ফের ভিনরাজ্যে শ্রমিকের মৃত্যু। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের বেড়ুগ্রামের মোল্লাপাড়ার যুবক বজরুল মল্লিক মাস ছয়েক আগে রাজমিস্ত্রীর জোগাড়ের কাজ করতে যায় তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের তিরুধুনাগারে।মাসে বেতন ছিল বারো হাজার টাকা। বুধবার বিকালে বজরুলের বাড়িতে ফোন আসে। বলা হয় বজরুল ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছে। তারপর আর ঠিক মত পরিবারের লোক যোগাযোগ করতে পারছেন না। যে দুই বন্ধুর সঙ্গে বজরুল কাজে গিয়েছিল তাদের সঙ্গেও ঠিক মত যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। পরিবার ও প্রতিবেশীদের অভিযোগ স্থানীয় খণ্ডঘোষ থানাও কোন সহযোগিতা করছে না। মোটা মাইনের লোভে ভিন রাজ্যে কাজেও গিয়ে ছমাস কাজ করেও ঠিক মত বেতন পায় নি বজরুল সহ তার বন্ধুরা। সেই জন্য মাস খানেক আগে বজরুলের দাদু মারা গেলেও বাড়ি ফিরতে পারে নি সে। বুধবার সকালে বাবা আমিন মল্লিককে ছোট ছেলে বজরুল ফোনে জানায় ট্রেনের টিকিট কাটা হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকালে ট্রেনে চাপবে। কিন্তু বিকালে ফোনে আসে বজরুলের মৃত্যুর খবর। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে বজরুল ছিল সবার থেকে ছোট।পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্যই বজরুলের ভিন রাজ্যে যাওয়া। টাকা তো দৃরের কথা এখন কি করে মৃত বজরুলের দেহ ফিরবে বাড়িতে তাই নিয়ে চিন্তিত গোটা পরিবার ও গোটা গ্রাম। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে গ্রামের বাসিন্দারা। কিন্তু অভিযোগ পাশে বা সাহায্যের হাত বাড়ায় নি থানা বা বিধায়ক নবীন বাগ। সদ্য সন্তান হারানো মায়ের অভিযোগ তার ছেলেকে খুন করা হয়েছে। তবুও পরিবারের ভরসা রাজ্য সরকার। নিশ্চয় সরকার মৃতদেহ ফেরানোর ব্যবস্থা করবে। দোষীরা শাস্তি পাবে। ভরসা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উপর।
ফের ভিনরাজ্যে শ্রমিকের মৃত্যু। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের বেড়ুগ্রামের মোল্লাপাড়ার যুবক বজরুল মল্লিক মাস ছয়েক আগে রাজমিস্ত্রীর জোগাড়ের কাজ করতে যায় তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের তিরুধুনাগারে।মাসে বেতন ছিল বারো হাজার টাকা। বুধবার বিকালে বজরুলের বাড়িতে ফোন আসে। বলা হয় বজরুল ছাদ থেকে পড়ে মারা গেছে। তারপর আর ঠিক মত পরিবারের লোক যোগাযোগ করতে পারছেন না। যে দুই বন্ধুর সঙ্গে বজরুল কাজে গিয়েছিল তাদের সঙ্গেও ঠিক মত যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। পরিবার ও প্রতিবেশীদের অভিযোগ স্থানীয় খণ্ডঘোষ থানাও কোন সহযোগিতা করছে না। মোটা মাইনের লোভে ভিন রাজ্যে কাজেও গিয়ে ছমাস কাজ করেও ঠিক মত বেতন পায় নি বজরুল সহ তার বন্ধুরা। সেই জন্য মাস খানেক আগে বজরুলের দাদু মারা গেলেও বাড়ি ফিরতে পারে নি সে। বুধবার সকালে বাবা আমিন মল্লিককে ছোট ছেলে বজরুল ফোনে জানায় ট্রেনের টিকিট কাটা হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকালে ট্রেনে চাপবে। কিন্তু বিকালে ফোনে আসে বজরুলের মৃত্যুর খবর। পাঁচ ভাই বোনের মধ্যে বজরুল ছিল সবার থেকে ছোট।পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্যই বজরুলের ভিন রাজ্যে যাওয়া। টাকা তো দৃরের কথা এখন কি করে মৃত বজরুলের দেহ ফিরবে বাড়িতে তাই নিয়ে চিন্তিত গোটা পরিবার ও গোটা গ্রাম। অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে গ্রামের বাসিন্দারা। কিন্তু অভিযোগ পাশে বা সাহায্যের হাত বাড়ায় নি থানা বা বিধায়ক নবীন বাগ। সদ্য সন্তান হারানো মায়ের অভিযোগ তার ছেলেকে খুন করা হয়েছে। তবুও পরিবারের ভরসা রাজ্য সরকার। নিশ্চয় সরকার মৃতদেহ ফেরানোর ব্যবস্থা করবে। দোষীরা শাস্তি পাবে। ভরসা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর উপর।

No comments:
Post a Comment