হাড়োয়া ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির অধিকীংশ আসনে প্রার্থী দিতে ব্যর্থ সিপিএম। সামান্য দু একটি আসনে প্রার্থী দিলেও মনোনয়ন তুলে নিতে হয় তাদের। শুধুমাত্র জেলা পরিষদ ছাড়া আর কোথাও ভোটের ময়দানে খুঁজে পাওয়া যাবে না তাদের। তাও রেহাই নেই। রবিবার সন্ধ্যার পরে মিটিং সেরে ফেরার পথে মাদারতলায় সিপিএম এর দলীয় কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরের সঙ্গে কার্যালয়ের সামনে পাকা শহীদ বেদি ভেঙে দেয় বলে অভিযোগ ওঠে তৃণমুল আশ্রিত দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে।
এমনকি ২০০৬ সালের জানুয়ারি মাসে উদ্বোধন হওয়া হাড়োয়া সেতুর এক পাশে তৈরী তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্যের নামাঙ্কিত ফলকটিও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগ তোলে সিপিএম। সিপিএম এর জোনাল কমিটির সদস্য অধির মল্লিক বলেন, 'শাসক দলের বাধায় আমরা কোথাও ভোটে লড়তে পারছি না। তার উপর রবিবার গোপালপুরে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মিটিং থেকে ফেরার সময় আমাদের পার্টি অফিস, শহীদ বেদি আর সেতুর ফলক ভেঙে দিয়ে যায় তৃণমুলের লোকেরা'। এক সময়ের শক্ত ঘাটি হিসাবে পরিচিত এই হাড়োয়া থেকে সিপিএমকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে এই কাজ করা হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন সিপিএম নেতা। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কুৎসা ছড়ানো হচ্ছে বলে সিপিএম এর বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন তৃণমুলের ব্লক সভাপতি সফিক আহমেদ(মাদার)।

No comments:
Post a Comment