স্থানীয় এক মহিলাকে বিয়ে এবং চাকরির টোপ দিয়ে দিনের পর দিন সহবাস করে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের দায়ে তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট । অভিযুক্ত উত্তর দিনাজপুরে চোপড়ার তৃণমূল বিধায়কের নাম হামিদুর রহমান ।
মামলার বয়ান অনুযায়ী ২০০৫ সালে উত্তর দিনাজপুরে চোপড়ায় স্থানীয় এক মহিলাকে চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দিনের পর দিন সহবাস করেন উত্তর দিনাজপুরে চোপড়ার বিধায়ক হামিদুর রহমান । পরে নিজের সন্মান রক্ষার জন্য দীর্ঘদিন ইসলামপুর পুলিশের কাছে বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে গেলে থানায় দুর্ব্যবহার করে এবং অভিযোগ নিতে অস্বীকার পুলিশ । ২০১১ সালে হামিদুর রহমান তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক হয়ে কলকাতায় আনেন। কিন্তু বিয়ে করেননি । জেলায় ফিরে গিয়ে ওই মহিলা ৯ই সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে বিধায়কের বিরূদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন । কিন্তু পুলিশ সঠিক তদন্ত না করায় ২০১৫ সালে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহিলা । বিচারপতি দীপংকর দত্ত উত্তর দিনাজপুরে পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব করেন । ২৩ শে ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে এসপি রিপোর্ট দিয়ে বলেন ওই মহিলার অভিযোগ ভিত্তিহীন । ২রা মে ২০১৬ সালে তৎকালীন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লূর ডিভিশন বেঞ্চে সুবিচার চেয়ে আবেদন করেন । সেই মামলায় ইসলামপুর এসিজে এম কে নির্দেশ দেন অবিলম্বে মামলা রুজু করার । যদিও এই মহিলার পক্ষে কোন আইনজীবী ইসলামপুর আদালতে মামলা লড়তে চান নি । এসপি উত্তর দিনাজপুর নিম্ন আদালতে রিপোর্ট দিয়ে জানান তাদের পক্ষে এই তদন্ত সম্ভব নয় । তাই সাআইডিকে দিয়ে তদন্ত করা হোক । ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৭ সালে মহিলা ফের পুলিশ নিস্ক্রিয়তার আভিযোগে হাইকোর্টে মামলা করেন । বুধবার ছিল মামলার শুনানি ।মামলাকারীর আইনজীবী অঞ্জন ভট্টাচার্য্য আদালতে জানান এসপি নিজে বলছেন তাদের পক্ষে তদন্ত সম্ভব নয় । তাহলে বিধায়ক কতখানি প্রভাবশালী তা সহজেই অনুমান করা যায় । এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাক অবিলম্বে এই মামলার সমস্ত নথি সিআইডির হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন ।
মামলার বয়ান অনুযায়ী ২০০৫ সালে উত্তর দিনাজপুরে চোপড়ায় স্থানীয় এক মহিলাকে চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দিনের পর দিন সহবাস করেন উত্তর দিনাজপুরে চোপড়ার বিধায়ক হামিদুর রহমান । পরে নিজের সন্মান রক্ষার জন্য দীর্ঘদিন ইসলামপুর পুলিশের কাছে বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে গেলে থানায় দুর্ব্যবহার করে এবং অভিযোগ নিতে অস্বীকার পুলিশ । ২০১১ সালে হামিদুর রহমান তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক হয়ে কলকাতায় আনেন। কিন্তু বিয়ে করেননি । জেলায় ফিরে গিয়ে ওই মহিলা ৯ই সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে বিধায়কের বিরূদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন । কিন্তু পুলিশ সঠিক তদন্ত না করায় ২০১৫ সালে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহিলা । বিচারপতি দীপংকর দত্ত উত্তর দিনাজপুরে পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব করেন । ২৩ শে ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে এসপি রিপোর্ট দিয়ে বলেন ওই মহিলার অভিযোগ ভিত্তিহীন । ২রা মে ২০১৬ সালে তৎকালীন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লূর ডিভিশন বেঞ্চে সুবিচার চেয়ে আবেদন করেন । সেই মামলায় ইসলামপুর এসিজে এম কে নির্দেশ দেন অবিলম্বে মামলা রুজু করার । যদিও এই মহিলার পক্ষে কোন আইনজীবী ইসলামপুর আদালতে মামলা লড়তে চান নি । এসপি উত্তর দিনাজপুর নিম্ন আদালতে রিপোর্ট দিয়ে জানান তাদের পক্ষে এই তদন্ত সম্ভব নয় । তাই সাআইডিকে দিয়ে তদন্ত করা হোক । ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৭ সালে মহিলা ফের পুলিশ নিস্ক্রিয়তার আভিযোগে হাইকোর্টে মামলা করেন । বুধবার ছিল মামলার শুনানি ।মামলাকারীর আইনজীবী অঞ্জন ভট্টাচার্য্য আদালতে জানান এসপি নিজে বলছেন তাদের পক্ষে তদন্ত সম্ভব নয় । তাহলে বিধায়ক কতখানি প্রভাবশালী তা সহজেই অনুমান করা যায় । এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাক অবিলম্বে এই মামলার সমস্ত নথি সিআইডির হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন ।

No comments:
Post a Comment