মৃন্ময় নস্করঃ গরম পড়তেই রেফ্রিজারেটার ও এয়ার কনডিশনারের পাশাপাশি চাহিদা বাড়ছে মাটির কলসি, জালা। কলসি মূলত গ্রামাঞ্চলে বিক্রি হয় বেশী তবে শহরাঙঞলে চাহিদা ইদানিং বৃদ্ধি পাচ্ছে বেশী। এই গরমে চল্লিশ ছুঁই ছুঁই কলসির ঠান্ডা জলের স্বাদই আলাদা। অধিকাংশ লোকের মতে ফ্রীজের ঠান্ডা জল হার মানাবে কলসি বা জালার। তাই গ্রামীণ সংস্কৃতির ছায়া এখন শহরাঞ্চলে। সোনারপুর, গড়িয়া, কামালগাজি ও বারুইপুরে প্রত্যহ দেখা মিলছে মাটির পাত্রের বিক্রেতাদের মধ্যে। রাস্তার পাশেই সারি সারি দিয়ে বিক্রি হচ্ছে মাটির কলসি, জালা ও কুঁজো। লোকে কিনছে ও দেদার। বারুইপুরের আটঘরায় তৈরী কলসি ছড়িয়ে পড়ছে শহরতলীর বিভিন্ন মহলে।যদিও এই গরমে কলসির চাহিদাটা বেশ তুঙ্গে। ১০ লিটার এর দাম পড়ছে ১৫০ টাকা শুরু। এখন তো মা, বউয়েরা কলসি থেকে জল গড়িয়ে দেয়না নিজেদের জল গড়িয়ে খেতে হয়। তাই প্রাচীন যুগের কলসির গায়ে আধুনিক যুগের প্লাস্টিক ট্যাপ বা কল লাগালে খদ্যের বৃদ্ধি পায়। লোডশেডিং কলসির ঠান্ডা জল যেমন ভালো লাগে তেমন এর উপকারিতা বেশী। চিকিৎসকের মতে মাটির পাত্রে ঠান্ডা জলে খনিজ পদার্থ ও ইলেকট্রোম্যাকনেটিক এনার্জি থাকে যা গরম কালে খুব প্রয়োজনীয়। মাটির পাত্রে জল খেলে গ্লুকোজের সঠিক পরিমান বজায় থাকে যা আমাদের সান স্ট্রোকের হাত থেকে বাঁচায ।
মৃন্ময় নস্করঃ গরম পড়তেই রেফ্রিজারেটার ও এয়ার কনডিশনারের পাশাপাশি চাহিদা বাড়ছে মাটির কলসি, জালা। কলসি মূলত গ্রামাঞ্চলে বিক্রি হয় বেশী তবে শহরাঙঞলে চাহিদা ইদানিং বৃদ্ধি পাচ্ছে বেশী। এই গরমে চল্লিশ ছুঁই ছুঁই কলসির ঠান্ডা জলের স্বাদই আলাদা। অধিকাংশ লোকের মতে ফ্রীজের ঠান্ডা জল হার মানাবে কলসি বা জালার। তাই গ্রামীণ সংস্কৃতির ছায়া এখন শহরাঞ্চলে। সোনারপুর, গড়িয়া, কামালগাজি ও বারুইপুরে প্রত্যহ দেখা মিলছে মাটির পাত্রের বিক্রেতাদের মধ্যে। রাস্তার পাশেই সারি সারি দিয়ে বিক্রি হচ্ছে মাটির কলসি, জালা ও কুঁজো। লোকে কিনছে ও দেদার। বারুইপুরের আটঘরায় তৈরী কলসি ছড়িয়ে পড়ছে শহরতলীর বিভিন্ন মহলে।যদিও এই গরমে কলসির চাহিদাটা বেশ তুঙ্গে। ১০ লিটার এর দাম পড়ছে ১৫০ টাকা শুরু। এখন তো মা, বউয়েরা কলসি থেকে জল গড়িয়ে দেয়না নিজেদের জল গড়িয়ে খেতে হয়। তাই প্রাচীন যুগের কলসির গায়ে আধুনিক যুগের প্লাস্টিক ট্যাপ বা কল লাগালে খদ্যের বৃদ্ধি পায়। লোডশেডিং কলসির ঠান্ডা জল যেমন ভালো লাগে তেমন এর উপকারিতা বেশী। চিকিৎসকের মতে মাটির পাত্রে ঠান্ডা জলে খনিজ পদার্থ ও ইলেকট্রোম্যাকনেটিক এনার্জি থাকে যা গরম কালে খুব প্রয়োজনীয়। মাটির পাত্রে জল খেলে গ্লুকোজের সঠিক পরিমান বজায় থাকে যা আমাদের সান স্ট্রোকের হাত থেকে বাঁচায ।

No comments:
Post a Comment