চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর: আরও এক রাম রহিম বাবার কীর্তি। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক থানার জানুবসান গ্রামের বিবাহিতা গৃহবধূ আরতি মাইতি বাড়িতে প্রায় দু বৎসর থেকে পুজো করতে আসতো পাশের গ্রাম নোনাকুড়ি গ্রামে গুনিন পুরোহিত নারায়ন চক্রবর্তী। আরতিকে মেয়ে বলে ডাকত। আরতির এক সময় অসুস্থ হয়ে পড়লে গুনিন বাবা রোগ সরানোর নাম করে জরি বাটকারা ওষুধ দিত। আর আরতি কে ভূত ধরেছে বলে বাড়ির মধ্যে হোম যজ্ঞ করতো সিঁদুর আলতা হাড় গোড় চুল কাঠ দিয়ে দিনের পর দিন চলতো। আর ওই ভন্ড বাবা তেল নিয়ে মেয়ে আরতি পা হাত সারা শরীরে তেল মালিশ করতো। এখন আরতি ধীরে ধীরে আরো অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
আর এই সব পুজো হোম যজ্ঞ তেল ভূত তাড়ানোর জন্য দফায় দফায় প্রায় ৩৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছে। আরতি এখন অসুস্থ হয়ে বিকার বকা শুরু করেছেন। ভন্ড গুনিন পুরোহিত পুজোর নাম করে এই রকম অনেক মহিলার শ্লীলতাহানি আর অনেক টাকা ঠকিয়ে আত্মসাৎ ও অনেক পরিবারকে সর্বশান্ত করে ছেড়েছে। বৃহস্পতিবার ওই গুনিনকে বাগে পেয়ে আটকে রেখে তমলুক থানার পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পাশাপাশি থানায় অভিযোগও দায়ের করে। কিন্তু কোন এক অগত্যা কারন এ তমলুক থানার পুলিস ছেড়ে দেয়। ভন্ড গুনিন তমলুক থানা থেকে ছাড়া পেয়ে আরতির পরিবারকে হুমকি দেখায় ফোনে। এলাকার লোক ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ভন্ড গুনিন পুরোহিত এর বাড়িতে ভাংচুর চালায়। ভন্ড গুনিন পলাতক।

No comments:
Post a Comment