লন্ডন, ২৭ জানুয়ারি- ব্রিটেনে সবচেয়ে বয়স্ক দুই যমজ বোন গ্গ্নেনেস থোমাস ও ফ্লোরেন্স ডেভিস। ৫ মিনিটের ব্যবধানে দু'জন পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয়েছিলেন। এখন তাদের বয়স ১০৩ বছর। শতবর্ষের বেশি সময় তারা একসঙ্গে বেড়ে উঠেছেন। বিয়ে এবং সংসার করেছেন; কিন্তু কেউ কাউকে ছেড়ে দূরে থাকেননি। দুই বোনের মধ্যে এমনই সৌহার্দ্য ও সখ্য, যা নিবিড়ভাবে দু'জনকে কাছে ধরে রেখেছে দীর্ঘকাল। নিয়তির খেয়ালে দুই বোন যেন একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
১৯১১ সালের ২২ নভেম্বর দক্ষিণ ওয়েলসের কায়েরফিরে জন্মগ্রহণ করেন তারা। ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ যখন সিংহাসনে আরোহণ করেন তখন ফ্লোরেন্স এবং গ্গ্নেনেসের জন্ম। দুই বোন ১৯ জন প্রধানমন্ত্রীর কার্যকাল দেখেছেন। তারা ৫ সন্তানের মা। উভয়ের রয়েছে ১২ নাতি-নাতনি এবং ১৯ জন প্রপৌত্র। বিয়ের পর কায়েরফিল শহরের ফ্রান্সিস স্ট্রিটে দু'জনের বাড়ি ছিল গায়ে গায়ে লাগানো। এ দুই বাড়িতেই তারা জীবনের বৃহৎ অংশ অতিবাহিত করেছেন। তাদের মধ্যে এতটা নিবিড় সম্পর্ক ছিল, নিজেদের দৃষ্টিসীমার কাছাকাছি পেতে দুটি বাড়ির রান্নাঘরের মাঝে দেয়ালে একটি বাড়তি সংযোগ দরজা তৈরি করে নিয়েছিলেন তারা।
বর্তমানে তাদের আশ্রয় হয়েছে 'কেয়ার হোম' বা বৃদ্ধাশ্রমে। এখন অবশ্য দু-তিন দরজা দূরত্বে দুটি পৃথক রুমে তারা থাকেন। কিন্তু সারাক্ষণ তাদের মধ্যে দেখা-সাক্ষাৎ হয়। জীবনের সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েও তারা ক্লান্ত-শ্রান্ত রোগাক্রান্ত নন। বরং নীরোগ এবং বেশ সুখী। তাদের কেয়ার হোমটির অবস্থান তারা যে বাড়িতে থাকতেন সেই একই রাস্তায়।
গত ২২ নভেম্বর ছিল কিংবদন্তিতুল্য দুই বোনের ১০৩তম জন্মদিন। ছেলেমেয়ে, নাতি-নাতনি, বন্ধু-বান্ধব ও প্রতিবেশীদের নিয়ে বেশ ঘটা করেই তারা এ দিনটি উদযাপন করেছেন।
সুত্রঃ দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইন।
১৯১১ সালের ২২ নভেম্বর দক্ষিণ ওয়েলসের কায়েরফিরে জন্মগ্রহণ করেন তারা। ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ যখন সিংহাসনে আরোহণ করেন তখন ফ্লোরেন্স এবং গ্গ্নেনেসের জন্ম। দুই বোন ১৯ জন প্রধানমন্ত্রীর কার্যকাল দেখেছেন। তারা ৫ সন্তানের মা। উভয়ের রয়েছে ১২ নাতি-নাতনি এবং ১৯ জন প্রপৌত্র। বিয়ের পর কায়েরফিল শহরের ফ্রান্সিস স্ট্রিটে দু'জনের বাড়ি ছিল গায়ে গায়ে লাগানো। এ দুই বাড়িতেই তারা জীবনের বৃহৎ অংশ অতিবাহিত করেছেন। তাদের মধ্যে এতটা নিবিড় সম্পর্ক ছিল, নিজেদের দৃষ্টিসীমার কাছাকাছি পেতে দুটি বাড়ির রান্নাঘরের মাঝে দেয়ালে একটি বাড়তি সংযোগ দরজা তৈরি করে নিয়েছিলেন তারা।
বর্তমানে তাদের আশ্রয় হয়েছে 'কেয়ার হোম' বা বৃদ্ধাশ্রমে। এখন অবশ্য দু-তিন দরজা দূরত্বে দুটি পৃথক রুমে তারা থাকেন। কিন্তু সারাক্ষণ তাদের মধ্যে দেখা-সাক্ষাৎ হয়। জীবনের সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়েও তারা ক্লান্ত-শ্রান্ত রোগাক্রান্ত নন। বরং নীরোগ এবং বেশ সুখী। তাদের কেয়ার হোমটির অবস্থান তারা যে বাড়িতে থাকতেন সেই একই রাস্তায়।
গত ২২ নভেম্বর ছিল কিংবদন্তিতুল্য দুই বোনের ১০৩তম জন্মদিন। ছেলেমেয়ে, নাতি-নাতনি, বন্ধু-বান্ধব ও প্রতিবেশীদের নিয়ে বেশ ঘটা করেই তারা এ দিনটি উদযাপন করেছেন।
সুত্রঃ দ্য টেলিগ্রাফ অনলাইন।
No comments:
Post a Comment