চাঁদনী, পূর্ব মেদিনীপুর: সারা গ্রামজুড়ে এখনো আতঙ্ক ও ভয়ের পরিবেশ কাটেনি।পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাট ব্লকের সাগরবাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিন সাগরবাড় দুটি বুথের মোটর সাইকেল বাহিনীর তান্ডব এখন এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষেরা ভুলতে পারেনি।পূর্ব মেদিনীপুরের এখনো পর্যন্ত একমাত্র পঞ্চায়েত ধরে রেখেছে জাতীয় কংগ্রেস।আর এই নির্বাচনে তৃনমূলের পাখির চোখ এই সাগরবাড় গ্রাম পঞ্চায়েত।সোমবার নির্বাচনের দিনই সকাল আটটা থেকে প্রথমে পদমপুর বুথে তারপর বড়দানানকার ও দক্ষিন সাগরবাড় বুথে বাইক বাহিনী ব্যপক তান্ডব চালায় ও ছাপ্পা মারার অভিযোগ ওঠে।বিশেষকরে দক্ষিন সাগরবাড় গ্রামে বুথের ভেতর ভাঙচুর থেকে শুরু করে গ্রামবাসীদের বেশ কয়েকটি বাড়িতেও আক্রমন চালায় বলে অভিযোগ।
শেষমেষ এদিন বিকেলে ব্যলট বাক্স জলে ফেলে দেওয়া হয় বলে জানা যায়।ফলস্বরূপ ভোট প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।গ্রামের সাধারন মানুষের বক্তব্য শান্তিপ্রিয় এলাকায় বহিরাগতরা কেন এসে ছাপ্পা ও সন্ত্রাস করে যাবে।গনতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনায় এই পরিস্থিতি ঘটবে কেন?পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।তাই মঙ্গলবার সকাল থেকেই চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।বুধবার পুনঃনির্বাচন হবে দুটি বুথে।মঙ্গলবার সকালে এলাকায় বাইক বাহিনী একবার এলাকায় ঘুরে যাওয়ার ফলেই আতঙ্কের পারদ আরো বেড়ছে গ্রামবাসীদের মধ্যে।শেষমেষ দুপুর থেকে আত্মরক্ষা ও বহিরাগতদের প্রতিরোধের জন্য মহিলারা বঁটি ও পুরুষেরা লাঠি নিয়ে গ্রাম পাহারার দায়িত্ব নিলো।পুলিশের প্রতি আস্থা হারিয়ে এমনটাই সিদ্ধান্ত বলে জানান ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা।এক গ্রামবাসী জাবান,চারটি বুথে ছাপ্পা মারলেও দুটি বুথের নির্বাচন হবে।এই দুটি বুথেই ব্যালট পেপার নষ্ট করে দেওয়ার কারনে।বুধবারের পুনঃনির্বাচনে আবারো সন্ত্রাস চালাতে পারে তৃনমূল।আর সেই কারনেই গ্রামবাসীদের এই চরম সিদ্ধান্ত।তবে এই বিষয়ে এলাকার পঞ্চায়েত প্রধান সুরজিৎ মাইতি জানান,দুটি বুথের নির্বাচনে তৃনমূল সন্ত্রাস চালালে গ্রামবাসীরাই প্রতিহত করবে।মানুষের গনতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করাতে প্রশাসনই ব্যর্থ।সুরজিৎ বাবু আরো জানান,তৃনমূল যদি এতো উন্নয়ন করেই থাকে তাহলে এত ছাপ্পা ও সন্ত্রাস চালানোর প্রয়জন কেন হয়ে পড়ছে।তবে এই বিষয়ে সাগরবাড় গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃনমূলের সভাপতি তরুন ঘোড়াই জানান।

No comments:
Post a Comment