ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘ইন্ডিয়ান আইডল’। এবার এই রিয়েলিটি শো‘তে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগ তুললে এক প্রতিযোগী। ২০১২ সালের ইন্ডিয়ান আইডলের নিশান্ত কৌশিক নামে এক প্রতিযোগী ইন্ডিয়ান আইডল চলাকালীন শারীরিক নিগ্রহের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ এনেছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম নিউজ ১৮ জানিয়েছে ২০১২ সালের ইন্ডিয়ান আইডলের প্রতিযোগী নিশান্ত কৌশিক অভিযোগ এনেছেন, ইন্ডিয়ান আইডল চলাকালীন তাঁকে শারীরিক নিগ্রহের শিকার হতে হয়েছিল! আর এই ঘটনার সত্যতা মেনে নিয়েছেন 'ইন্ডিয়ান আইডল'-এর জনপ্রিয় সঞ্চালিকা মিনি মাথুর।
২০১২ সালে 'ইন্ডিয়ান আইডল' শোয়ের তৃতীয় রাউন্ড থেকে বের হয়ে যেতে হয় নিশান্ত কৌশিককে। সম্প্রতি ট্যুইটার নিশান্ত লিখেছেন '২০১২ সালে ইন্ডিয়ান আইডলে অডিশন দেওয়ার অভিজ্ঞতা আমার কাছে ভয়ঙ্কর। আমার মতে, একজন প্রতিভার স্বপ্ন ধংস করার জন্য এই প্লার্টফর্মই যথেষ্ট'।
ঘটনার বিশদ ব্যাখ্যা দিয়ে নিশান্ত লিখেছেন, ইন্ডিয়ান আইডলের কিছু প্রতিযোগীকে শোয়ের প্রযোজক ও উদ্যোক্তাদের গাফিলতিতেই এধরনের হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে।
পাশাপাশি কীভাবের ইন্ডিয়ান আইডলের প্রতিযোগীদের একধিক হুমকি ও অত্যাচারের মুখোমুখি হতে হয়ে সেই অভিজ্ঞতা জানিয়ে একাধিক টুইট করেছেন নিশান্ত।
তিনি এ বিষয়ে টুইটে লিখেন, ইন্ডিয়ান আইডলের অডিশন শুরু হয়েছিল দুপুর ১টার সময়। আর সেই অডিশন দেওয়ার জন্য আমরা সকাল ৭টা থেকে ২ কিলোমিটার লম্বা লাইনে দাঁড়িয়েছিলাম। এমন প্রতোযোগীও ছিলেন যাঁরা ভোর পাঁচ, কেউবা আবার রাত থেকে এসে লাইন দিয়ে ছিল। যাখন অডিশন শুরু হল, তখনও ভীষণই অব্যবস্থা ছিল। খাবার ছিল না, পানি ছিল না, না ছিল কোন টয়লেট! আমরা তৃষ্ণার্ত অবস্থায় অডিশনের জন্য দাঁড়িয়েছিলাম।
এছাড়াও কোনও প্রতোযোগী গান গাইতে না পারলে তাঁদের নিয়ে কীভাবে হাসিঠাট্টা করা হয়। এমনকি অডিশনের সময় বেশকয়েকজনকে মুখে বানিয়ে গানের লাইনও গাইতে বলা হয়, একজন বিরোধীতা করেছিল বলে তাকে থাপ্পর খেতে হয়, এমনকি যারা গান গাইতে পারেননা তাদেরকেও নানান রকম নাটক, কৌতুক করার জন্য বিচারকদের সামনে পাঠানো হয়। যাতে বিচারকরা তাঁদের নিয়ে হাসি ঠাট্টা করতে পারে এমন অভিযোগও তুলেছেন নিশান্ত।
বর্তমানে ‘ইন্ডিয়ান আইডল ১০’এর বিচারকের আসনে রয়েছেন অন্নু মালিক, নেহা কক্কর, বিশাল দদলানি। আর সঞ্চালক হিসাবে রয়েছেন মণীশ পল।
No comments:
Post a Comment