গৌরব দেবনাথ, হাবড়া: মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী মেয়ে এবং স্ত্রীকে খুন করে বাবার আত্মহত্যার চেষ্টা। এলাকায় চাঞ্চল্য। ঘটনাটি হাবড়া থানার মছলন্দপুর সাদপুর বিশেরহাটি এলাকার। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে পূজা দেবনাথ মছলন্দপুর ভূদেব স্মৃতি বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী এবছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। শনিবারও পরীক্ষা দিতে গিয়েছিল পূজা। কিন্তু বিকেলের পর থেকে আর খোজ পাওয়া যায় নি পুজা এবং মা মিঠু দেবনাথের। রবিবার সারাদিন তাদের কোন খোঁজ পাওয়া যাওয়ায় সোমবার পরীক্ষা দিতে না গেলে পূজার বান্ধবীরা তার বাবাকে জিজ্ঞাসা করে পূজার কথা। বাবা শেখর দেবনাথের কথায় কিছুটা অসঙ্গতি খুঁজে পায় তারা। রবিবার ও সোমবার শেখর বাবুর চাল চলন দেখে মনে হচ্ছিল মানসিক ভারসাম্যহীন, জানায় এলাকার লোকজন।
সোমবার বিকেলে প্রতিবেশী লোকজনেরা শেখর দেবনাথকে তার মেয়ে এবং স্ত্রীর কথা জিজ্ঞাসা করতেই দৌড়ে বাড়ির দোতালায় উঠে গিয়ে নিজে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। এলাকার লোকজন ছুটে গিয়ে শেখর দেবনাথ কে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাবড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সে। শেখর বাবুকে উদ্ধার করার পর ঘর থেকে দুর্গন্ধ আসছে দেখে প্রতিবেশীরা ঘরে ঢুকে খাটের তল থেকে মেয়ে ও মায়ের রক্তাক্ত দেহ প্লাসটিক পেচানো দেখতে পায়। সাথে সাথে মছলন্দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে দেহ দুটি উদ্ধার করে হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে। মঙ্গলবার দেহ দুটি ময়নাতদন্ত করার জন্য বারাসাত পাঠানো হবে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে শেখর দেবনাথ বেসরকারী অর্থলগ্নী সংস্থার কাজ করে অনেক টাকা দেনা হয়ে গিয়েছিল তারপর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে গেছিল বলে জানা গেছে। পাওনাদারের হাত থেকে বাঁচার জন্য পরে রেডিমেডের ব্যবসা শুরু করে ছিল শেখরবাবু। কিন্তুু কি কারনে এই খুন এলাকার লোকজন বুঝে উঠতে পারছেনা। কারন কোনদিন সেই ভাবে অশান্তি চোখে পরেনি প্রতিবেশী লোকজনের। ঘটনার দিনও কোন আওয়াজ কানে আসেনি বলে প্রতিবেশীরা জানিয়েছে।
এলাকার লোকজন ও পুলিশের কাছে ঘটনার কথা স্বীকার করেছে শেখর দেবনাথ। তদন্তে হাবড়া থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সোমবার বিকেলে প্রতিবেশী লোকজনেরা শেখর দেবনাথকে তার মেয়ে এবং স্ত্রীর কথা জিজ্ঞাসা করতেই দৌড়ে বাড়ির দোতালায় উঠে গিয়ে নিজে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। এলাকার লোকজন ছুটে গিয়ে শেখর দেবনাথ কে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাবড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সে। শেখর বাবুকে উদ্ধার করার পর ঘর থেকে দুর্গন্ধ আসছে দেখে প্রতিবেশীরা ঘরে ঢুকে খাটের তল থেকে মেয়ে ও মায়ের রক্তাক্ত দেহ প্লাসটিক পেচানো দেখতে পায়। সাথে সাথে মছলন্দপুর পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে দেহ দুটি উদ্ধার করে হাবড়া হাসপাতালে নিয়ে আসে। মঙ্গলবার দেহ দুটি ময়নাতদন্ত করার জন্য বারাসাত পাঠানো হবে।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে শেখর দেবনাথ বেসরকারী অর্থলগ্নী সংস্থার কাজ করে অনেক টাকা দেনা হয়ে গিয়েছিল তারপর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে গেছিল বলে জানা গেছে। পাওনাদারের হাত থেকে বাঁচার জন্য পরে রেডিমেডের ব্যবসা শুরু করে ছিল শেখরবাবু। কিন্তুু কি কারনে এই খুন এলাকার লোকজন বুঝে উঠতে পারছেনা। কারন কোনদিন সেই ভাবে অশান্তি চোখে পরেনি প্রতিবেশী লোকজনের। ঘটনার দিনও কোন আওয়াজ কানে আসেনি বলে প্রতিবেশীরা জানিয়েছে।
এলাকার লোকজন ও পুলিশের কাছে ঘটনার কথা স্বীকার করেছে শেখর দেবনাথ। তদন্তে হাবড়া থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


No comments:
Post a Comment