয়ে ঘুনিমেঘি গ্রামের কিছু দোকান-পাট লুঠপাঠ ও ভাংচুর চালায় | গ্রামবাসীরা বাঁধা দিতে গেলে সিপিএম আশ্রিত গুণ্ডারা গ্রামের কয়েকজনকে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয় তাতে আক্রান্ত হন প্রদীপ মন্ডল,মিন্টু নস্কর,সুমন মন্ডল,অরবিন্দ নস্কর,অষ্টমী মন্ডল নামের এক মহিলাও, মেয়ে বৌদের শ্লীলতাহানীও করা হয় বলে অভিযোগ এবং পাশাপাশি রোজ রাতে বোমবাজি করে চলেছে বলে তাদের দাবি|
তাই ভীত-সন্তস্ত্র হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নজরে ঘটনাটি আনার জন্য শনিবার সকালে কালীঘাটে এই মর্মে একটি অভিযোগ জমা পড়ে বলে জানা যায় বিশেষ নির্ভরযোগ্য সূত্রের খবর অনুযায়ী | ফলে আবার প্রশ্ন উঠতে শুরু করলো সিপিএম আশ্রিত গুণ্ডারা আরাবুল-কাইজারের ভাঙ্গড়ে আশ্রয় পাচ্ছে কিভাবে? তাহলে কি তৃনমূলের মধ্যে থেকেই কেউ সিপিএমকে মদত দিচ্ছে ?
যদিও দলীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী এই ব্যাপারটাকে বিশেষ ভাবে খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে । পাশাপাশি ভাঙ্গড়ের বিধায়ক তথা মন্ত্রী রাজ্জাক মোল্লাকে এব্যপারে তলব করা হবে বলে জানা গেছে।


No comments:
Post a Comment