টিনএজার হিসেবে বিশ্বকাপের ম্যাচে জোড়া গোল করার নজির ছিল স্বয়ং পেলের। টিনএজারদের সেই এলিট বন্ধনী এতদিন ফাঁকাই ছিল। তবে এমবাপে ঢুকে পড়েছেন আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে জোড়া গোলের সৌজন্যে। আর তারকা থেকে মহাতারকা হয়ে ওঠার পথে এমবাপেকে সারাক্ষণ ভরসা জুগিয়ে চলেছেন এলিসিয়া।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের আলোচনা এমবাপকে নিয়ে। একাধিক প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, এমবাপে সমর্থন জুগিয়ে চলেছেন তার বান্ধবী এলিসিয়া এইলিস, যিনি প্রাক্তন ‘মিস ফ্রান্স’!
আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে নক আউট পর্বে শুধু গতিতেই নাস্তানাবুদ করে ছেড়়েছিলেন মেসির জাতীয় দলের সতীর্থদের। ওটামেন্ডি, রোহো হোক বা বার্সেলোনায় খেলা জেভিয়ের মাসচেরানো— এপবাপের সঙ্গে গতিতে পাত্তাই পাননি তারকা ডিফেন্ডাররা। এমবাপের বয়স মাত্র ১৯ বছর বয়স। আর এই বয়সেই নাম লিখিয়ে ফেলেছেন কিংবদন্তিদের পাশে।
কাজান এরিয়ায় যখন মেসিকে ম্লাণ করে নতুন তারকা হয়ে ওঠার বার্তা দিলেন এমবাপে, তখন ভিআইপি গ্যালারিতেই দেখা গেল এলিসিয়াকে। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, চলতি বছরের মে মাস থেকেই এমবাপে আর ‘সিঙ্গেল’ নন। মে মাস থেকেই ডেটিং শুরু করেছেন এমবাপে ও এলিসিয়া।
এছাড়া কাজান এরিয়ায় এলিসিয়ার পাশেই দেখা গিয়েছিল অন্য আরেক প্রাক্তন ‘মিস ফ্রান্স’ (২০০৭) রাচেল লেগ্রেন ত্রাপানি। যার প্রেমিক স্বয়ং বেঞ্জামিন পাভার্ড। পাভার্ডের সোয়ার্ভিং শটই নাকি আর্জেন্টিনাকে হারানোর টার্নিং পয়েন্ট। দুই সুন্দরীই গ্যালারিতে বসে আর্জেন্টিনার হারের পরোক্ষ কারণ হয়ে থাকলেন!

No comments:
Post a Comment