হুগলি জেলায় দানবীর মহম্মদ মহসিনের অবদান অপরিসীম। ইমামবাড়া সদর হাসপাতাল থেকে শুরু করে স্কুল, কলেজ, সব কিছুই রয়েছে তার অবদান।
১৮১৭ সালে তিনি সংখ্যালঘুদের কথা ভেবে তৈরি
করেছিলেন হুগলি মাদ্রাসা। একটা সময় এই মাদ্রাসা চলত রমরম করে। কিন্তু বেশ কয়েক বছর ধরে এটি ধুঁকতে শুরু করে। শিক্ষক থাকলেও ছাত্রের সংখ্যা
কমতে থাকে। সংখ্যালঘু ছাত্রদের দাবি দাবা নিয়ে নানা
সময়ে এখানে আন্দোলনও হয়েছে।
বুধবার দানবীর মহম্মদ মহসিনের জন্মদিনে এক উন্নতর
মাদ্রাসায় রূপান্তরিত করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সংখ্যালঘুদের জন্য সব রকম সুবিধা
যুক্ত ব্যবস্থা করা হয়েছে এই মাদ্রাসাতে। অনলাইন ব্যবস্থা, কিয়স্ক
এবং কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থা করা হচ্ছে এখানে। এদিন তারাই সূচনা করলেন চার মন্ত্রী
অরূপ বিশ্বাস, সিদিকুল্লা চৌধুরী, মন্ত্রী তপন দাসগুপ্ত ও অসিমা পাত্র। মন্ত্রীদের পাশাপাশি হুগলির জেলাশাসক জগদীশ
প্রসাদ মিনা, পুলিশ কমিশনার অজয় কুমার, হুগলী পুলিশ সুপার(গ্রামীন) সুকেশ জৈন, বিধায়ক অসিত মজুমদার জেলা পরিষদের সভাধিপতি মেহবুব রহমান চুঁচুড়া পুরসভার
চেয়ারম্যান গৌরিকান্ত মুখার্জি সহ জেলার তৃণমূল বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন। এদিন
মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস বলেন, এই মাদ্রাসায় দ্বাদশ শ্রেনী পর্যন্ত বাংলা ও ইংরেজি
মাধ্যম চালু হবে। নতুন করে ভবনের উন্নয়ন করা হবে। পাশাপাশি এদিন থেকে স্কিল
ডেভলপমেন্ট চালু হল। এছাড়াও এদিন মন্ত্রী অরুপ বিশ্বাস বাম আমলের সাথে তৃণমূল আমলে সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের তফাৎ বর্ননা
করেন।

No comments:
Post a Comment