ভাঙড়ে পুজোর আগেই ঘরে ঘরে বাড়ছে অজানা জ্বরের দাপট। আর সেই দাপটেই বুধবার সন্ধ্যায় ভাঙড়ের এক বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম বিশ্বজিৎ রুইদাস (৩৩)। বাড়ি ভাঙড়ের ভগবানপুর গ্রামে। মৃতার পরিবারের দাবি ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েই বিশ্বজিতের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর জন্য চিকিৎসারও গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন মৃতের আত্মীয় পরিজন। যদিও চিকিৎসকরা মৃত্যুর কারণ হিসাবে ডেঙ্গির কথা মানতে চাননি। দাস পাড়ার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ রুইদাস পেশায় একজন বাস কন্ডাক্টর। ৪ দিন ধরেই তিনি জ্বরে ভুগছিলেন বলে পরিবারের লোকের অভিযোগ। মঙ্গলবার জ্বরের সঙ্গে পেট খারাপ সহ অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়। তাঁকে জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে এন এস ওয়ান পরীক্ষার জন্য পাঠান চিকিৎসকরা। ভর্তির সময় বিশ্বজিৎ বাবুর প্লেটলেট ছিল অনেকটাই কম ছিল। রাতে ওষুধ-পথ্যের পাশাপাশি দুটি স্যলাইনও দেওয়া হয় বিশ্বজিৎ বাবুকে। কিন্তু সকালে চিকিৎসকরা দেখেন তাঁর প্লেটলেট আরও কমে গেছে। তখন আর ঝুঁকি না নিয়ে জিরানগাছা থেকে বেলেঘাটা আই ডি হাসপাতালে রেফার করা হয়। অভিযোগ, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগে রাস্তাতেই মারা যান তিনি। স্ত্রী টগরী রুইদাস ছাড়াও ১২ বছরের রাকেশ ও ৭ বছরের বিট্টু রুইদাস নামে দুই পুত্র সন্তান আছে বিশ্বজিতের। তাঁর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন পরিবার। মৃতের ভাই লক্ষণ রুইদাস বলেন, ‘চিকিৎসার গাফিলতির জন্যই দাদা মারা গিয়েছেন। দু বোতল স্যলাইন দেওয়া ছাড়া হাসপাতাল আর কিছু করেনি।‘বিশ্বজিতের বাড়ি যে এলাকায় সেখানে যে ঘরে ঘরে অজানা জ্বর এবং পতঙ্গ বাহিত রোগের প্রকোপের কথা স্বীকার করেন ভগবানপুর পঞ্চায়েতের প্রধান রোজিনা বিবি। অনেক আগে থেকেই সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
ভাঙড়ে পুজোর আগেই ঘরে ঘরে বাড়ছে অজানা জ্বরের দাপট। আর সেই দাপটেই বুধবার সন্ধ্যায় ভাঙড়ের এক বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম বিশ্বজিৎ রুইদাস (৩৩)। বাড়ি ভাঙড়ের ভগবানপুর গ্রামে। মৃতার পরিবারের দাবি ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েই বিশ্বজিতের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর জন্য চিকিৎসারও গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন মৃতের আত্মীয় পরিজন। যদিও চিকিৎসকরা মৃত্যুর কারণ হিসাবে ডেঙ্গির কথা মানতে চাননি। দাস পাড়ার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ রুইদাস পেশায় একজন বাস কন্ডাক্টর। ৪ দিন ধরেই তিনি জ্বরে ভুগছিলেন বলে পরিবারের লোকের অভিযোগ। মঙ্গলবার জ্বরের সঙ্গে পেট খারাপ সহ অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয়। তাঁকে জিরানগাছা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে এন এস ওয়ান পরীক্ষার জন্য পাঠান চিকিৎসকরা। ভর্তির সময় বিশ্বজিৎ বাবুর প্লেটলেট ছিল অনেকটাই কম ছিল। রাতে ওষুধ-পথ্যের পাশাপাশি দুটি স্যলাইনও দেওয়া হয় বিশ্বজিৎ বাবুকে। কিন্তু সকালে চিকিৎসকরা দেখেন তাঁর প্লেটলেট আরও কমে গেছে। তখন আর ঝুঁকি না নিয়ে জিরানগাছা থেকে বেলেঘাটা আই ডি হাসপাতালে রেফার করা হয়। অভিযোগ, হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগে রাস্তাতেই মারা যান তিনি। স্ত্রী টগরী রুইদাস ছাড়াও ১২ বছরের রাকেশ ও ৭ বছরের বিট্টু রুইদাস নামে দুই পুত্র সন্তান আছে বিশ্বজিতের। তাঁর মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন পরিবার। মৃতের ভাই লক্ষণ রুইদাস বলেন, ‘চিকিৎসার গাফিলতির জন্যই দাদা মারা গিয়েছেন। দু বোতল স্যলাইন দেওয়া ছাড়া হাসপাতাল আর কিছু করেনি।‘বিশ্বজিতের বাড়ি যে এলাকায় সেখানে যে ঘরে ঘরে অজানা জ্বর এবং পতঙ্গ বাহিত রোগের প্রকোপের কথা স্বীকার করেন ভগবানপুর পঞ্চায়েতের প্রধান রোজিনা বিবি। অনেক আগে থেকেই সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

No comments:
Post a Comment