বাড়ি না ভেঙেই অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নজিরের সাক্ষী থাকলো আসানসোলের ৮৫নং ওয়ার্ড তথা মহিশীলা সানভিউ পার্কের মানুষ ৷ পেশায় শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র সাধু ২০০৩সালে সানভিউ পার্কে বাড়ি তৈরী করার পর পরবর্তী ক্ষেত্রে পুরসভার ও এলাকার রাস্তাঘাট তৈরী হলে , রাস্তার থেকে বাড়ির মেঝে নিচু হয়ে যাওয়ায় বর্ষায় বাড়িতে রাস্তা ও নর্দমার জল ঢুকে যাওয়ার সমস্যা তৈরী হয় ৷ বিগত দু-তিন বছর ধরে এই সমস্যায় ভোগার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন , বাড়িটি না ভেঙে নতুন করে বাড়ির মেঝের উচ্চতা বাড়াবেন ৷ সে কারণে অন লাইনে তিনি ভারতে এ কাজে বিশারদ ও অভিজ্ঞ হরিয়ানার একটি সংস্থার সাথে সংযোগ করেণ ৷ ওই সংস্থা বাড়ি না ভেঙে ও বাড়ির কোনো ক্ষতিসাধন না করে মেঝের উচ্চতা বাড়ানোর কাজে ১০০%গ্যারান্টি দিয়ে কোর্ট পেপারে চুক্তি করতে সম্মত হলে ৷ বিকাশ সাধু উৎসাহিত হন ৷ শেষ পর্যন্ত ৩০ আগষ্ট সংস্থার ২৬জন কর্মী প্রায় ১৫০টি জ্যাকের সাহায্যে বাড়িটি লিফটিং এর কাজে নেমে পড়েন ৷ সংস্থার সুপারভাইজার কৃষ্ণমার বলেন প্রতিদিন ১ফুট করে বাড়িটিকে মাটি থেকে তোলা হবে ৷ এভাবে ৪দিনে চারফুট উচ্চতা বাড়ানো হবে বাড়িটির নীচ থেকে ৷ এভাবে সম্পূর্ণ ১৭৫০ স্কয়ার ফুটের দ্বিতল বাড়িটির কোনো ক্ষতি না হয়ে মাটি ছেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় লোকেদের মধ্যে উৎসাহ ছড়িয়ে পড়ে ৷ তারা ঘটনার সাক্ষী থাকতে এলাকায় ভিড় করেন ৷
বাড়ি না ভেঙেই অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নজিরের সাক্ষী থাকলো আসানসোলের ৮৫নং ওয়ার্ড তথা মহিশীলা সানভিউ পার্কের মানুষ ৷ পেশায় শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র সাধু ২০০৩সালে সানভিউ পার্কে বাড়ি তৈরী করার পর পরবর্তী ক্ষেত্রে পুরসভার ও এলাকার রাস্তাঘাট তৈরী হলে , রাস্তার থেকে বাড়ির মেঝে নিচু হয়ে যাওয়ায় বর্ষায় বাড়িতে রাস্তা ও নর্দমার জল ঢুকে যাওয়ার সমস্যা তৈরী হয় ৷ বিগত দু-তিন বছর ধরে এই সমস্যায় ভোগার পর তিনি সিদ্ধান্ত নেন , বাড়িটি না ভেঙে নতুন করে বাড়ির মেঝের উচ্চতা বাড়াবেন ৷ সে কারণে অন লাইনে তিনি ভারতে এ কাজে বিশারদ ও অভিজ্ঞ হরিয়ানার একটি সংস্থার সাথে সংযোগ করেণ ৷ ওই সংস্থা বাড়ি না ভেঙে ও বাড়ির কোনো ক্ষতিসাধন না করে মেঝের উচ্চতা বাড়ানোর কাজে ১০০%গ্যারান্টি দিয়ে কোর্ট পেপারে চুক্তি করতে সম্মত হলে ৷ বিকাশ সাধু উৎসাহিত হন ৷ শেষ পর্যন্ত ৩০ আগষ্ট সংস্থার ২৬জন কর্মী প্রায় ১৫০টি জ্যাকের সাহায্যে বাড়িটি লিফটিং এর কাজে নেমে পড়েন ৷ সংস্থার সুপারভাইজার কৃষ্ণমার বলেন প্রতিদিন ১ফুট করে বাড়িটিকে মাটি থেকে তোলা হবে ৷ এভাবে ৪দিনে চারফুট উচ্চতা বাড়ানো হবে বাড়িটির নীচ থেকে ৷ এভাবে সম্পূর্ণ ১৭৫০ স্কয়ার ফুটের দ্বিতল বাড়িটির কোনো ক্ষতি না হয়ে মাটি ছেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় লোকেদের মধ্যে উৎসাহ ছড়িয়ে পড়ে ৷ তারা ঘটনার সাক্ষী থাকতে এলাকায় ভিড় করেন ৷

আসা করছি এবার কিছু ভালো হবে
ReplyDeleteWonderful!!....I had never seen such an unique work before!
ReplyDelete