মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিন ২৪ পরগনা: প্রশাসনের সহযোগীতায় বিয়ে বন্ধ হল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর । মন্দিরবাজার থানার পুলিশ ও ঘাটেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের যৌথ্য উদ্দ্যোগে বাল্য বিবাহ বন্ধের উদ্দ্যোগ। বন্ধ করার পর বিকে বিদ্যামন্দিরে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন প্রশাসন । দুই পরিবারকে বুঝিয়ে প্রাপ্ত বয়সের অপেক্ষা করার নির্দেশ প্রশাসনের । দক্ষিন ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার থানার ঘাটেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণ রামপুরের গ্রামের ঘটনা। হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সঙ্গিতা নস্কর । সঙ্গিতা নিতাই নস্করের তিন মেয়ের মধ্য বড় সে। দারিদ্রতার মধ্য দিয়ে বিকেবিদ্যামন্দির থেকে মাধ্যমিকে বসে সে। চলতি বছরে ঠিক হয় ঘুটিয়া সরিফের শ্রীকান্ত মন্ডলের সঙ্গে তার বিয়ে হবে । সেই মতো আত্মিয় পরিজন গ্রাম উজার করে গরীব ক্ষমতায় বিয়ে আসর বসে কৃষ্ণরামপুরের নস্কর পাড়ায় । বুধবার সকাল থেকে শুরু বিয়ের তরজর । সানায়ের সুরে যখন বিয়ে বাড়ি আসর জমে উঠেছে । সেই সময় হাজির মন্দিরবাজার থানার পুলিশ ও ব্লক প্রশাসন । নির্দেশ গেল বন্ধ করতে হবে বিয়ে । রান্না বান্না ততক্ষনে বসে গিয়েছে নস্কর বাড়িত । গায়ে হলুদ উঠেগিয়েছে। অপেক্ষায় বরন ডালা সাজাতে ব্যস্ত কনের বাড়িতে । হঠাতি নিস্তব্ধ নস্কর পাড়ায় । বন্ধ সানায়ের সুর । কৃষ্ণরামপুর গ্রামে সঙ্গিতার বড় হয়ে ওঠা । বয়স ১৭।সেই মতে এখনো সাবালিকা হতে প্রায় ১ বছর বাকি সঙ্গিতার । বাবা দিনমজুর হওয়াই বিয়েতে রাজি হয় সে দাবি পরিবারের । দরিদ্র পরিবারে এমন ভাবে বিয়ে বন্ধ হওয়াই মাথায় আকাশ ভেঙে পরে নস্কর ও মন্ডল পরিবারে । খবর দেওয়া হয় ঘুটিয়া শরিফের ছেলের বাড়িতে । হাজির হন ছেলের বাবা শঙ্কর মন্ডল । পরে পুলিশের সহযোগে ঘাটেশ্বর বিজয় কৃষ্ণ বিদ্যামন্দিরে পরীক্ষা বসে সঙ্গিতা। পরিবারের দাবি প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ে বন্ধ মানলেও । হঠকারিতা সিদ্ধান্ত মানতে না রাজ । যদিও ছেলের বাড়ির তরফে প্রাপ্ত বয়স হলে মেনে নেবেন । আগামী দিন গ্রামে বাল্য বিবাহ না দেওয়ার আর্জি মেয়ের পরিবারের । বিয়ে বন্ধ সাধু বাদ জানিয়েছেন ঘাটেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রাধান বরেন্দ্রনাথ হালদার । আগামী দিন সচেতনতা সিবির করার আর্জি তার ।
মৃন্ময় নস্কর, দক্ষিন ২৪ পরগনা: প্রশাসনের সহযোগীতায় বিয়ে বন্ধ হল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর । মন্দিরবাজার থানার পুলিশ ও ঘাটেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের যৌথ্য উদ্দ্যোগে বাল্য বিবাহ বন্ধের উদ্দ্যোগ। বন্ধ করার পর বিকে বিদ্যামন্দিরে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন প্রশাসন । দুই পরিবারকে বুঝিয়ে প্রাপ্ত বয়সের অপেক্ষা করার নির্দেশ প্রশাসনের । দক্ষিন ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার থানার ঘাটেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষ্ণ রামপুরের গ্রামের ঘটনা। হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সঙ্গিতা নস্কর । সঙ্গিতা নিতাই নস্করের তিন মেয়ের মধ্য বড় সে। দারিদ্রতার মধ্য দিয়ে বিকেবিদ্যামন্দির থেকে মাধ্যমিকে বসে সে। চলতি বছরে ঠিক হয় ঘুটিয়া সরিফের শ্রীকান্ত মন্ডলের সঙ্গে তার বিয়ে হবে । সেই মতো আত্মিয় পরিজন গ্রাম উজার করে গরীব ক্ষমতায় বিয়ে আসর বসে কৃষ্ণরামপুরের নস্কর পাড়ায় । বুধবার সকাল থেকে শুরু বিয়ের তরজর । সানায়ের সুরে যখন বিয়ে বাড়ি আসর জমে উঠেছে । সেই সময় হাজির মন্দিরবাজার থানার পুলিশ ও ব্লক প্রশাসন । নির্দেশ গেল বন্ধ করতে হবে বিয়ে । রান্না বান্না ততক্ষনে বসে গিয়েছে নস্কর বাড়িত । গায়ে হলুদ উঠেগিয়েছে। অপেক্ষায় বরন ডালা সাজাতে ব্যস্ত কনের বাড়িতে । হঠাতি নিস্তব্ধ নস্কর পাড়ায় । বন্ধ সানায়ের সুর । কৃষ্ণরামপুর গ্রামে সঙ্গিতার বড় হয়ে ওঠা । বয়স ১৭।সেই মতে এখনো সাবালিকা হতে প্রায় ১ বছর বাকি সঙ্গিতার । বাবা দিনমজুর হওয়াই বিয়েতে রাজি হয় সে দাবি পরিবারের । দরিদ্র পরিবারে এমন ভাবে বিয়ে বন্ধ হওয়াই মাথায় আকাশ ভেঙে পরে নস্কর ও মন্ডল পরিবারে । খবর দেওয়া হয় ঘুটিয়া শরিফের ছেলের বাড়িতে । হাজির হন ছেলের বাবা শঙ্কর মন্ডল । পরে পুলিশের সহযোগে ঘাটেশ্বর বিজয় কৃষ্ণ বিদ্যামন্দিরে পরীক্ষা বসে সঙ্গিতা। পরিবারের দাবি প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বিয়ে বন্ধ মানলেও । হঠকারিতা সিদ্ধান্ত মানতে না রাজ । যদিও ছেলের বাড়ির তরফে প্রাপ্ত বয়স হলে মেনে নেবেন । আগামী দিন গ্রামে বাল্য বিবাহ না দেওয়ার আর্জি মেয়ের পরিবারের । বিয়ে বন্ধ সাধু বাদ জানিয়েছেন ঘাটেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রাধান বরেন্দ্রনাথ হালদার । আগামী দিন সচেতনতা সিবির করার আর্জি তার ।

No comments:
Post a Comment