পানীয় জলের সংকটে ভুগছে প্রাথমিক বিদ্যালয় - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, 19 April 2018

পানীয় জলের সংকটে ভুগছে প্রাথমিক বিদ্যালয়



সাহেব মজুমদার, পশ্চিম মেদিনীপুর :- নামেই তাল পুকুর কিন্তু ঘটি ডোবে না এই অবস্থা এখন শাঁখাভাঙ্গা গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের, আইসিডিএস কেন্দ্র এবং গ্রাম বাসীদের । গ্রামে রয়েছে দুটি মিনি ডিপটিউবওয়েল একটি সাবমার্শিবল এবং একটি অগভীর নলকূপ । গ্রামে গোটা পঞ্চাশেক পরিবারের জন্য রয়েছে সজলধারা প্রকল্পে পানীয় জল সরবরাহ করার জন্য গোটা কুড়ি ট্যাপ কল । তা সত্ত্বেও গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য পানীয় জলের জন্য ছুটতে হচ্ছে নবগ্রাম কিম্বা ধরমপুরে । শোচনীয় অবস্থা প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং আইসিডিএস কেন্দ্রের ।

এমনই এক দৃশ্য ধরা পড়লো গড়বেতা - ২ নং ( গোয়ালতোড় ) ব্লকের পিংবনী - ২ নং অঞ্চলের শাঁখাভাঙ্গা গ্রামে । এই গ্রামে রয়েছে একটি প্রাথমিক স্কুল এবং একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র । গড়বেতা পশ্চিম চক্রেই এই স্কুলে অগভীর নলকূপ থাকলেও তা প্রায় বছর খানেক অকেজো হয়ে রয়েছে । সরকারী দপ্তরে আবেদন জানানোর পর সাবমার্শিবলের ব্যাবস্থা করা হলেও সেটাও তথৈবচ । এক মিনিট জল দেয় তো দশ মিনিট বন্ধ । পরে গ্রামে বন দপ্তর থেকে এবং একটি পঞ্চায়েত সমিতির পক্ষ থেকে দুটি মিনি ডিপটিউবওয়েলের ব্যবস্থা  করা হয় ।

বাড়িতে বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার জন্য পাইপ লাইনেরও ব্যবস্থা করা হয় । কয়েক দিন চললেও সেটাও অকেজো । ফলে গ্রামে বন্ধ জল সরবরাহ । গ্রামবাসীরা পানীয় জল অন্য গ্রাম থেকে আনলেও স্কুলের রান্না চলছে পাতকুঁয়োর জলেই । পড়ুয়ারা  কুঁয়োর জলই পান করছে   । একই অবস্থা আইসিডিএস এর অবস্থাও । যারা মিড ডে মিলের রান্না করেন তাদের বক্তব্য এই ভাবে দুর থেকে জল বয়ে এনে রান্না করা অসম্ভব । যদি তাড়াতাড়ি জলের ব্যাবস্থা না করা হয় তাহলে রান্না বন্ধ করে দেবো । স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দীপক কারক জানান জলের এই সমস্যার কথা বার বার জানিয়েছি । কিন্তু স্থায়ী সমাধান হয়নি । কিছু দিন ঠিক থাকলেও আবার কিছু দিন পর একই অবস্থা । আমাদের এই বিদ্যালয়ে জনা চল্লিশেক পড়ুয়া রয়েছে । রোজ রান্না হয় । জল না থাকায় খুবই সমস্যায় পড়েছি । পুনরায় বিডিও কে আবেদন জানিয়েছে তারা ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad