ঈশ্বরের নিজস্ব দেশ কেরালার,শৈল শহর মুন্নার
পশ্চিমঘাট পর্বতমালার ঢালেএই শহরে ছিল ব্রিটিশ দের যাতায়াত সবুজ পাহাড় আর চা বাগানের ঘেরা টোপে কেউ যেন বন্দী করে রেখেছে সবুজ সুন্দরীকে ।
কোচি থেকে ক্যাব নিয়ে তিনঘন্টার মধ্যেই আপনি পৌঁছে যাবেন মুন্নার,ভাড়া তিন থেকে সাড়ে তিন হাজারের মধ্যে।পথ মধ্যে পাবেন সুদৃশ্য দুটিজলপ্রপাত,স্পাইস গার্ডেন, এলিফ্যান্টরাইড পার্ক । যাত্রাপথের সৌন্দর্য্যআপনার চোখে ফেলবে প্রশান্তির ছায়া।অসংখ্য হোটেল ও রিসর্টে ওওল্ড মুন্নার ও নিউ মুন্নার জমজমাট।তিনদিনের জন্য হোটেল বুক করে ফেলুন, আর স্নায়ুকে করুন চাঙ্গা । হোটেল কতৃপক্ষই ঠিককরে দিতে পারে আপনার ভ্রমনসূচী ।ক্যাব ড্রাইভারের সাথে দরাদরি করে ফেলুন, আশা করা যায় তিন হাজার টাকায় আপনি চাক্ষুষ করতে পারবেনএরাভিকুলাম ন্যাশনাল পার্ক, এখানেইআপনি পাবেন বিরল প্রজাতির প্রানীথর ।তারপরেই যেতে পারেন ফ্লাওয়ারপার্ক,সেখান থেকে বেরিয়ে মনে হবেইরবি ঠাকুরের সেই গানটি "নীল দিগন্তেঐ ফুলের আগুন লাগল" ।
তারপরে চলে যান বিখ্যাত দুটি টিগার্ডেনে।এরপরে লাঞ্চ সেরেই মাট্টুপেট্টিড্যাম ,এখানে আছে বোটিং এরব্যবস্থাও,তার পরেই চলে যান ইকোপার্ক,সব শেষে মুন্নারের হায়েস্ট পিকে,ভৌগলিক ভাবে জায়গাটি কিন্তু আধাতামিলনাড়ু আধা কেরালায়।ভাগ্যসুপ্রসন্ন হলে রাস্তায় দেখা মিলতে পারেঐরাবতের ।
দ্বিতীয় দিনে যেতে ভুলবেননারাজামালা,আর লক হার্ট গেট, যেখানেরোমাঞ্চকর ট্রেকিং এর স্বাদ নিতেভুলবেননা।বিকালে অবশ্যই দেখুনকথাকলি শো,আমার দেশের ঐতিহ্য ।মুন্নার মানেই কফির উল্লাস।বিকেলগড়িয়ে যাক রাতে, কফির পেয়ালায়।তৃতীয় দিন সকাল হোক মুরুগন মন্দিরথেকে ভেসে আসা ভোরাই স্তবে।তারপরে পাহাড়ের পাকদণ্ডী তে করতেপারেন সাইক্লিং । এখানে প্রচুর সাইকেলরেন্টে পাওয়া যায়।সন্ধ্যায় শেষ বেলারধূলো ছড়ানো । কালই সকাল সকালউঠতে হবে যে ,মুন্নারকে বিদায় জানাতেহবে । মন মানেনা তবু মনকেও মানাতেহয়।আবার কোন একদিন,দেখা হবেপাহাড়ী বালিকা;অন্য কোনদিন,সময়েরধুলোর ঝড় থেকে বাঁচতে ।

No comments:
Post a Comment