ভোটে হেরে কি এমন মত বিজেপির? - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, 19 May 2018

ভোটে হেরে কি এমন মত বিজেপির?



ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি, নাগরাকাটা, জলপাইগুড়িতে সন্ত্রাস চালিয়ে বিজেপিকে ভোট করতে দেওয়া হয়নি। ভোট হলেও এরপর গননা কেন্দ্রে চলল সন্ত্রাস। রীতিমত গননা কেন্দ্র গুলি শাসন দল নিজেরাই দখল নিল বলে অভিযোগ। গনতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে। যে সব আসনে শাসক দল পিছিয়ে ছিল সেই সব গননা কেন্দ্র চলল ছাপ্পা ভোট, এটা পশ্চিমবঙ্গ নয় সারা ভারতর্বষের কোনও খানে হয়নি এমটাই অভিযোগ করল জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপি। যদিও বিজেপি অভিযোগ মানতে নারাজ শাসক দল তৃনমূল।



তাদের দাবি উন্নয়নকে সংগঠনের মাধ্যমে বুথ স্তরে পৌচ্ছে দিতে পেরেছি এই কারনে আমরা জয়ী হয়েছি। আর সন্ত্রাস এখনো আমরা শুরু করি নাই যখন হবে তখন বলতে পারবেন। জেলা বামফ্রন্ট জানাল ভোটকে ভাটে পরিনত করা হয়েছে তাই এই কৃত্রিম ফল। শুক্রবার জলপাইগুড়ি জেলা বিজেপি কার্যালয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে বিজেপি। সাংবাদিক বৈঠক থেকে জেলা বিজেপি যুব মোচার সভাপতি বলেন, গননা কেন্দ্র দখল করে শাসক দলের নেতা কর্মীরা রিতিমত ছাপ্পা ভোট চালিয়ে গেলো। আমাদের ব্যালট পেপারে ডবল ডবল সিল মেরে সেই ভোট নষ্ট করে দেওয়া হয়। গননা কেন্দ্রে বন্ধুক নিয়ে ঢুকে পরেছে শাসক দলের নেতা কর্মীরা । পুলিশ নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছিল। সম্পূর্ন পরিকল্পনা করে এই কাজ গুলি করা হয়েছে। আমাদের নেতা কর্মীদের মারধর করা হচ্ছে। যে সব এলাকায় আমাদের ভোট দিতে দেওয়া হয়নি সেই সব এলাকায় ব্যালট পেপার খুলে শাসক দল অবাক হয়ে গেছে। তারা দেখতে পায় প্রচুর সাধারন মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। এর ফলে শাসক দল আতঙ্ক গ্রস্থ হয়ে আমাদের ভোট গুলি নষ্ট করেছে। জলপাইগুড়ি জেলার তৃনমূল কংগ্রেসের সভাপতি সৌরভ চক্রবত্তি বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জেলা সফর ও পর্যবেক্ষন অরুপ বিশ্বাসের সাহস ও বিশ্বাস দিয়েছে এই কারনে উন্নয়নকে বুথ স্তরে নিয়ে যেতে পেরেছি। তাই আমরা জিতেছি। বিরোধিদের যে চিন্তা ভাবনা করে সেটা মানুষের জন্য নয় পার্টির কেডারদের জন্য হতে পারে। আমরা এই জেলার পড়াশুনা করেছি সারা বছর সংগঠন করেছি তাই আমরা ভাল ফল করেছি। বিরোধিরা ভোটের আগে টাকা দিয়ে বন্ধুক, আসাম থেকে লোক নিয়ে আসা এই সবই করেছে। সন্ত্রাস আমরা এখন করিনি। সব কিছু এক দিকেই হয়েছে। যখন শুরু হবে তখন সেটা সন্ত্রাস বলতে পারবেন। অন্যদিকে জেলা বামফ্রন্টের আহ্বায়ক সলিল আচার্য বলেন, নির্বাচনে যে ফল প্রকাশ হয়েছে এটা কৃত্রিম ফল। এটা মানুষের রায় নয়। মানুষের রায়কে বিকৃত করে শাসক দল তাদের গবেষনাগারে তৈরি করেছে। এটাই মানুষের দরবারে প্রকাশ করা হয়েছে। ভোট যখন ভাটে পরিনত হয় সেই সময় পুলিশ সুপার ভোটকে বিকৃত করে। এই সব কারনে জেলা পরিষদ তো বিরোধি শুন্য হবেই।

সূত্র: ব্রেকিং কলকাতা

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad