জলে ডুবে মৃত্যু হল এক পিএচইডি স্কলারের। নাম সৌম্যজিৎ সাহা। বাড়ি মানকুণ্ডুর স্টেশন রোড এলাকায়। তিনি থাকতেন মুম্বইতে। সেখানে টাটা ইন্সটিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে গবেষণা করতেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল তিন বন্ধুর সঙ্গে বাইক নিয়ে ওয়াই ড্যাম বেড়াতে যান সৌম্যজিৎ। বাকি বন্ধুদের নাম অবনীশ শ্রীবাস্তব, সমীর মিশ্র এবং শ্রীকান্ত মূর্তি। সেখানে ধূম লেকে স্নান করতে নামেন সকলে। পরে সৌম্যজিতের বন্ধুরা জানান যে জলে তলিয়ে গেছে সৌম্যজিৎ। শুধু তাই নয়, তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে ডুবে গেছে অবনীশও।
বিষয়টি জানতে পরে তল্লাশিতে নামেন স্থানীয় থানার পুলিশকর্মীরা। আজ সকালে তাঁরা সৌম্যজিতের মৃতদেহ উদ্ধার করেন। যদিও অবনীশ তলিয়ে গেছে না উঠে আসতে পেরেছেন তা জানা যায়নি। গতরাতেই তলিয়ে যাওয়ার খবর আসে সৌম্যজিতের মানকুণ্ডুর বাড়িতে। এরপর আজ সকালে মুম্বই পৌঁছান তাঁর বাবা ও মা হরিপ্রসাদ সাহা ও মা নিবেদিতাদেবী। সৌম্যজিৎকে খুন করা হয়েছে না এটা নিছকই একটি দুর্ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গতকাল তিন বন্ধুর সঙ্গে বাইক নিয়ে ওয়াই ড্যাম বেড়াতে যান সৌম্যজিৎ। বাকি বন্ধুদের নাম অবনীশ শ্রীবাস্তব, সমীর মিশ্র এবং শ্রীকান্ত মূর্তি। সেখানে ধূম লেকে স্নান করতে নামেন সকলে। পরে সৌম্যজিতের বন্ধুরা জানান যে জলে তলিয়ে গেছে সৌম্যজিৎ। শুধু তাই নয়, তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে ডুবে গেছে অবনীশও।
বিষয়টি জানতে পরে তল্লাশিতে নামেন স্থানীয় থানার পুলিশকর্মীরা। আজ সকালে তাঁরা সৌম্যজিতের মৃতদেহ উদ্ধার করেন। যদিও অবনীশ তলিয়ে গেছে না উঠে আসতে পেরেছেন তা জানা যায়নি। গতরাতেই তলিয়ে যাওয়ার খবর আসে সৌম্যজিতের মানকুণ্ডুর বাড়িতে। এরপর আজ সকালে মুম্বই পৌঁছান তাঁর বাবা ও মা হরিপ্রসাদ সাহা ও মা নিবেদিতাদেবী। সৌম্যজিৎকে খুন করা হয়েছে না এটা নিছকই একটি দুর্ঘটনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে।

No comments:
Post a Comment