বাংলাদেশ উপ হাইকমিশনের ১৪২৫ পহেলা বৈশাখ! - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, 13 April 2018

বাংলাদেশ উপ হাইকমিশনের ১৪২৫ পহেলা বৈশাখ!



ফারুক আহমেদ: বাংলা নববর্ষ ১৪২৫ কে স্বাগত জানাতে অন্যান্য বছরের মত এবারও আগামী পহেলা বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ (১৪ এপ্রিল ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ) শনিবার, বিকেল ৪ টের সময় বাংলাদেশ উপ হাইকমিশন, কলকাতা কতৃক "মঙ্গল শোভাযাত্রা"র আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ গ্রন্থাগার  ও তথ্যকেন্দ্র, ৩ সোহারওয়ার্দী এভিনিউ, কলকাতা ৭০০০১৭ হতে বাংলাদেশ উপ হাইকমিশন পর্যন্ত এই শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ উপ হাইকমিশন প্রাঙ্গণে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ উপ হাইকমিশনার  তৌফিক হাসান এই অনুষ্ঠানটি সফল করতে  স্বপরিবার ও সবান্ধব আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ উপ হাইকমিশনের উদ্যোগে "সম্প্রীতির বাংলাদেশ" শিরোনামে কলকাতায় আইসিসিআরে সেমিনার দাগ কাটল।
গত শনিবার কলকাতায় একটি বৃহৎ আকারের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা। "সম্প্রীতির বাংলাদেশ" শিরোনামে আইসিসিআর হলে এই সেমিনারের আয়োজন ছিল চোখে দেখার মতো।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী ও কবি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, নায়িকা ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, পবিত্র সরকার সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের সাংসদ অ্যাডভোকেট তারানা হালিম ও  বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশনার, মহাসচিব তথা তৌফিক হাসানও উপস্থিত ছিলেন। সম্মানীয় অতিথিদের মূল্যবান আলোচনা ও বক্তব্য বাংলাদেশের পরিচয় নতুনভাবে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছিলেন।

কলকাতার আইসিসিআর প্রেক্ষাগৃহে আয়োজিত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনাসভার বিষয় ছিল সম্প্রীতির বাংলাদেশ। আয়োজনে ছিল তথ্যমন্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ, বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন, কলকাতা। এই  আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সবুজকলি সেন প্রমুখ। ভারত ও বাংলাদেশের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর আলোকপাত করেন। প্রদর্শিত হয় কয়েকটি মহা মূল্যবান তথ্যচিত্র।

বাংলাদেশ শুধু একটি দেশ নয়, মাতৃভাষা এবং তার সংস্কৃতির প্রতি ভালবাসা ও উৎসর্গীকরণের জন্য বিশ্বের জন্য একটি আদর্শ। যেখানেই বাংলাদেশী নাগরিক থাকবে সেখানে তারা তাদের সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরবে। বিশ্বের সামনে তাদের সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরার প্রয়াস বহু দিন ধরে মানুষকে মুগ্ধ করে আসছে। কলকাতা চিরকাল বাংলাদেশের পাশে মৈত্রীর বার্তা নিয়ে সাংস্কৃতিক আদান প্রদানে এগিয়ে এসেছে। সকলেই জানে কলকাতা ঐতিহাসিকভাবে বাংলা সংস্কৃতির সাথে সংযুক্ত সকল মানুষের জন্য একটি বিশাল ক্যানভাস।
তাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের  স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় কলকাতার কলেজে কলেজে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি বিশেষ কেন্দ্রবিন্দু করেছিলেন এই শহরকে।
উক্ত আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন মো: মোফাখখরুল ইকবাল,প্রথম উপদেষ্টা, বাংলাদেশ উপ হাইকমিশন, কলকাতা।  "সম্প্রীতির বাংলাদেশ" শিরোনামে একটি সেমিনারে এপার বাংলার বহু সাংস্কৃতিক কর্মীবৃন্দ আলোচনা সভায় অংশ নিয়েছিল। বিশেষ করে সাংস্কৃতিক কর্মসূচি সকলকেই মুগ্ধ করেছিল।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad