গত কয়েকদিন ধরে তীব্র দহনে নাজেহাল শিল্পাঞ্চলবাসী।মঙ্গলবার সকাল থেকেই রোদের তেজ ছিল বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে,রোদ্দুরের প্রচন্ড তেজে রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে পড়ে।বিশেষ দরকার ছাড়া কেউ ঘর থেকে বার হতে চাইছে না।আজকের তাপমাত্রা এখন পর্য্যন্ত সবথেকে বেশি তাপমাত্রা,প্রায় ৪২ ডিগ্রির কাছাকাছি।গরমে মানুষ মুখে কাপড় বেধেঁ চশমা পড়ে বার হচ্ছে নিতান্ত বাধ্য হয়ে।গরমের সাথে পাল্লা দিচ্ছে লোডসেডিং,সোমবার রাত থেকে ঘন ঘন লোডসেডিংয়ের কারনে মানুষের অবস্থা আরো করুন।শিল্পাঞ্চল বাসী এখন চাতক পাখীর মতো আকাশ পাণে তাকিয়ে অপেক্ষা করছে কখন এক পশলা বৃষ্টি হয়ে একটু স্বস্তি দেবে।প্রচন্ড গরমের হাত থেকে একটু শান্তি দেবে।
গত কয়েকদিন ধরে তীব্র দহনে নাজেহাল শিল্পাঞ্চলবাসী।মঙ্গলবার সকাল থেকেই রোদের তেজ ছিল বেলা বাড়ার সাথে সাথে তাপমাত্রা বাড়তে থাকে,রোদ্দুরের প্রচন্ড তেজে রাস্তাঘাট জনশূন্য হয়ে পড়ে।বিশেষ দরকার ছাড়া কেউ ঘর থেকে বার হতে চাইছে না।আজকের তাপমাত্রা এখন পর্য্যন্ত সবথেকে বেশি তাপমাত্রা,প্রায় ৪২ ডিগ্রির কাছাকাছি।গরমে মানুষ মুখে কাপড় বেধেঁ চশমা পড়ে বার হচ্ছে নিতান্ত বাধ্য হয়ে।গরমের সাথে পাল্লা দিচ্ছে লোডসেডিং,সোমবার রাত থেকে ঘন ঘন লোডসেডিংয়ের কারনে মানুষের অবস্থা আরো করুন।শিল্পাঞ্চল বাসী এখন চাতক পাখীর মতো আকাশ পাণে তাকিয়ে অপেক্ষা করছে কখন এক পশলা বৃষ্টি হয়ে একটু স্বস্তি দেবে।প্রচন্ড গরমের হাত থেকে একটু শান্তি দেবে।

No comments:
Post a Comment