নিজস্ব প্রতিনিধি: মুকুল রায়ই নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে মন্ত্রীত্ব পাইয়ি দিয়েছেন আর আজ তারাই বলছেন মুকুল রায় নাকি বিজেপির সাইড রোল। কিন্ত এই মুকুল বাবুই তৃণমূলের সন্তানরা হওয়ার সময় তাদের নাভি কেটেছিল।বিজেপির এক জনসভায় এসে এমনভাবেই তৃণমূলকে আক্রমণ করলেন বিজেপি রাজ্য নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রবিবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেদের সসম্মানে বিজেপিতে যোগদান করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর দাবী, বিজেপি দলকে তৃণমূলরা সাম্প্রদায়িক বলে ছড়ায় যদি সত্যিই বিজেপি দল সাম্প্রদায়িক হত তাহলে তাঁর হাতে, গলায় খজা বাবার তাগা তিনি সব সময় পড়ে থাকতে পারতেন না। এমনকি জয় এদিন সভা থেকে তাঁর তাগাটি উচিয়ে জনগণকে দেখান। তৃণমূলরা তাঁকে যখন ভয় দেখায়, হুমকি দেয় তখন জয় সংখ্যালঘুদের এই অস্তিত্বকেই দেখিয়ে বলেন কেউ তাঁর কিছু করতে পারবে না। এবং বলেন, তিনি ইসলাম ধর্মকে শ্রদ্ধা করেন, ভালোবাসেন। কিন্ত তা বলে এই ধর্মকে নিয়ে খেলা করতে পারবেন না তিনি। তাঁর গাড়ির চালক থেকে শুরু করে ফটোগ্রাফার সকলেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ এমনকি তিনি যেখানে জন্মেছেন এবং থাকেন সেই জায়গাও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে ভরা। ঘুম ভাঙে ভোরের আজান শুনে। কিন্ত শাসকদলের নেত্রী তা নিয়ে যে মিথ্যে মাতামাতি করেন তা তিনি করেন না।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, গরীবের ভালো দিন আসবে। তবে সত্যি কি ভালো দিন এত দিনে এসেছে? তার একটি ছোট্ট উদাহরণ দিয়ে বলেন, তাঁরই এলাকায় তৃণমূলের একজন কাউন্সিলার প্রথমে এমএলএ হলেন, তখন তাঁর পরিবার নিউ মার্কেট থেকে মার্কেটিং করতেন, তারপর তিনি মন্ত্রীত্বের পদ পেলেন এখন তাঁর পরিবার সিডনি, ব্যাংকক থেকে মার্কেটিং করেন। তাহলে কার সুদিন আসল? প্রশ্ন করলেন সাধারণ জনগণের কাছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন এক, করেন আর এক। তাঁর যে কথার কোনো দাম নেই তা স্পষ্ট হল জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে।

No comments:
Post a Comment