কখনও প্রেম তো কখনও ব্যবসা, প্রতারকের দায় মাথা থেকে যেন নামতেই চাইছে না। এবার তো আবার কোনও তর্ক-বিতর্ক নয়। সোজা থানায় নায়কের নামে এফআইআর দায়ের।
মুরলীধরনের দাবি, হৃতিকের এইচআরএক্স নামক থেকে ২১ লাখ টাকার পণ্য কিনেছিলেন তিনি। কিন্তু সে পণ্য নিয়মিত পাঠানো হত না। উপরন্তু তার অগোচরেই কোম্পানি বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে পণ্যের যোগান বন্ধ হয়ে যায়। এর জন্য তাকে কোনও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি।সম্প্রতি মুরলীধরন নামের এক ব্যক্তি, তামিলনাড়ুর কোডুঙ্গাইয়ার থানায় হৃতিকের নামে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ইতিমধ্যেই কোডুঙ্গাইয়ার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ব্যবসায়ী। ৪২০ ধারায় হৃতিকসহ আটজনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অস্বচ্ছভাবে পণ্য যোগানের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে যুগের সঙ্গে বদলাচ্ছেন সেলিব্রিটিরাও। বড়পর্দার মোহ ত্যাগ করে এবার ডিজিটালে আগ্রহী হয়ে উঠছেন তারকারা। সাইফ আলি খানের পর এবার ওয়েব দুনিয়ায় এন্ট্রি নিলেন হৃতিক। বিষয় সায়েন্স ফিকশন।
শোনা যাচ্ছে, পুরোপুরি আলাদা লুকে ওয়েব দুনিয়ায় হাজির হবেন রোশন পুত্র। কিন্তু কী সেই পরিবর্তন? সেই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ সুপারস্টার। এদিকে ‘সুপার ৩০’ জন্যও নিজেকে আমূল বদলে ফেলেছেন নায়ক। ছক ভেঙে একেবারে অন্যরূপে সামনে এলেন তিনি। নায়কের এই ডি-গ্ল্যাম লুক সাইবার দুনিয়ায় হটকেক।
সিক্স প্যাক উধাও। নেই দুধে আলদা সেই গায়ের রঙ। জেল সেটিং চুল একেবারে এলোমেলো। গায়ে নীল রঙের স্টাইপ টি শার্ট আর ছাই রাঙা প্যান্ট। সাইকেলে চেপে জায়পুরের রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ফিরলেন হৃতিক রোশন। তাকে দেখে কেউ চিনতেই পারল না। অথচ কিছুদিন বিশ্বের সবথেকে সুন্দর পুরুষের তালিকায় নাম উঠেছে তার।
২০০২ সালে ‘সুপার ৩০’ এর অভিযান শুরু করেছিলেন আনন্দ কুমার। উদ্দেশ্য ছিল দুঃস্থ পরিবারের মেধাবী পড়ুয়াদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া। আর আইআইটির মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার উপযুক্ত করে তোলা।
প্রথম বছরেই ৩০ জনের মধ্যে ১৮ জন পড়ুয়া আইআইটির প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। তারপর আর থেমে থাকেনি ‘সুপার ৩০’ এর যাত্রা। ২০১৭ সালে পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় ৩০ জনের মধ্যে ৩০ জনই আইআইটির প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করেন। এই আনন্দের ভূমিকায় দেখা যাবে রোশন পুত্রকে।

No comments:
Post a Comment