সুরাতে এক কাপড়ের কলে কাজ করেন আদতে ওড়িশার বাসিন্দা অভিমন্যু নায়েক। বহু চেষ্টা সত্ত্বেও সন্তানসুখ পাননি অভিমন্যু এবং তাঁর স্ত্রী প্রতিমা। আদরের পমেরানিয়ান গুডুলুই তাঁদের আদরের ‘মেয়ে‘।
এদিকে সেই গুডুলুকে নিয়ে দেখা দিল এক সমস্যা। কারণ তার সঙ্গে দেখা করতে প্রায়ই নায়েক বাড়িতে চলে আসে এক পুরুষ পমেরানিয়ান। প্রথমে গুডুলুর‘বাবা-মা‘ ভেবেছিলেন‚ বোধ হয় উত্যক্ত করতে আসছে। তারপর‚ দেখা গেল কোনও বিরক্ত-উত্যক্ত নয়। আসলে দুজনে দুজনের প্রেমে পড়েছে !
শেষে খোঁজ নিয়ে দেখা গেল‚ ওই পুরুষ পমেরানিয়ানের নাম মোতি। তার মালিকের নাম গৌরব। তিনিও এক কাপড়ের কলের শ্রমিক। অবশেষে কথা হল দুই পরিবারে। শুভ দিন দেখে বিয়ে হল মোতি আর গুডুলুর।
এলাহি সেই বিয়ের আসরে কব্জি ডুবিয়ে ভোজ খেল ৫০০ অতিথি। হাজির ছিল ভেজ এবং নন ভেজ খাবারের রাজসিক আয়োজন। ‘একমাত্র‘ মেয়ের বিয়েতে কোনও ত্রুটি রাখতে চাননি ৪২ বছরের অভিমন্যু এবং ৩৭ বছরের প্রতিমা। ‘আদরের জামাই‘-কে দিয়েছেন ৩ গ্রাম ওজনের সোনার চেন এবং অন্য জিনিস। ‘শ্বশুরবাড়ি‘ থেকে গুডুলুর জন্যেও এসেছে উপহারের তত্ত্ব।
দুই পোষ্যের বিয়েতে খরচ হয়েছে মোট ৮০ হাজার টাকা। যা যৌথভাবে বহন করেছে দুই পরিবার।

No comments:
Post a Comment