সহবাসের অভিযোগে তৃণমূল বিধায়কের বিরূদ্ধে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, 7 February 2018

সহবাসের অভিযোগে তৃণমূল বিধায়কের বিরূদ্ধে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ

স্থানীয় এক মহিলাকে বিয়ে এবং চাকরির টোপ দিয়ে দিনের পর দিন সহবাস করে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের দায়ে তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট । অভিযুক্ত উত্তর দিনাজপুরে চোপড়ার তৃণমূল বিধায়কের নাম হামিদুর রহমান ।
মামলার বয়ান অনুযায়ী ২০০৫ সালে উত্তর দিনাজপুরে চোপড়ায় স্থানীয় এক মহিলাকে চাকরি ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দিনের পর দিন সহবাস করেন  উত্তর দিনাজপুরে চোপড়ার বিধায়ক হামিদুর রহমান । পরে নিজের সন্মান রক্ষার জন্য দীর্ঘদিন ইসলামপুর পুলিশের কাছে  বিধায়কের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে গেলে থানায় দুর্ব্যবহার করে এবং অভিযোগ নিতে অস্বীকার পুলিশ । ২০১১ সালে হামিদুর রহমান তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক হয়ে কলকাতায় আনেন। কিন্তু বিয়ে করেননি । জেলায় ফিরে গিয়ে ওই মহিলা ৯ই সেপ্টেম্বর ২০১৪ সালে বিধায়কের বিরূদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন । কিন্তু পুলিশ সঠিক তদন্ত না করায় ২০১৫ সালে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মহিলা । বিচারপতি দীপংকর দত্ত উত্তর দিনাজপুরে পুলিশ সুপারের রিপোর্ট তলব করেন । ২৩ শে ফেব্রুয়ারি ২০১৬ সালে এসপি রিপোর্ট দিয়ে বলেন ওই মহিলার অভিযোগ ভিত্তিহীন । ২রা মে ২০১৬ সালে তৎকালীন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি মঞ্জুলা চেল্লূর ডিভিশন বেঞ্চে সুবিচার চেয়ে আবেদন করেন । সেই মামলায় ইসলামপুর এসিজে এম কে নির্দেশ দেন অবিলম্বে মামলা রুজু করার । যদিও এই মহিলার পক্ষে কোন আইনজীবী ইসলামপুর আদালতে মামলা লড়তে চান নি । এসপি উত্তর দিনাজপুর নিম্ন আদালতে রিপোর্ট দিয়ে জানান তাদের পক্ষে এই তদন্ত সম্ভব নয় । তাই সাআইডিকে দিয়ে তদন্ত করা হোক । ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৭ সালে মহিলা ফের পুলিশ নিস্ক্রিয়তার আভিযোগে হাইকোর্টে মামলা করেন । বুধবার ছিল মামলার শুনানি ।মামলাকারীর আইনজীবী অঞ্জন ভট্টাচার্য্য আদালতে জানান এসপি নিজে বলছেন তাদের পক্ষে তদন্ত সম্ভব নয় । তাহলে বিধায়ক কতখানি প্রভাবশালী তা সহজেই অনুমান করা যায় ।  এদিন বিচারপতি দেবাংশু বসাক অবিলম্বে এই মামলার সমস্ত নথি সিআইডির হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad