চাঁদনী: বাম আমলে কেশপুর নিয়ন্ত্রনের প্রধান কেন্দ্র জামসেদ আলি ভবন আজও তালাবন্দী। নির্বাচনের আগেও যেন উত্তাপ হীন এক কালের দাপুটে সেই পার্টি অফিস। রাজনীতির ময়দানে কেশপুর বরাবরই এক মায়াবী নাম। গুলি, বোমাবাজি, খুন, সন্ত্রাস, লুঠপাট সবই আছে কেশপুরের রাজনীতির ছত্রে । বিরোধী রাজনীতিকে সমূলে উপড়ে ফেলাই কেশপুরের দস্তুর। ঠিক সে কারনে ২০১১ সালে প্রবল পরিবর্তনের হাওয়া নাড়াতে পারেনি এই লাল দুর্গকে। বিধানসভাতে জয়ী হয়েছিল সিপিএম প্রার্থীই। নির্বাচনী রেকর্ডের পাতায় এখনো জ্বলজ্বল করছে বাম আমলে বিধানসভা ভোটে নন্দরানী ডলের প্রায় ১ লক্ষ ৮ হাজার ভোটে জেতার রেকর্ড। কম যায় না তৃণমূলও।
২০১৬ সালে প্রথম বার কেশপুর বিধানসভায় জেতে তৃণমূলের শিউলী সাহা। প্রায় ১ লহ্ম ১ হাজার ভোটে জিতে অল্পের জন্য অহ্মত রেখে দেয় নন্দ রানী ডলের রেকর্ড। বর্তমানে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলা পরিষদ বাদে কেশপুরের প্রায় ৯০ শতাংশ আসনে নেই সিপিএমের প্রার্থী। রাস্তাঘাটে নেই কোন লাল পতাকাও। কেশপুরে এক সময় সিপিএমের যে জামসেদ আলি ভবন থেকে গোটা কেশপুরের শাসন কাজ চলত, সেই দাপুটে পার্টি অফিস আজ তালাবন্দী। পঞ্চায়েত নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি জারির পর দিন দুই খোলা হলেও এখন ফের তালা বন্দী। সিপিএম এর জন্য একদিকে তৃণমূলের সন্ত্রাস, অন্যদিকে পার্টি অফিসের বিদ্যুৎ ও জলের ব্যবস্থা ঠিকঠাক নেই বলে দাবী করেছেন। অন্যদিকে সন্ত্রাসের অভিযোগ উড়িয়ে পালটা বাম আমলে হওয়া সন্ত্রাসের প্রসঙ্গ তুলে বর্তমানে রাজনৈতিক সহযোগিতা করার আশ্বাস দিয়েছে তৃণমূল।

No comments:
Post a Comment