আলিপুর চিড়িয়াখানায় 'অ্যানাকোন্ডা' - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 26 April 2018

আলিপুর চিড়িয়াখানায় 'অ্যানাকোন্ডা'





   

 আগামী বর্ষায় পর্যটকদের জন্য চমক থাকছে, তা আগেই ঘোষণা করেছিল আলিপুর চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। সেই চমক কী তা খোলসা করল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ। সব কিছু ঠিক থাকলে, রাজ্যে বর্ষা ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই আলিপুর চিড়িয়াখানায় আসতে চলেছে অ্যামাজ়োনিয়ান অতিথি অ্যানাকোন্ডা। একসঙ্গে চার চারটে অ্যানাকোন্ডা আসতে চলেছে, জানিয়েছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।




অ্যানাকোন্ডা বোয়া গোত্রের সাপ। অ্যামাজন জঙ্গলের বাসিন্দা। তবে এই সাপগুলো সরাসরি অ্যামাজন থেকে আসছে না। চিড়িয়াখানার অধিকর্তা আশিসকুমার সামন্ত জানান, চেন্নাইয়ের ক্রোকোডাইল ব্যাঙ্কে অ্যানাকোন্ডার প্রজনন ঘটানো হয়েছিল। সেখান থেকে দু’টি পুরুষ ও দু’টি মেয়ে সাপকে আনা হবে। পরিবর্তে আলিপুর থেকে চারটি কেউটে এবং চারটে শাঁখামুটি সাপ পাঠানো হবে চেন্নাইয়ে।




বর্তমানে আলিপুর চিড়িয়াখানার রেপটাইল হাউজ়ে রয়েছে রেটিকুলেটেড পাইথন, বার্মিজ পাইথনের মতো বড় সাপ। চিড়িয়াখানার অধিকর্তা আশিসকুমার সামন্ত জানাচ্ছেন, “যেহেতু রেপটাইল হাউজ়ে জায়গা কম তাই তার কাছেই আলাদা করে অ্যানাকোন্ডা থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যদিও এই কাজ এখনো শুরু করা হয়নি। তবে জুন মাসের আগেই তা করা হবে।”

অন্যদিকে বিরল প্রজাতিরর চারটি ফিসিং ক্যাট জন্ম নিয়েছে আলিপুর চিড়িয়াখানায়। চিড়িয়াখানার সেফ জোনে রাখা হয়েছে নবজাতকদের। ২০০৮ সালে চিড়িয়াখানায় আনা হয় দু’জোড়া ফিসিং ক্যাট বা মেছো বেড়াল। বিরল প্রজাতির এই ফিসিং ক্যাটগুলো একসঙ্গে থাকলেও, কর্তৃপক্ষ লক্ষ্য করছিল তাদের প্রজনন হচ্ছে না। এত লোকের মাঝখানে ভয় পেয়ে যাচ্ছে তারা। তাই তাদের লোকচক্ষুর আড়ালে রাখা হয়। দু’জোড়া বেড়ালকে আলাদা আলাদা জায়গায় রাখা হয়। জলাশয় বা পার্বত্য অঞ্চল পছন্দ করে বুনো বেড়াল। সেফ জোনে এই ধরনের ব্যবস্থাপনা তৈরি করাতেই সাফল্য এসেছে বলে মত চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের।

ফিসিং ক্যাট
চিড়িয়াখানার তরফে জানানো হয়েছে, মা বেড়াল ৬৬ দিন গর্ভাবস্থায় থাকার পর মোট ৪টে ফিসিং ক্যাটের জন্ম দিয়েছে। শিশু বেড়াল গুলোর বয়স ২২ দিন। এদের এখনই সবার সামনে আনা হবে না। এই ব্যাপারে আশিসবাবু বলেন, “আমরা লক্ষ্য করছিলাম, মানুষের উপস্থিতির কারণে বেড়াল যুগল প্রজনন করছে না। ফলে আমরা এদের আলাদা রাখতে শুরু করি সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাস থেকে। তার ফল পাওয়া যায়। এরা বিরল প্রজাতির। এদের সংখ্যা কমে আসছে।” 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad