সাপের ছোবলে মৃত ২!হুঁশ নেই বনদপ্তরের - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, 30 July 2018

সাপের ছোবলে মৃত ২!হুঁশ নেই বনদপ্তরের


দিন দিন বিষধর সাপের উপদ্রব বেরেই চলেছে মালবাজার মহকুমায়। বিষধর  সাপের কামড়ে দুজনের মৃত্যু  হল মাল ব্লকে। এক জন স্কুলের ছাত্রী তৃপ্তী প্রসাদ ডামডিমের বাসিন্দা এবং আর একজন গ্রামিন চিকিৎসক, নাম মেহবুব মিঞা (৪৫)। বাড়ি পাথর ঝোড়া চাবাগান এলাকায়।

বিষাক্ত সাপের কামড়ে মৃত্যু ঘটল এক কিশোরীর।ঘটনাটি ঘটেছে মাল ব্লকের ডামডিম গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার  কুমলাই চাবাগানে।মৃতার নাম তৃপ্তি প্রসাদ (১৩)।স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, শনিবার রাত ৯ টা নাগাদ নিজের বাড়িতে আলমারি থেকে কিছু সামগ্রী বার করছিল।সেই সময় এক বিসাক্ত সাপ তার পায়ে কামড়ে দেয়।প্রচণ্ড যন্ত্রণায় সে চিৎকার করতে শুরু করে।  বাড়ির লোকজন  দ্রুত মাল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসে। রবিবার রাত দেড়টা নাগাদ তার মৃত্যু হয়।ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

অন্য দিকে রবিবার রাত ৮ টা নাগাদ মাল ব্লকের পাথরঝোড়া চা বাগান এলাকার বাসিন্দা মেহবুব মিঞা রাতে চেম্বার থেকে বাড়ি ফিরেন। বাড়ির বাথরুমে হাত মুখ ধোয়ার সময় বাথরুমের মধ্যেই থাকা একটি বিষধর সাপ চিকিৎসকের পায়ে ছোবল মারে। তড়িঘড়ি তাকে মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে এলে সেখানেই তার মৃত্যু  হয়।  একের পর এক সাপের ছোবলে মানুষের মৃত্যুর ঘটনা আতঙ্কিত মালবাজার মহকুমার মানুষ।

পাশাপাশি গ্রামের মানুষ এবং পরিবেশ প্রেমিদের বক্তব্য, সাপ ধরার জন্য বন দপ্তরের কোন০ টিমই নেই। কোনোও বাড়িতে সাপ ঢুকলে পরিবেশ প্রেমিদের উপর ভর্সা করে বন দপ্তর।  ডামডিমের বাসিন্দা তথা তৃ মুলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বাবুয়া প্রসাদ বলেন, যে মেয়েটির সাপের ছোবলে মৃত্যু  হয়, সেখানে বন দপ্তর কে রাতে ফোন করেও কোন লাভ হয় নি। কারন বন দপ্তরের সাপ ধরার কোন ব্যাবস্থাই নেই। তাই সাপটি ঘরের ভেতরেই কোন গর্তে ঢুকে পরেছে।  এলাকার মানুষদের  দাবি অবিলম্বে সাপ ধরার সরঞ্জাম এর ব্যাবস্থা করে একটি টিম তৈরি করুক বন দপ্তর। পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় সাপ নিয়ে বিভিন্ন শিবির করা উচিত।

ওদলাবাড়ি পরিবেশ প্রেমি সংস্থা ন্যাসের সম্পাদক নফসর আলীর বক্তব্য। এর আগে বহুবার বনদপ্তরের আধিকারিকদের সাপ ধরার জন্য ব্যাবস্থা গ্রহন করতে বলা হয়েছিল কিন্তু কোন ব্যাবস্থাই নেই নি বন দপ্তর। এর আগে যেসব জায়গায় সাপ বেরিয়েছিল, তা আমরাই রেসকিউ করি। তাই অবিলম্বে বন দপ্তরের উচিত এখনই সাপ ধরার যন্ত্রপাতি কিনে একটি টিম তৈরি করুক।

 মালবাজারের বন দপ্তরের রেঞ্জার সমির সিকদার বলেন, আমাদের  সাপ ধরার কোন অনুমতি নেই। তাছারা সাপ ধরতে বিভিন্ন জিনিসের দরকার, সেই সবেরো অভাব রয়েছে।  

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad