নিউ প্ল্যান: দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নায় অংশগ্রহণ মমতা ব্যানার্জীর! - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 17 June 2018

নিউ প্ল্যান: দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রীর ধর্নায় অংশগ্রহণ মমতা ব্যানার্জীর!


আইএএস অফিসারদের কর্মবিরতি তুলে নেওয়ার দাবিতে লেফটেনন্ট গভর্নরের বাসভবনে ধর্নায় বসা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের পাশে দাঁড়ালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ চার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সমস্যা মেটাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হস্তক্ষেপ দাবি করেন তাঁরা।

নীতি আয়োগের বৈঠকে যোগ দিতে শনিবার দিল্লি পৌঁছেই মোদি বিরোধী জোট গঠনে তৎপর হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল তাঁর ক্যাবিনেটের তিন মন্ত্রীকে নিয়ে কয়েকদিন ধরে লেফটেনন্ট গভর্নর অনিল বৈজলের সরকারি বাসভবনে ধরনায় বসেছেন। রবিবার মমতা ও চন্দ্রবাবু নাইডু সেখানে গিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে দেখা করবেন বলে ঠিক করেছিলেন। কিন্তু, অনিল বৈজল তাঁর সরকারি বাসভবনে ঢুকে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি দেননি মমতা ও চন্দ্রবাবুকে। এরপরই কেজরিওয়াল টুইট করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশেই লেফটেনন্ট গভর্নর একাজ করেছেন।”

কেজরিওয়ালের সঙ্গে দেখা করার অনুমতি না পেয়ে অন্ধ্রভবনে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী ও কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে বৈঠক করেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁরা একসঙ্গে সাংবাদিক বৈঠক করে কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণও করলেন। তার আগে কেজরিওয়ালের বাড়িতে যান চার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী।


সাংবাদিক বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “যেখানে একজন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের দেখা করার অনুমতি নেই সেখানে গণতন্ত্র নেই। মানুষের কাছে ভুল বার্তা যাচ্ছে। যদি দেশের রাজধানীতে এই ধরনের ঘটনা ঘটে, তাহলে অন্য রাজ্যে কী ঘটবে? আমরা সমস্যার সমাধান করতে আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করব।”

মমতা বলেন, “আমরা এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করে সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে বলব। রাষ্ট্রপতি যদি এখানে থাকতেন, তাহলে আমরা তাঁকেও বলতাম। গণতন্ত্র এভাবেই কাজ করে। এটাই গণতন্ত্রের কাজ।” তিনি বলেন, “আমি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, আমাকে বলা হল মৌখিকভাবে এমনকী লিখিতভাবে বললেও অনুমতি দেওয়া হবে না। তারপর আমরা চারজন লেফটেনন্ট গভর্নরের অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য আবেদন করেছিলাম। কিন্তু, আমাদের বলা হয় তিনি এখানে নেই। আমরা অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেছি তবুও আমাদের অনুমতি দেওয়া হয়নি। দিল্লিতে ২ কোটি মানুষের বসবাস। ৪ মাস ধরে সরকারি কাজ বন্ধ হয়ে রয়েছে। এর থেকে দুর্ভাগ্যজনক আর কী হতে পারে। এটা সাংবিধানিক সংকট। তবে এমন সংকট হওয়া ঠিক নয়, যার জন্য সরকার ও সাধারণ মানুষকে ভুগতে হবে।”

সাংবাদিক বৈঠকে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের মনোভাবের কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। কেন্দ্রীয় সরকার দেশের ফেডেরাল ব্যবস্থাকে সীমাবদ্ধ করে দিচ্ছে যা দেশের জন্য সুখকর নয়। সমস্ত গণতান্ত্রিক মানুষ দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর পাশে রয়েছেন।”

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য সরকারের এসযোগে কাজ করা উচিত। এখানে নির্বাচিত সরকার রয়েছে। তাদের কাজ করতে দিতে হবে।”

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad