ব্রাজিলের পোর্তো এলেগ্রি শহরকে এখন বলা হচ্ছে নগ্নতার শহর। কারণ এ শহরে নানান কারণে প্রতিবাদ জানাতে চলতি মাসেই সাধারণ মানুষের রাস্তায় উলঙ্গ হয়ে হাঁটার তিনটি ঘটনা ঘটেছে।
সর্বশেষ উপকূলবর্তী এ শহরে নভেম্বরের ৭ তারিখে এক ব্যক্তিকে উলঙ্গ হয়ে হাঁটতে দেখা যায়। এর আগে এ ঘটনা ঘটিয়েছিলেন দুই মহিলা।
ব্রাজিলের স্থানীয় গণমাধ্যম কোরিও ডো পোভোর বরাত দিয়ে হাফিংটন পোস্ট জানিয়েছে, ওই ব্যক্তিকে দেখার পর এক মটরসাইকেল চালক পুলিশকে খবর দেন। কিন্তু পুলিশ আসার পর উলঙ্গ কোনো ব্যক্তিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ মাসের ৬ তারিখ আরবিএস টিভি-কে সাক্ষাতকার দেন নগ্ন হয়ে রাস্তায় হেঁটে বেড়ানো এক মহিলা। বেটিনা বাইনো নামের ওই মহিলা পুলিশ আসার পর তার নগ্নতা বন্ধ করেন।
আরবিএস টিভি-র সাক্ষাতকারে তিনি বলেন, আমি নগ্ন হইনি, আমি যেটা করেছি সেটাই স্বাভাবিক। যেটা অস্বাভাবিক সেটা হচ্ছে লোকজনের অপুষ্টি। অস্বাভাবিক হচ্ছে যখন কোনো অ্যাথলেট পেটের দায়ে বেশ্যাবৃত্তি করে। অস্বাভাবিক হচ্ছে একজন বেশ্যার ধনী হওয়ার কথা থাকলেও সে যখন ঘরহীন থাকে।
ঘটনার পর বেটিনাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং সে এখনো শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন। ধারণা করা হচ্ছে তিনি কোনো মানসিক সমস্যায় ভুগছেন।
পোর্তো এলেগ্রি রিও ডি জেনেরিওর দক্ষিণের একটি শহর এবং এখানে লোকজন প্রায়ই নগ্ন হয়ে তাদের প্রতিবাদ জানান। ২০১৩ সালে কমপক্ষে তিন জন বিক্ষোভকারী নগ্নতার মাধ্যমে তাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

No comments:
Post a Comment