পোলট্রি ফার্ম থেকে মৃত মুরগি সংগ্রহ করে তা কেটে বরফ দিয়ে সংরক্ষণ করে রাতের অন্ধকারে পৌঁছে যাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন হোটেলে। বেশ কয়েকদিন ধরে বাদুড়িয়ার কিছু মানুষ এ নিয়ে চুটিয়ে ব্যাবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন। এর প্রতিবাদে এলাকাবাসীর তরফ থেকে ওই অঞ্চলে থানা, বিডিও অফিস ,পুরসভায় মরা মুরগির মাংস বিক্রি বন্ধের দাবিতে পোস্টার মারা হয় এবং সঙ্গে চলে বিক্ষোভ । পাশাপাশি বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এই সংক্রান্ত ইস্যু নিয়ে সরব হয় । বিভিন্ন মহল থেকে চাপ আসার ফলে নড়ে চড়ে বসে প্রশাসন । শুক্রবার দুপুরে বাদুড়িয়া থানার পুলিশ বাদুড়িয়ার জগন্নাথপুর পঞ্চায়েতের আরশুল্লা গ্রামে অভিযান চালিয়ে আটক করল মৃত মুরগি , বরফে সংরক্ষিত কাটা মাংস ও দুটি গাড়ি । কিন্তু মরা মুরগির ব্যবসায়ীদের পুলিশ ধরতে পারেনি । স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে , পুলিশি অভিযানের আগাম খবর পেয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায় মনিরূল মন্ডল ওরফে রাজু ও তার সঙ্গীসাথীরা ।
শুধু বাদুড়িয়াই নয়। মরা মুরগীর কারবারের জাল ছড়িয়েছে বসিরহাট লাগোয়া একাধিক গ্রামে। শনিবার নতুন বাজারের এক মুরগী ব্যবসায়ী জানান, ইছামতী নদীর ওপাড়ে সংগ্রামপুর, কাটিয়াহাট এবং দন্ডিরহাট-আমতলা লাগোয়া গ্রাম থেকেও এই মরা মুরগীর আমদানী হয়। রাতের অন্ধকারে তা চলে যাচ্ছে কোলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ।
তবে এবিসয়ে প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে জানান হয় আমাদের কাছে এমন কোনও তথ্য নেই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।
এখনও পর্যন্ত কোন বড় ঘটনা না ঘটলেও সব ক্ষেত্রেই সংরক্ষণের ফলে যে ফরমালডিহাইড গ্যাসের উৎপাদন হয় তা মানব দেহে ক্যান্সার জাতীয় রোখ সৃষ্টি করে। বিশেষজ্ঞদের মতে শুধু ক্যান্সার নয় এই ফরমালডিইডের উপস্থিতিতে মানব দেহে শ্বাস কষ্ট, চোখে কমদেখা, চোখ দিয়ে জল পরা, চামড়া জ্বালা এমনকি পাকস্থলীর ক্ষতি পর্যন্ত হতে পারে।

No comments:
Post a Comment