চলচ্চিত্রে যৌন দৃশ্য দুর্লভ কিছু নয়। কিন্তু টিভি প্রোগ্রামে নগ্নতা ও যৌনতা এখনও সেভাবে প্রবেশ করেনি। সেটা স্বাভাবিক। কারণ টেলিভিশন ঢুকে পড়ে একেবারে গৃহস্থের ঘরের ভিতরে। স্বাভাবিকভাবেই সেখানে খোলাখুলি যৌনতা প্রদর্শনের কিছু অসুবিধা আছে। তা সত্ত্বেও টেলিভিশনের কোনও কোনও অনুষ্ঠান এই নৈতিক সীমারেখাকে অতিক্রম করে যৌন দৃশ্যকে এনে হাজির করেছে একেবারে দর্শকের ড্রয়িংরুমে। সেরকমই কিছু অনুষ্ঠানের হদিশ রইল এখানে—
১. সেক্স এ্যান্ড দি সিটি (১৯৯৮):
তিরিশোর্ধ্ব চার মহিলার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন নিয়ে তৈরি হয় এই টিভি সিরিয়াল। সিরিয়ালের নাম শুনেই বোঝা যায়, এর বিষয়বস্তুর মধ্যেই রয়েছে যৌনতা। মহিলাদের যৌন জীবন নিয়ে খোলাখুলি আলাপ-আলোচনা ছাড়াও বাধাহীন যৌনতার দৃশ্যও এই সিরিয়ালের বহু এপিসোডে দেখতে পাওয়া যাবে। এই সিরিয়ালে অভিনেত্রী কিম কাট্রাল বহুবার স্তন উন্মোচন করেছেন ক্যামেরার সামনে।
২. ক্যালিফর্নিকেশন (২০০৭):
মদ ও যৌনতার নেশায় আক্রান্ত এক লেখক যিনি এই নেশা থেকে মুক্তির পথ খুঁজছেন তিনিই এই সিরিয়ালের মূল চরিত্র। ডেভিড ডাকোটভি অভিনীত এই সিরিয়ালে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের পূর্ণাবয়ব নগ্নতা অতি সুলভ ব্যাপার। উন্মুক্ত স্তন ও খোলা নিতম্ব বহুবার দেখা গিয়েছে এই সিরিয়ালে। তবে খুব অনুপুঙ্খ যৌন দৃ্শ্য এই সিরিয়ালে পাওয়া যাবে না।
৩. ট্রু ব্লাড (২০০৮):
বন টেম্পেস নামে এক কাল্পনিক শহরে এক সঙ্গে বাস করছে মানুষ ও ভ্যাম্পায়াররা। এই সিরিয়াল তাদেরই কাহিনি বলে। নগ্নতা ও যৌনতায় এই সিরিয়ালের প্রতিটি এপিসোড ঠাসা। এমনকী সম্মুখ নগ্নতা বা ফুল ফ্রন্টাল ন্যুডিটিও অতিশয় সুলভ এখানে। এই সিরিয়ালের একটি বিখ্যাত দৃশ্যে দেখা গিয়েছিল, ভ্যাম্পায়ারদের নেত্রী লিলিথ তার সমস্ত ভ্যাম্পায়ার সঙ্গিনীকে নিয়ে সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় উঠে আসছে একটি রক্তের পুকুর থেকে। ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল তাদের শরীরের একেবারে উন্মুক্ত সামনের অংশ।
৪. স্পার্টাকাস (২০১০):
রোমান সাম্রাজ্যের বিখ্যাত দাস নেতাকে তৈরি হয় সিরিয়ালটি। প্রায় সব এপিসোড ভর্তি ছিল যৌনতায়। পুরুষ ও মহিলাদের প্রকাশ্য নগ্নতা ছিল জলভাত। প্রায় অকারণে, যখন-তখন এই সিরিয়ালের চরিত্রদের সঙ্গমে লিপ্ত হতে দেখা যেত। টিভিতে এহেন যৌনতা আর প্রায় কোনও সিরিয়ালেই দেখা যায়নি।
৫. গেম অফ থ্রোনস (২০১১):
উদ্দাম যৌনতা, যৌন হিংসা, মেয়েদের ওপর যৌন নির্যাতন— কী নেই এই সিরিয়ালে! জনপ্রিয়তায় তালিকার শীর্ষে থাকবে এই সিরিয়ালের নাম। এর একটি বিখ্যাত দৃশ্যে অভিনেত্রী রানি সার্শির ভূমিকায় অভিনয় করা লিনা হিডিকে প্রকাশ্য রাস্তায় সম্পূর্ণ নগ্ন অবস্থায় হাঁটতে দেখা গিয়েছিল। সম্মুখ ও পশ্চাৎ— দুই ধরনের নগ্নতাই দেখা গিয়েছিল এই দৃশ্যে। এই দৃশ্য দেখে অনেক দর্শকই অস্বস্তিতে পড়েছিলেন।
২৯ টি সবচেয়ে লজ্জাজনক মুহূর্ত যা ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছে, দেখলে হেসে মরবেন…
একটা সময় ছিল যখন সারা জীবনের জন্য একটি মুহূর্ত লালন করা একটি রূপক ছাড়া কিছুই ছিল না। ওহ, কিভাবে সময় পরিবর্তিত হয়েছে, আর আমরা আমাদের মেমরি আমাদের কাছে চিরতরে সংরক্ষণ করার প্রযুক্তি এবং ক্ষমতা পেয়েছি।
ইন্টারনেট একটি জিনিস হয়ে ওঠার পর থেকেই, ‘মুহূর্ত লালন’ একটি সম্পূর্ণ আলাদা গল্প হয়ে ওঠে। বিশেষ করে যখন এটি এমন কিছু নিয়ে আসে যা আপনাকে বিরক্ত করে তোলে, ইন্টারনেটে আপনার জন্য সংরক্ষিত টন টন মেমরি।
প্রত্যেকেরই বিব্রতকর মুহূর্তগুলির একটি সুষ্ঠু অংশ রয়েছে যা তারা অতিক্রম করে। এবং দুঃখজনক দুর্ঘটনার পাশাপাশি, সকলে আশা করে যে কোন সাক্ষী সেখানে নেই। এখানে কিছু এমন অস্বস্তিকর মুহুর্তের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা লোকেরা ইন্টারনেটে শেষ পর্যন্ত আশা করবে না।



No comments:
Post a Comment