মৃন্ময় নস্কর,সোনারপুর: সোনারপুর কান্ডে অভিযুক্ত ৩ জনকে বৃহস্পতিবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে তুললো সোনারপুর থানার পুলিশ। বিচারক তাদের মধ্যে দুজনকে ৩ দিনের পুলিস হেপাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আর একজনকে পাঠিয়েছেন হোমে। সেখান থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি জুভেনাইল আদালতে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে উৎপল গায়েন এবং অর্ঘ দাসকে পুলিশ হেপাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। একাদশের পড়ুয়া তমোজিত মিত্র ওরফে তুয়াকে বিচারক জুভেনাইল আদালতে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে এই ৩ জনকেই মুখে ঢেকে নিয়ে আসা হয়েছে। অভিযুক্তদের পক্ষের আইনজীবি ছাত্রী গন ধর্ষিত হন নি বলে দাবি করেন। দীর্ঘক্ষন পরে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। বিচারক নির্দেশ দেন আরোও তদন্তের স্বার্থে দুজনকে পুলিস হেপাজতে রাখার। পুলিস ধৃতদের বিরুদ্ধে মোট ৬ টা ধারায় মামলা করেছে। তাছাড়া পকসো আইনেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এদিন ধৃত ৩ জনেরই চলাফেরার মধ্যে ছিল অনুতাপের চিহ্ন। তবে পুলিশ আধিকারিকরা তাদের জেরা করে সেদিন ঠিক কি ঘটেছিল, তা আরোও ভালভাবে জানতে চায়। ছাত্রীর মা জানান, ছাত্রী এখনো আচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে। তার ঠিকমতো জ্ঞান ফেরে নি। গত মঙ্গলবার রাতে প্রেমিকের ডাকে সাড়া দিয়ে তার সঙ্গে রাজপুরের রথতলায় এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে প্রেমিক সহ তার বন্ধুদের হাতে গনধর্ষনের শিকার হতে হয়েছে দ্বাদশের এক ছাত্রীকে বলে অভিযোগ। পরের দিন সোনারপুর থানায় ৩ জনের বিরুদ্ধে নির্যাতিতা ছাত্রীর মা গনধর্ষন, খুনের চেষ্টা সহ একাধিক অভিযোগ করেন।
মৃন্ময় নস্কর,সোনারপুর: সোনারপুর কান্ডে অভিযুক্ত ৩ জনকে বৃহস্পতিবার বারুইপুর মহকুমা আদালতে তুললো সোনারপুর থানার পুলিশ। বিচারক তাদের মধ্যে দুজনকে ৩ দিনের পুলিস হেপাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। আর একজনকে পাঠিয়েছেন হোমে। সেখান থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারি জুভেনাইল আদালতে তোলার নির্দেশ দিয়েছেন। অভিযুক্তদের মধ্যে উৎপল গায়েন এবং অর্ঘ দাসকে পুলিশ হেপাজতে রাখার নির্দেশ দেন বিচারক। একাদশের পড়ুয়া তমোজিত মিত্র ওরফে তুয়াকে বিচারক জুভেনাইল আদালতে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতে এই ৩ জনকেই মুখে ঢেকে নিয়ে আসা হয়েছে। অভিযুক্তদের পক্ষের আইনজীবি ছাত্রী গন ধর্ষিত হন নি বলে দাবি করেন। দীর্ঘক্ষন পরে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। বিচারক নির্দেশ দেন আরোও তদন্তের স্বার্থে দুজনকে পুলিস হেপাজতে রাখার। পুলিস ধৃতদের বিরুদ্ধে মোট ৬ টা ধারায় মামলা করেছে। তাছাড়া পকসো আইনেও তাদের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এদিন ধৃত ৩ জনেরই চলাফেরার মধ্যে ছিল অনুতাপের চিহ্ন। তবে পুলিশ আধিকারিকরা তাদের জেরা করে সেদিন ঠিক কি ঘটেছিল, তা আরোও ভালভাবে জানতে চায়। ছাত্রীর মা জানান, ছাত্রী এখনো আচ্ছন্ন হয়ে রয়েছে। তার ঠিকমতো জ্ঞান ফেরে নি। গত মঙ্গলবার রাতে প্রেমিকের ডাকে সাড়া দিয়ে তার সঙ্গে রাজপুরের রথতলায় এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে প্রেমিক সহ তার বন্ধুদের হাতে গনধর্ষনের শিকার হতে হয়েছে দ্বাদশের এক ছাত্রীকে বলে অভিযোগ। পরের দিন সোনারপুর থানায় ৩ জনের বিরুদ্ধে নির্যাতিতা ছাত্রীর মা গনধর্ষন, খুনের চেষ্টা সহ একাধিক অভিযোগ করেন।

No comments:
Post a Comment