কলেজে কলেজে ভর্তি নিয়ে যা হচ্ছে, দিদি মনি তো বলেই দিয়েছে সত্তর আমাকে দাও ত্রিশ রেখে দাও। একটা বর্বর ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে।
গন্ডার শিকার করতে শিকারিরা বাইরে থেকে যেমন আসে তেমন ভাবে কংগ্রেস বিধায়কদের নিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। শুভেন্দুর নাম না করে বারাসতে দাঁড়িয়ে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস ভাঙানোর চেষ্টাকে চোরা শিকারির সাথে তুলনা করলেন অধীর চৌধুরী ।
রাজ্যে বর্বর নিয়ম চালু করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সত্তর শতাংশ তোলার ভাগ ও চোরা শিকারির মত কংগ্রেস বিধায়কদের টেনে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুখ্যমন্ত্রী ও পরিবহন মন্ত্রীর নাম না করেই এভাবে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী।
তিনি বারাসতের বিশেষ আদালতে হাজিরা দিতে এসে তিনি বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের যে বিচার হচ্ছে এটা ভালো। আমার বিরুদ্ধে অনেক মামলা আছে। রাজনীতি করতে গেলে মামলা হয়। মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হয়েছে রেল মন্ত্রী থাকা কালীন সময়ে । এত মামলা থাকায় ভোটের সময় মানুষ বিভ্রান্ত হয়। প্রশ্ন করে ? এই বিচার পদ্ধতিতে দ্রুত বিচার হলে রাজনীতি বিদদের জন্য ভালো হবে।
পাশাপাশি তিনি আরও বলেন, আদালত কক্ষে অধীর চৌধুরীর সাথে অন্য অকটি মামলায় হাজির ছিলেন, কান্দির বিধায়ক তথা একদা অনুগামী অপূর্ব সরকার। তবে আদালত কক্ষে অধীর ও অপূর্ব একবারও একে অপরের দিকে তাকান নি। তৃণমূলকে চোরা শিকারি বলে আক্রমণ করেন অধীর।

No comments:
Post a Comment