অনাস্থা ভোটে হেরে গেল বিরোধীরা। অনাস্থার বিপক্ষে মোট ৩২৫টি ভোট পড়ে। ভোটদানে বিরত থাকে শিবসেনা। খারিজ হয়ে যায় অনাস্থা প্রস্তাব।
অনাস্থার পক্ষে ও বিপক্ষে মিলিয়ে মোট ৪৫১টি ভোট পড়ে। তার মধ্যে অনাস্থার বিপক্ষে ৩২৫ ও পক্ষে ১২৬টি ভোট পড়ে। এরপর লোকসভার স্পিকার সুমিত্রা মহাজন অনাস্থা প্রস্তাবকে বাতিল ঘোষণা করেন। সোমবার পর্যন্ত সভা মুলতুবি থাকবে।
বাদল অধিবেশনের শুরুর দিন অনাস্থা প্রস্তাব আনে TDP। সেই প্রস্তাব মেনে নেন স্পিকার সুমিত্রা মহাজন। এবং আজ ভোটের দিন স্থির করেন। সেই মতো শুক্রবার সকাল থেকে শুরু হয় আলোচনা পর্ব। প্রায় ১২ ঘণ্টা আলোচনা পর্ব চলার পর শুরু হয় ভোটগ্রহণ পর্ব। আলোচনা পর্বে কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে একের পর এক অভিযোগের তীর ছুঁড়তে থাকেন বিরোধীরা। বক্তব্য শুরু করেন অন্ধ্রপ্রদেশের গুন্তুরের TDP বিধায়ক জয়দেব গল্লা। "হুমকি নয়, অভিশাপ" দেন মোদি পরিচালিত সরকারকে। অন্ধ্রপ্রদেশকে স্পেশাল স্টেটাস না দেওয়া নিয়ে সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন তিনি।
অন্যদিকে অনাস্থা নিয়ে বক্তব্যের মাঝেই প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরেন রাহুল গান্ধি। নিজের বক্তব্য শেষ করেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে এগিয়ে যান। এবং নজিরবিহীনভাবে জড়িয়ে ধরেন তিনি। তবে এর পরেই দলীয় সাংসদের দিকে তাকিয়ে এক চোখ বন্ধ করে ইশারা করেন। যা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন স্পিকার। অবশ্য এর আগে কেন্দ্রীয় সরকারকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন রাহুল। তাঁর বক্তব্য ঘিরে সরগরম হয়ে ওঠে লোকসভা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদেরও কড়া ভাষায় তিনি আক্রমণ করেন। রাহুল বলেন, দেশের কৃষকদের কথা, শ্রমিকদের মনের কথা প্রধানমন্ত্রী শুনতে পান না। প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত থাকেন ধনীদের নিয়ে। প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, ""আমার প্রতি আপনাদের ঘৃণা রয়েছে। আপনি আমাকে পাপ্পু বা অন্য অনেক নাম ধরে ডাকতে পারেন। গালাগালিও দিতে পারেন। কিন্তু, আমি আপনাকে ঘৃণা করি না।"

No comments:
Post a Comment