স্নেহা চক্রবর্তীঃ এদেশ থেকে সৌদিতে থাকা শ্বশুরের নার্ভের ওষুধ নিয়ে যাওয়ায় বিপাকে জামাই ইদেল সেখ । ওষুধ নেওয়ার অভিযোগে সেখান কার জেলে জেল বন্দী ঈদেল সেখ । এক মাত্র উপার্জন কারী ছেলের জেল বন্দীর খবরে দিসেহারা পরিবার । নিম্ন পরিবার, ছেলের মুক্তির দাবিতে আজ কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন দফতরের চিঠি চাপাঠি করেও ছেলের কোন খোঁজ না পেয়ে সমস্যায় পরিবার ।
বীরভূমের মল্লারপুর থানার ছোটতুড়ি গ্রামের বাসিন্দা ঈদেল সেখ । দুই সন্তান স্ত্রী ও বাবা মাকে নিয়ে থাকতেন ঈদেল । কিন্তূ দেশে থেকে এই সামান্য আয়ে তাদের সংসার ভালো ভাবে চালানো সম্ভব নয় । সৌদিতে থাকা সম্পর্কিত শ্বশুরের ডাকে কয়েক বছর আগে বেশি আয়ের জন্য সেখানে যায় । সেখানে যা আয় হয় তার থেকে প্রতি মাসে পরিবারে টাকা পাঠাত । কয়েক মাস পর কাজ করার পর নিজের বাড়ী ফিরেছিলো । ফেরার সময় তার সম্পর্কিত স্বশুর নার্ভের জন্য কয়েক মাসের অষুধ আনতে বলেছিলো । কারন সেখানে তার অষুধ পাওয়া যাচ্ছিল না । গত ২০১৬ সালে ডিসেম্বর মাসে সৌদি ফেরার সময় তার শ্বশুরের জন্য কয়েক মাসের নাভের্র অষুধ নিয়ে যায় ঈদেল ।
তিনি দমদম আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে যাওয়ার সময় সেই অষুধ নেওয়ার জন্য এক বারের জন্য তাকে আটকায় নি । কিন্তূ সৌদি বিমান বন্দর নামার সময় তার ব্যাগ চেক করে ভারতীয় ওই অষুধ সহ তাকে আটক করে সেই দেশের নিরাপত্তা রক্ষী । এই অষুধ নিয়ে বেশ কিছু দিন তদন্ত চলার পর তাকে বেআইনি ড্রাগ নেওয়ার অপরাধে সাত বছরের কারা দন্ড দেওয়ার কথা সেই দেশের বিচার ব্যবস্থায় । কয়েক মাস পর এই খবর তার পরিবারের কাছে পৌঁছালে তারা ভেঙ্গে পরে । যদিও শ্বশুরের কথা মতো কয়েক মাস পরে ছেড়ে দেবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলো । কিন্তূ কয়েক মাস পর ছেলে সেখান থেকে খবর দেয় অষুধ নেওয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে সেই দেশের বিচারক সাত বছরের জেল দিয়েছে বলে জানায় । পরিবারের লোক তার ছেলের মুক্তির দাবিতে দেশের বিদেশ মন্ত্রী, সরাষ্ট্র দফতর , প্রধান মন্ত্রী থেকে বিভিন্ন দফতরের চিঠি পাঠিয়ে ছেলের কনো খোঁজ দিতে পারেনি । প্রায় দেড় বছর ছেলের মুক্তির কোন খবর না পেয়ে আর্থিক সংকটের মুখে দাঁড়িয়েছে ওই পরিবার । তারা চায় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এমন কি মুখ্যমন্ত্রী তার ছেলে যাতে মুক্ত হয়ে বাড়ী ফিরতে পারে তার ব্যবস্থা করুক ।


No comments:
Post a Comment