ভুতুড়ে ঢিল কান্ড!! ঢিল ছুড়ছে ভূত - Breaking Bangla

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, 21 August 2018

ভুতুড়ে ঢিল কান্ড!! ঢিল ছুড়ছে ভূত




ভুতুড়ে ঢিলের আতঙ্ক দেখা দিয়েছে মালবাজার মহকুমার ওদলাবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের দেবি পাড়া এলাকায়। জানা যায়, সোমবার রাত ১০ নাগাদ অজস্র ঢিপ পড়া শুরু হয় এই গ্রামে। আর এতেই গ্রামের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়। খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যায় এলাকার প্রাত্তন পঞ্চায়েত সদস্য দীলিপ চৌধুরী কিন্তু তার সামনেই ঢিল পরতে থাকে গ্রামের বেশ কিছু বাড়িতে।

দিলীপবাবু বলেন, এই ঢিল বেশ কয়েকজন গ্রামবাসীর লেগেছে কিন্তু কোথা থেকে এই ঢিল এসে পরছে, তার কোন হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। ঘরে চালে একের পর এক ঢিল এসে পরছে। আতঙ্কে ঘরছেরে বাইরে বেরিয়ে পড়েছে গ্রামের মানুষ। তবে সব থেকে ভিত হয়ে পরেছে গ্রামের ছোট ছোট ছেলে মেয়ে এবং মহিলারা।

গ্রামের এক যুবক কৌশিক সরকার বলেন, আমাদের বাড়ির বারান্দার পাসে আমি এক ব্যাক্তিকে বসে থাকতে দেখি কিন্তু নিমিষের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যায় ওই ব্যাক্তি আর এতে আমরা আরো ভীত হয়ে পরি। এই ভাবে একের পর এক ঢিল বাড়ির চালে এসে পরছে কিন্তু কারা মারছে তা দেখা যাচ্ছে না।

খবর পেয়ে তড়িঘড়ি রাতেই ছুটে আসে মালবাজার পুলিশ। পুলিশ কর্মিরা গ্রামের আশেপাশে ঘুরে দেখেন। যে ঢিল গুলো গ্রামে এসে পরেছিল সেগুলো দেখেন পুলিশ আধিকারিকেরা। তবে পুলিশ বেশ কিছুক্ষন গ্রামে টহল দেয়। পুলিশ চলে গেলে আবার ঢিল পড়া শুরু হয় বলে গ্রাম বাসিদের অভিযোগ।

এলাকার এক মহিলা বলেন, খুব ভয়ে রয়েছি আমরা। বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে এই আতঙ্কে রাত কিভাবে কাটাব বুঝতেই পারছিনা।

তবে আশ্চর্যের বিষয় এলাকার দুই মদ্যপ যুবক সুজিত সরকার এবং বিমল সরকার খবর করতে বাধা দিচ্ছিল। তাদের অভিযোগ এই খবর করলে গ্রামের বদনাম হবে। যদি কোন চোর গ্রামে ঢুকেই থাকে তারাই ধরবে চোরকে। আর এতেই হতবম্ব হয়ে পরে গ্রামের মানুষ। সাংবাদিকদের গালিগাল করতে থাকে, যাতে সাংবাদিকরা খবর করতে না পারে।

এলাকার মানুষদের একটাই প্রশ্ন? তর্কের খাতিরে যদি ওই দুই যুবক চোর ধরবেই, তাহলে যাতিয় সড়কের ওপর ঘোরাঘুড়ি করছিল কেন? পঞ্চায়েত সদস্য দিলীপ চৌধুরীর সাথে উচ্চ স্বরে তর্ক করতে থাকে ওই দুই যুবক। কেন ওই দুই যুবক আগে পুলিশ কে খবর দেন নি? কেন গ্রামের মানুষের পাসে দারান নি ওই দুই যুবক? সাংবাদিকরা পুলিশ কে খবর দিলে পুলিশ এসে এলাকায় টহল দেয়। এতে কিছুটা নিরাপত্তাবোধ করে গ্রামের মানুষেরা।

মাল থানার ওসি অনিন্দ ভট্টাচার্য বলেন, কেন ওই দুই যুবক এত মাথাঘামাচ্ছিলেন তা ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি সাংবাদিকদের কেন বাধা দেবেন তারা সেটাই দেখা হচ্ছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad