রাষ্ট্রপতির কাছে নাটক করতে গিয়ে..... কি প্রমাণ করল তৃণমূল? - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 5 May 2018

রাষ্ট্রপতির কাছে নাটক করতে গিয়ে..... কি প্রমাণ করল তৃণমূল?


 “রাষ্ট্রপতির কাছে নাটক করতে গিয়ে তৃণমূলই প্রমাণ করে দিয়েছে রাজ্যে সন্ত্রাস চলছে।” নির্বাচনী প্রচারে মালদায় এসে আজ এই মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত ভোটকে কেন্দ্র করে রাজ্য বিজেপি-র বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের দ্বারস্থ হয় তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল। তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েনের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে একটি স্মারকলিপি তুলে দেয়।নির্বাচনী প্রচারে শুক্রবার বেশি রাতে মালদায় আসেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। শনিবার সকালে হোটেল থেকে প্রচারে বেরোনোর সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তৃণমূল নেতা শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের জবাব দেন তিনি। সম্প্রতি শুভেন্দুবাবু জেলায় এসে বলেছিলেন, “বিরোধীরা মিডিয়ায় থাকবে, কোর্টে যাবে, ভোটে যাবে না।” তাঁর সেই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে দিলীপবাবু বলেন, “ইলেকশন মাস্ট, বাট সিকিউরিটি ফার্স্ট। ভোট কে চায় না তা বোঝাই যাচ্ছে। পিছনদিক দিয়ে জেতার চেষ্টা করা হচ্ছে। ৩৪ শতাংশ আসনে প্রার্থী দিতে দেওয়া হয়নি। এটা ভোট হচ্ছে, না নাটক !”

তাঁর দাবী, ভোট হবেই। আর তার ফল দেখে তৃণমূল বুঝবে কে ভোট চায়, আর কে চায় না। শুভেন্দুবাবুর বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় রাজ্য BJP-র সভাপতির মন্তব্য, “মিডিয়ায় কে থাকবে, আর কে থাকবে না, তা মিডিয়াই ঠিক করবে। মিডিয়া তো বিজেপি-কে কোনওদিন দেখাতই না। তাতে আমাদের কোনও কষ্ট নেই। আজ মিডিয়ার মনে হয়েছে, বিজেপি-কে দেখানোর প্রয়োজন আছে। কারণ, লোক চাইছে।”

দিলীপবাবু বলেন, “বিজেপি নিয়ে তৃণমূলের ভাবার প্রয়োজন নেই, বরং নিজেদের দল নিয়ে চিন্তা করুক। যেভাবে রাজ্যজুড়ে খুন হচ্ছে তা আগে ঠেকাক। আজ তৃণমূল নেতৃত্ব সহ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঘোষণা করলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হচ্ছে। কোথাও কোনও সন্ত্রাস নেই। তাঁরা নিজেরাই নিজেদের ভুল প্রমাণ করেছেন। তাঁরাই রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে নাটক করে প্রমাণ করে দিলেন, পশ্চিমবঙ্গে সন্ত্রাস হচ্ছে, সংঘর্ষ হচ্ছে, মারপিট হচ্ছে। রাজ্যজুড়ে কারও হাত উড়ে যাচ্ছে, পা উড়ে যাচ্ছে, মাথা উড়ে যাচ্ছে। ভোট যত এগিয়ে আসবে, ততই এসব বাড়তে থাকবে। এখনও অনেক গোঁজ প্রার্থী থেকে গিয়েছে। আমাদের ভোট থেকে সরে আসার চাপ দেওয়া হচ্ছে। টাকায় কাজ না হলে উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমরা এখন শুধু নাটক দেখব আর ভোট প্রচার করব।”

একদিনে ভোট করা সম্ভব কি না সেই প্রশ্নে দিলীপবাবু বলেন, “একদফায় ভোট হবে কি না তা দেখার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকারের। সব ঠিকমতো না চললে আদালতের রাস্তা খোলা রয়েছে।” 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad