বিজেপির সময় আসলে তৃণমূলের নেতা নেত্রীদেরও হাসপাতালে আসতে হবে। এখন যেমন পুলিশের একাংশ বসে মজা দেখছে। ঠিক তেমনই সেই সব পুলিশদের ভাগাড়ে ট্রান্সফার করে দেওয়া হবে। এমনই নিদান দিলেন বিজেপি রাজ্য নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার নারায়ণগড়ে তৃণমূলী গুন্ডাদের কাছে মার খাওয়া বিজেপি কর্মী সমর্থকদের দেখতে এসে জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, শুক্রবার রাতে বিজেপির ঝাণ্ডা নিয়ে মিছিল কেন করেছে? তাই গেরুয়া শিবিরের সমর্থকদের রড দিয়ে বেধড়ক মারধর করে তৃণমূল আশ্রিত গুণ্ডারা।আর কিছু দূরে চায়ের দোকানে পুলিশ বসে মজা দেখে দেখে চা খাচ্ছে। এরকম অন্যায় অবিচার আর চলতে পারে না। প্রত্যাহারের সময় শেষ হয়ে গিয়েছে এখন লড়াইয়ের সময়। জয় বলেন, স্বাধীন ভারতবর্ষে দেশ স্বাধীন হল কোথায়? স্বাধীন হলে কে কি দল করবে তা নিজে ঠিক করতে পারত। কিন্ত তৃণমূল যা শুরু করেছে তাতে সাহস নেই বিজেপির পতাকা হাতে তোলার। কিন্ত বেশি দিন ভয়ে চুপ করে থাকবে না রাজ্যের মানুষ। প্রতিবাদ করবে। পঞ্চায়েত ভোট চলে গেলেই দেখা যাবে কার কি জোর?
জয় বলেন, যেভাবে অত্যাচার করছে, রক্ত ঝড়াচ্ছে বিজেপি কর্মীদের, ঠিক সেইভাবে রক্ত ওদেরও(তৃণমূলের) ঝড়বে।পাশাপাশি একাংশ পুলিশ তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে, ক্ষমতায় আসলে সবাইকে ভাগাড়ে ট্রান্সফার করাবো, চিল-শকুনদের নিয়ে থাকবে।
জয় জঙ্গলমহল প্রসঙ্গে বলেন, আগে তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে জঙ্গলমহলের আদিবাসীরা মিছিল করতো কিন্ত এখন তারা বিজেপির ঝাণ্ডা নিয়ে মিছিল করে। সাহস পেয়েছে।তারা বুঝে গেছে তৃণমূল তাদের জন্য কি করেছে? ফলে মুখ ফিরিয়েছে জঙ্গলমহলের আদিবাসীরা।
অন্যদিকে জঙ্গলমহলবাসীদের কাছে যান অভিনেতা তথা রাজ্য তাবড় নেতা জয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, তৃণমূল সরকার একটা রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারকেই বাঁচাতে পারল না। ওরা মানুষকে কি বাঁচাবে। ওরা কিভাবে মানুষের নিরাপত্তা দেবে? তৃণমূল সরকার একটা লুপ্তপ্রায় জীবের নিরাপত্তা দিতে পারে না ওরা মানুষ কি নিরাপত্তা দেবে। মানুষের সুখ শান্তি ওরা কিভাবে দেবে।এদিন জয় বন্দ্যোপাধ্যায় জঙ্গলমহলের মানুষের উদ্যেশ্যে বলেন, এখানে শত প্ররচনা শত সন্ত্রাস সত্বেও এখানকার কোনও প্রার্থী তাদের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করেননি। সমস্ত প্রার্থীরাই ময়দানে রয়েছেন। তাই আমি আপনাদেরকে কুর্নিশ জানাচ্ছি। আপনারা জঙ্গলমহলে সমস্ত রকম ভয় সন্ত্রাসকে উপেক্ষা করে বিজেপির মিছিলে হাজির হয়েছেন। জয়শ্রী রাম ও মোদীজী জিন্দাবাদ বলেছেন সেটা ভোতের দিনও সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে তৃণমূলকে জঙ্গলমহল থেকে ছুঁড়ে ফেলুন।


No comments:
Post a Comment